
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

চুয়িং গামের ইতিহাস শুরু আজ থেকে প্রায় ৯,০০০ বছর আগে। প্রত্নতাত্ত্বিক গবেষণায় জানা যায়, উত্তর ইউরোপের মানুষরা গাছের ছাল চিবাতেন। ধারণা করা হয়, তারা এটি করতেন দুটি কারণে—একটি হলো স্বাদের জন্য, অন্যটি হলো দাঁতের ব্যথা উপশমের জন্য। গাছের ছালে থাকা প্রাকৃতিক রেসিন মুখের ভেতর এক ধরনের সতেজতা দিত, যা তাদের কাছে বেশ উপভোগ্য ছিল।
মায়া সভ্যতায় চুয়িং গামের ব্যবহার ছিল আরও সুপরিচিত। মায়ানরা স্যাপোডিল্লা গাছের রস সংগ্রহ করে তা শুকিয়ে চিবাতেন। এই রসকে তারা 'চিকল' নামে ডাকত। মায়ানরা মূলত ক্ষুধা নিবারণ ও তৃষ্ণা মেটানোর জন্য এটি ব্যবহার করতেন। পরবর্তীতে আজটেক সভ্যতায় চুয়িং গামের ব্যবহার আরও বিস্তৃত হয়। আজটেকরা চিকল চিবানোর জন্য কঠোর সামাজিক নিয়ম মেনে চলতেন। উদাহরণস্বরূপ: শিশু ও অবিবাহিত নারীরা প্রকাশ্যে চুয়িং গাম চিবাতে পারতেন। বিবাহিত নারী ও বিধবাদের ব্যক্তিগত স্থানে চিবাতে হতো। পুরুষরা একেবারে গোপনে চিবাতেন, কারণ তারা মনে করতেন এটি দাঁত পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে।
চুয়িং গামের বাণিজ্যিকীকরণ শুরু হয় ১৯শ শতাব্দীতে। ১৮৪০ সালে জন কার্টিস নামের একজন আমেরিকান প্রথমবারের মতো চুয়িং গাম তৈরি করে বাজারে ছাড়েন। তিনি স্প্রুস গাছের রস সংগ্রহ করে তা গরম পানিতে সিদ্ধ করতেন, পরে ঠান্ডা করে টুকরো টুকরো করে কেটে বিক্রি করতেন। তবে এই গামের স্বাদ তেমন ভালো ছিল না, তাই তিনি এতে প্যারাফিন মিশিয়ে স্বাদ উন্নত করার চেষ্টা করেন।
কিন্তু আধুনিক চুয়িং গামের প্রকৃত সূচনা হয় থমাস অ্যাডামসের হাত ধরে। ১৮৬০-এর দশকে তিনি মেক্সিকোর প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট এ্যান্টনিও লোপেজ ডি সান্তা আন্নার সাথে দেখা করেন, যিনি তাকে চিকল (স্যাপোডিল্লা গাছের রস) সম্পর্কে ধারণা দেন। প্রথমে তারা চিকল দিয়ে রাবার বানানোর চেষ্টা করেন, কিন্তু সফল হননি। পরে অ্যাডামস ভাবলেন, এটি দিয়ে চুয়িং গাম বানালে কেমন হয়? ১৮৭১ সালে তিনি "অ্যাডামস নিউ ইয়র্ক চুয়িং গাম" বাজারে আনেন, যা তাত্ক্ষণিক সাফল্য পায়।
চুয়িং গামের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় বিপ্লব আসে বাবল গামের আবিষ্কারের মাধ্যমে। ১৯০৬ সালে ফ্র্যাঙ্ক ফ্লিয়ার প্রথম বাবল গাম বাজারে আনেন, যার নাম ছিল "ব্লিবার-ব্লাবার"। তবে এটি তেমন জনপ্রিয় হয়নি। পরে ১৯২৮ সালে ফ্লিয়ারের কোম্পানির এক তরুণ কর্মী ওয়াল্টার ডাইমার একটি নতুন ফর্মুলা তৈরি করেন, যা দিয়ে বড় বুদবুদ তৈরি করা যেত। এই গামের নাম দেওয়া হয় "ডাবল বাবল", এবং এটি রাতারাতি হিট হয়ে যায়।
