‘পাগলা’ শিক্ষাব্যবস্থা ও কর্মক্ষেত্রে অসামঞ্জস্য— দায় কার?

ফিরোজ আলম মিলন

দক্ষ জনবল অর্থনীতিকে সবল করে। কিন্তু বাংলাদেশের বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থা ও কর্মক্ষেত্রের বাস্তবতার মধ্যে এক গভীর অসামঞ্জস্য ক্রমেই স্পষ্ট হয়ে উঠছে। আমরা প্রায়ই বিস্ময়ের সঙ্গে দেখি— ম্যানেজমেন্টে পড়ালেখা করা কেউ চাকরি করছে জাদুঘরে, আবার বুয়েট থেকে প্রকৌশলবিদ্যায় ডিগ্রিধারী একজন তরুণ প্রশাসনের ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এসব ঘটনা একদিকে যেমন কৌতূহল জাগায়, অন্যদিকে আমাদের শিক্ষাব্যবস্থার কাঠামোগত দুর্বলতাকেও নগ্নভাবে তুলে ধরে। প্রশ্ন জাগে— শিক্ষার প্রকৃত উদ্দেশ্য কি শুধুই সনদ অর্জন, নাকি বাস্তব জীবনে সেই শিক্ষার যথাযথ প্রয়োগ?

আমাদের শিক্ষাব্যবস্থা দীর্ঘদিন ধরেই মূলত সনদকেন্দ্রিক। প্রাথমিক স্তর থেকে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের পুরো যাত্রাপথটি পরিচালিত হয় একটি নির্দিষ্ট লক্ষ্যের দিকে— ভালো ফলাফল করা এবং একদিন ‘সম্মানজনক’ একটি চাকরি পাওয়া। কিন্তু এই দীর্ঘ শিক্ষাজীবনে একজন শিক্ষার্থীর ব্যক্তিগত আগ্রহ, দক্ষতা কিংবা সৃজনশীল প্রতিভা আবিষ্কার ও বিকাশের পর্যাপ্ত সুযোগ খুব কমই তৈরি হয়। ফলে উচ্চশিক্ষা শেষ করেও অধিকাংশ তরুণ নিশ্চিতভাবে বলতে পারে না— সে আসলে কী করতে চায় কিংবা কোন ক্ষেত্রে সে প্রকৃত অর্থে দক্ষ।

এই সংকটের পেছনে সামাজিক ও পারিবারিক দৃষ্টিভঙ্গিও কম দায়ী নয়। আমাদের সমাজে এখনো বহু অভিভাবক দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন— পিএসসি, জেএসসি, এসএসসি, এইচএসসি পেরিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হলেই সন্তানের ভবিষ্যৎ নিরাপদ। সন্তান কীসে আগ্রহী, তার সক্ষমতা কোন দিকে— এসব প্রশ্ন অনেক সময়ই উপেক্ষিত থেকে যায়। এর ফলে বহু তরুণকেই জোর করে মেডিকেল, ইঞ্জিনিয়ারিং বা বিসিএসের পথে ঠেলে দেওয়া হয়, যা একসময় তাদের জন্য মানসিক চাপ ও আত্মতৃপ্তিহীনতার কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

আরেকটি প্রেক্ষাপট তুলে ধরা অতি জরুরি— একদিকে অনার্স কোর্স, অন্যদিকে পাস কোর্স। যেকোনো চাকরির বিজ্ঞপ্তিতে এ ব্যবস্থা সাংঘর্ষিক রূপ নিয়েছে। ক্ষেত্রবিশেষে পাঁচ বছর, সাত বছর, এমনকি ১০ বছর অভিজ্ঞতাও চাওয়া হয়। কিন্তু একজন শিক্ষার্থী অনার্স-মাস্টার্স পাস করে বের হতেই তার চাকরির বয়স পেরিয়ে যায়। চাকরির দুর্মূল্য বাজারে দৌড়ের প্রতিযোগিতায় হেরে গিয়ে অনেকে আত্মহত্যার পথ বেছে নেয়।

