প্রথমদিকে ই-সিগারেটকে ধূমপান ছাড়ার সহায়ক হিসেবে প্রমোট করা হয়। বলা হয়, এতে তামাক নেই, তাই ক্ষতিও কম। কিন্তু বাস্তবতা হলো, এতে নিকোটিন ঠিকই থাকে, আর নিকোটিনই হলো সিগারেটের সবচেয়ে আসক্তিকর এবং ক্ষতিকর উপাদান।
নাসার বিজ্ঞানীরা মনে করছেন, এই গর্তগুলো হতে পারে বাতাসের ঝাপটা ও ধুলোর ঘর্ষণে, অথবা হয়তো অনেক আগের কোনো উল্কাপিণ্ডের ধাক্কায় তৈরি। আর এই পাথরটি হয়তো কাছাকাছি অন্য কোনো পাথরের অংশ থেকে ক্ষয়ে গিয়ে এখানে এসেছে।
হ্যাকাররা এখন এমন কিছু কৌশল ব্যবহার করছে, যার মাধ্যমে তারা আপনার অ্যাকাউন্টে ঢুকে যেতে পারে এবং আপনার নামেই অন্যদের প্রতারণা করতে পারে।
দেশে তিন স্তরে নতুন করে কমছে ইন্টারনেটের দাম। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) ও ইন্টারন্যাশনাল ইন্টারনেট গেটওয়ে (আইআইজি) পর্যায়ে ১০ শতাংশ এবং ন্যাশনাল ট্রান্সমিশন পর্যায়ে ১৫ শতাংশ দাম কমাবে ফাইবার অ্যাট হোম। পাশাপাশি মোবাইল সেবাদাতা ৩টি বেসরকারি কোম্পানিকেও ইন্টারনেটের দাম কমানোর আহ্বান জানিয়েছে
যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল বিজ্ঞানী বিশেষ এক ধরনের লেজার লাইট ব্যবহার করে এই রঙ দেখেছেন।
পিঁপড়া একে-অপরের সঙ্গে কথা বলে, তবে মুখে নয়—ঘ্রাণ বা গন্ধ দিয়ে। তারা এক ধরনের রাসায়নিক পদার্থ ছাড়ে, যার নাম ফেরোমন। এই
ভ্রু বা শরীরের অন্যান্য লোম খুব অল্প সময়ের জন্য বাড়ে—মাত্র ১ থেকে ২ মাস। এরপরই তা ক্যাটাজেন ও টেলোজেন ধাপে ঢুকে পড়ে। ফলে এগুলো কখনোই খুব লম্বা হয় না।
বিজ্ঞান বলছে, মানুষ বামহাতি হওয়ার পেছনে সবচেয়ে বড় কারণ হলো জিন। অর্থাৎ, আমাদের শরীরের ভেতরে থাকা বংশগত উপাদান। যদি কারও বাবা-মা, দাদা-দাদি বা পরিবারের অন্য কেউ বামহাতি হন, তাহলে সেই শিশুর বামহাতি হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়।
হারারি আধুনিক যুক্তরাষ্ট্রের গণতোন্ত্রিক সমস্যা নিয়ে প্রশ্ন তোলার আগে আরো পেছনের দিকে তাকিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘উদাহরণ টানা যায় আধুনিক কালের রাজনৈতিক ইতিহাস থেকে।
বিজ্ঞানীরা বলছেন, রসুনে এমন একটি উপাদান আছে যেটা শরীরের কোষগুলোকে ক্যান্সার থেকে রক্ষা করতে পারে। এই উপাদানের নাম অ্যালিসিন। এটি রসুন কাটলে বা থেঁতো করলে তৈরি হয় এবং এতে আছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি (প্রদাহরোধী) গুণ।
চুয়িং গামের বাণিজ্যিকীকরণ শুরু হয় ১৯শ শতাব্দীতে। ১৮৪০ সালে জন কার্টিস নামের একজন আমেরিকান প্রথমবারের মতো চুয়িং গাম তৈরি করে বাজারে ছাড়েন।
এই প্রাণীটিকে বলা হয় পৃথিবীর সবচেয়ে বড় অমেরুদণ্ডী প্রাণী। পূর্ণবয়স্ক কলসাল স্কুইডের দৈর্ঘ্য ১৪ মিটার (প্রায় ৪৬ ফুট) পর্যন্ত হতে পারে – যা একটি বড় ট্রাকের সমান! ও
গত কয়েক মাস ধরে রোভারটি ঘুরে বেড়াচ্ছে এই ক্রেটারের পশ্চিম দিকের পাহাড়ি অঞ্চল ও পাথুরে ঢালে। এই এলাকাটি বৈজ্ঞানিকদের কাছে এখন এক কথায় “সোনার খনি”।
প্রথম দেখায় অনেকেই ভাবেন, কোনো সামুদ্রিক গাছ বা শৈবাল যেন ধীরে ধীরে পানির স্রোতে ভেসে চলেছে। কিন্তু না, সেটি আসলে জীবন্ত এক প্রাণী। পাতার মতো দেহের গঠন তাকে নিখুঁতভাবে ছদ্মবেশ নিতে সাহায্য করে।
ফোটনগুলো এই বিক্রিয়াকেন্দ্রে সরাসরি যায় না। একই সঙ্গে অনেকগুলো পথে ফোটন এই কেন্দ্রগুলোতে যায়। এটাকে বলে কোয়ান্টাম সুপারপজিশন, অর্থাৎ একই সঙ্গে একাধিক অবস্থায় থাকা।
বিজ্ঞানীরা কাগজ তৈরির সময় পাওয়া টেকসই উপাদান—লিগনিন এবং একধরনের পরিবাহী প্লাস্টিক দিয়ে এই ব্যাটারি তৈরি করেছেন। এর ফলে ব্যাটারিটি পরিবেশবান্ধব হওয়ার পাশাপাশি অনেক নমনীয় ও হালকা হয়েছে।