চুয়িং গামের জনপ্রিয়তা বৃদ্ধিতে বিজ্ঞাপনের ভূমিকা অপরিসীম। উইলিয়াম রিংলে জুনিয়র নামের এক ব্যবসায়ী প্রথমে সাবান বিক্রি করতেন, কিন্তু পরে তিনি লক্ষ্য করলেন যে বিনামূল্যে দেওয়া চুয়িং গামের চাহিদা বেশি। তাই তিনি ১৮৯৩ সালে জ্যুসি ফ্রুট এবং রিংলে’জ স্পিয়ারমিন্ট নামে দুটি চুয়িং গাম কোম্পানি চালু করেন। তিনি বিপুল অর্থ ব্যয় করে চুয়িং গামের বিজ্ঞাপন দিতেন, যা তাকে ধনী বানিয়ে দেয়।
সূত্র: হিস্ট্রি ডট কম

চুয়িং গামের ইতিহাস শুরু আজ থেকে প্রায় ৯,০০০ বছর আগে। প্রত্নতাত্ত্বিক গবেষণায় জানা যায়, উত্তর ইউরোপের মানুষরা গাছের ছাল চিবাতেন। ধারণা করা হয়, তারা এটি করতেন দুটি কারণে—একটি হলো স্বাদের জন্য, অন্যটি হলো দাঁতের ব্যথা উপশমের জন্য। গাছের ছালে থাকা প্রাকৃতিক রেসিন মুখের ভেতর এক ধরনের সতেজতা দিত, যা তাদের কাছে বেশ উপভোগ্য ছিল।
মায়া সভ্যতায় চুয়িং গামের ব্যবহার ছিল আরও সুপরিচিত। মায়ানরা স্যাপোডিল্লা গাছের রস সংগ্রহ করে তা শুকিয়ে চিবাতেন। এই রসকে তারা 'চিকল' নামে ডাকত। মায়ানরা মূলত ক্ষুধা নিবারণ ও তৃষ্ণা মেটানোর জন্য এটি ব্যবহার করতেন। পরবর্তীতে আজটেক সভ্যতায় চুয়িং গামের ব্যবহার আরও বিস্তৃত হয়। আজটেকরা চিকল চিবানোর জন্য কঠোর সামাজিক নিয়ম মেনে চলতেন। উদাহরণস্বরূপ: শিশু ও অবিবাহিত নারীরা প্রকাশ্যে চুয়িং গাম চিবাতে পারতেন। বিবাহিত নারী ও বিধবাদের ব্যক্তিগত স্থানে চিবাতে হতো। পুরুষরা একেবারে গোপনে চিবাতেন, কারণ তারা মনে করতেন এটি দাঁত পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে।
চুয়িং গামের বাণিজ্যিকীকরণ শুরু হয় ১৯শ শতাব্দীতে। ১৮৪০ সালে জন কার্টিস নামের একজন আমেরিকান প্রথমবারের মতো চুয়িং গাম তৈরি করে বাজারে ছাড়েন। তিনি স্প্রুস গাছের রস সংগ্রহ করে তা গরম পানিতে সিদ্ধ করতেন, পরে ঠান্ডা করে টুকরো টুকরো করে কেটে বিক্রি করতেন। তবে এই গামের স্বাদ তেমন ভালো ছিল না, তাই তিনি এতে প্যারাফিন মিশিয়ে স্বাদ উন্নত করার চেষ্টা করেন।