প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতার আলোকে বলতে পারি, ১৯৯৪ সালে রিয়াদে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমএ পাস করা এক ব্যক্তিকে দেখেছি সুপারশপে কাস্টমারদের মাল ট্রলিতে করে গাড়িতে তুলে দিচ্ছে, বিনিময়ে পাচ্ছে পাঁচ-দশ রিয়াল। ইংরেজিতে কথা বলার ভঙ্গি দেখে কৌতূহলবশত প্রশ্ন করলে সে কেঁদে দিয়ে বলেছিল, ‘চাকরির বয়স পেরিয়ে গেছে। অগত্যা মধ্যপ্রাচ্যে পাড়ি জমালাম। কিন্তু এখানে তো সনদের তেমন কোনো মূল্যায়ন নেই। তাই এ কাজ করতে বাধ্য হলাম।’

২০১৫ সালে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বন্ধুপ্রতিম এক অতিরিক্ত সচিবকে জিজ্ঞাসা করেছিলাম— শিক্ষাব্যবস্থার এমন দুরবস্থার পরিণতি কী হবে? উত্তরে তিনি বলেছিলেন, যেভাবে সনদপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যা বাড়ছে, তাতে আগামী দিনে চাকরির বাজারে বড় সংকট দেখা দেবে। কেননা অনার্স-মাস্টার্স পাস করা অনেকে অফিস সহায়ক বা সহকারী পদে চাকরি পাওয়ার জন্য হুমড়ি খেয়ে পড়ছে। এতে প্রতীয়মান হয়, অনেক নামিদামি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শুধু সনদ প্রদানের জন্যই স্থাপিত হয়েছে। দক্ষ জনশক্তি বা শিক্ষিত জনগোষ্ঠী গড়ে তুলতে আমরা ব্যর্থ হয়েছি।

সরকারের পক্ষ থেকে শিক্ষাব্যবস্থার আধুনিকায়নের নানা উদ্যোগের কথা বলা হলেও বাস্তব প্রয়োগে তার প্রতিফলন খুব একটা দৃশ্যমান নয়। শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, প্রতি বছর অনেক কর্মকর্তা রাষ্ট্রীয় অর্থ ব্যয় করে বিভিন্ন দেশে ভ্রমণ করেন সেসব দেশের শিক্ষাব্যবস্থা সম্পর্কে জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা অর্জনের জন্য। কিন্তু দেশের শিক্ষাব্যবস্থায় তাদের সেই অভিজ্ঞতার প্রতিফলন বলতে গেলে শূন্যের কোটায়।

কারিকুলাম পরিবর্তন, দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষা কিংবা মূল্যায়ন পদ্ধতির সংস্কারের কথা শোনা গেলেও অধিকাংশ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এখনো মুখস্থনির্ভর পড়াশোনা, নোটকেন্দ্রিক শিক্ষা এবং পরীক্ষাভীতি প্রধান হয়ে আছে। বিশ্লেষণধর্মী চিন্তাভাবনা, সমস্যা সমাধানের দক্ষতা কিংবা বাস্তবজ্ঞানভিত্তিক শিক্ষার পরিবেশ এখনো গড়ে ওঠেনি বললেই চলে।

২০২৪ সালের জুলাই অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে শিক্ষার্থীদের নানা দাবির মুখে নির্বোধের মতো ‘অটো পাস’ দিয়ে শিক্ষার আরেকটি অনন্য নতজানু দৃষ্টান্ত স্থাপন করা হয়েছে। সাময়িকভাবে প্রজন্মকে খুশি করা হলেও এটি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য হুমকিস্বরূপ। এর প্রভাবে গোটা শিক্ষাব্যবস্থায় বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি দৃশ্যমান। দাবির মাত্রা এতটাই বেড়েছে যে একদিকে প্রশাসনিক যন্ত্র অসহায়, অন্যদিকে জনদুর্ভোগ— এমন পরিস্থিতি বর্তমান সরকারের জন্যও বিরূপ প্রতিক্রিয়ার কারণ।

এমন শিক্ষাব্যবস্থার ফলাফল হিসেবে দেখা দিচ্ছে ভয়াবহ ‘ক্যারিয়ার মিসম্যাচ’। প্রকৌশলী প্রশাসনে, সমাজবিজ্ঞানের শিক্ষার্থী সম্পূর্ণ ভিন্ন পেশায়, আর বিপুলসংখ্যক শিক্ষিত তরুণ কর্মসংস্থানের অযোগ্য হয়ে পড়ছে। এটি কেবল ব্যক্তিগত ব্যর্থতা নয়, বরং একটি রাষ্ট্রের শিক্ষানীতির সামগ্রিক ব্যর্থতার প্রতিফলন।