কিন্তু আধুনিক চুয়িং গামের প্রকৃত সূচনা হয় থমাস অ্যাডামসের হাত ধরে। ১৮৬০-এর দশকে তিনি মেক্সিকোর প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট এ্যান্টনিও লোপেজ ডি সান্তা আন্নার সাথে দেখা করেন, যিনি তাকে চিকল (স্যাপোডিল্লা গাছের রস) সম্পর্কে ধারণা দেন। প্রথমে তারা চিকল দিয়ে রাবার বানানোর চেষ্টা করেন, কিন্তু সফল হননি। পরে অ্যাডামস ভাবলেন, এটি দিয়ে চুয়িং গাম বানালে কেমন হয়? ১৮৭১ সালে তিনি "অ্যাডামস নিউ ইয়র্ক চুয়িং গাম" বাজারে আনেন, যা তাত্ক্ষণিক সাফল্য পায়।
চুয়িং গামের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় বিপ্লব আসে বাবল গামের আবিষ্কারের মাধ্যমে। ১৯০৬ সালে ফ্র্যাঙ্ক ফ্লিয়ার প্রথম বাবল গাম বাজারে আনেন, যার নাম ছিল "ব্লিবার-ব্লাবার"। তবে এটি তেমন জনপ্রিয় হয়নি। পরে ১৯২৮ সালে ফ্লিয়ারের কোম্পানির এক তরুণ কর্মী ওয়াল্টার ডাইমার একটি নতুন ফর্মুলা তৈরি করেন, যা দিয়ে বড় বুদবুদ তৈরি করা যেত। এই গামের নাম দেওয়া হয় "ডাবল বাবল", এবং এটি রাতারাতি হিট হয়ে যায়।
চুয়িং গামের জনপ্রিয়তা বৃদ্ধিতে বিজ্ঞাপনের ভূমিকা অপরিসীম। উইলিয়াম রিংলে জুনিয়র নামের এক ব্যবসায়ী প্রথমে সাবান বিক্রি করতেন, কিন্তু পরে তিনি লক্ষ্য করলেন যে বিনামূল্যে দেওয়া চুয়িং গামের চাহিদা বেশি। তাই তিনি ১৮৯৩ সালে জ্যুসি ফ্রুট এবং রিংলে’জ স্পিয়ারমিন্ট নামে দুটি চুয়িং গাম কোম্পানি চালু করেন। তিনি বিপুল অর্থ ব্যয় করে চুয়িং গামের বিজ্ঞাপন দিতেন, যা তাকে ধনী বানিয়ে দেয়।
সূত্র: হিস্ট্রি ডট কম

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ তারিখ নির্ধারণ করেন।
৩ ঘণ্টা আগে
মঙ্গলবার রাতে সেহেরি খাওয়ার পর ভোরে সবাই ঘুমিয়ে পড়েন। ধারণা করা হচ্ছে, ওই সময় গ্যাস সিলিন্ডার থেকে গ্যাস লিকেজ হয়ে কক্ষে অক্সিজেনের স্বল্পতা দেখা দেয়। এ সময় ঘুমন্ত অবস্থায় শ্বাসরুদ্ধ হয়ে তারেক মিয়া ও তার ছেলে সাব্বিরের মৃত্যু হয়। পরে লিটনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে স্থানীয় একটি হাসপাতালে ভর্তি ক
৩ ঘণ্টা আগে
মানবিক বিবেচনায় এই প্রবাসীদের পাশে দাঁড়াতে ঢাকা-চট্টগ্রাম-আবুধাবী-ঢাকা রুটে বিশেষ এই ফ্লাইটটি পরিচালনা করে এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষ।
৫ ঘণ্টা আগে
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ইউএস ট্রেড রিপ্রেজেন্টেটিভ আমাদের প্রধান দুটি দলের প্রধানের সঙ্গে নির্বাচনের আগেই কথা বলেছেন। তারা (বিএনপি ও জামায়াতের প্রধান) এতে সম্মতি দিয়েছিলেন। সুতরাং এমন না যে এই চুক্তি আমরা কাউকে অন্ধারে রেখে করেছি।
১৬ ঘণ্টা আগে