এ বাস্তবতায় কারিগরি শিক্ষার পাশাপাশি গবেষণালব্ধ শিক্ষার প্রতি গুরুত্ব দেওয়া সময়ের দাবি। কারিগরি শিক্ষা হাতে-কলমে দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের সরাসরি কর্মক্ষেত্রের উপযোগী করে তোলে। একজন দক্ষ ইলেকট্রিশিয়ান, মেকানিক, প্লাম্বার কিংবা ওয়েব ডেভেলপার সহজেই নিজের কর্মসংস্থান তৈরি করতে পারে। উন্নত দেশগুলো এরই মধ্যে কারিগরি ও প্রযুক্তিভিত্তিক শিক্ষায় ব্যাপক বিনিয়োগ করে তাদের শ্রমবাজারকে প্রতিযোগিতামূলক করে তুলেছে। বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশের জন্য এটি আরও জরুরি।

ব্যাঙের ছাতার মতো গড়ে ওঠা যত্রতত্র শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো আজও শিক্ষার মান উন্নয়ন করতে পারেনি। ফলে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের তালিকায় বাংলাদেশের একটি প্রতিষ্ঠানের নামও নেই। এটি আমাদের জন্য যেমন লজ্জার, তেমনি শঙ্কার।

কারিগরি শিক্ষা শুধু চাকরির সুযোগই বাড়ায় না, এটি উদ্যোক্তা তৈরির পথও প্রশস্ত করে। এর মাধ্যমে দারিদ্র্য হ্রাস, প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং অর্থনৈতিক স্বনির্ভরতা অর্জন সম্ভব। বাস্তবতা হলো— প্রথাগত একাডেমিক শিক্ষা সবার জন্য উপযোগী নয়। অনেক শিক্ষার্থী কারিগরি শিক্ষার মাধ্যমে তাদের প্রকৃত প্রতিভা ও সক্ষমতা বিকাশের সুযোগ পেতে পারে।

অন্যদিকে প্রশাসনিক সংস্কারের ক্ষেত্রেও সাম্প্রতিক কিছু উদ্যোগ আশার আলো দেখাচ্ছে। নির্বাচন সামনে রেখে মাঠ প্রশাসনের কর্মকর্তাদের লটারির মাধ্যমে পদায়নের উদ্যোগ রাজনৈতিক প্রভাব কমানোর একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখা হলেও এতে প্রশাসনে বিরূপ প্রভাব পড়েছে। কারণ মেধা, যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা উপেক্ষিত হয়েছে বলে একে অনেকে ‘বানরের লটারি খেলা’ আখ্যা দিচ্ছেন।

দীর্ঘদিন ধরে বদলি ও পদায়নে তদবির, ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দ, রাজনৈতিক প্রভাব ও আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ ছিল। সে প্রেক্ষাপটে স্বচ্ছতা ফেরাতে এই উদ্যোগ প্রশংসনীয় হলেও এখনো বিভিন্ন সিন্ডিকেটের মাধ্যমে অবৈধ লেনদেন অব্যাহত আছে বলে মনে করেন অভিজ্ঞ মহল।

একই সঙ্গে প্রশাসনের সঙ্গে জনগণের সরাসরি যোগাযোগ বাড়ানো, মাঠপর্যায়ে কর্মকর্তাদের উপস্থিতি নিশ্চিত করা এবং দরজা খোলা প্রশাসনিক সংস্কৃতিতে ফিরে যাওয়াও জরুরি।

আমাদের দেশে অধিকাংশ জেলা প্রশাসকসহ ক্যাডার সার্ভিসের সদস্যদের পরিবার থাকে ঢাকায় অথবা নগরমুখী। ফলে পরিবারকে সময় দেওয়ার জন্য তাদের নিয়মিত ঢাকায় কিংবা পরিবারের কাছে যেতে হয়। তাদের সন্তানরাও ঢাকায় বা অন্য কোনো বড় শহরের স্বনামধন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পড়ালেখা করে।

জেলা প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের পরিবার যদি সংশ্লিষ্ট জেলাতেই বসবাস করত এবং তাদের সন্তানরা সেই জেলার স্কুলে পড়াশোনা করত, তবে সন্তানদের মাধ্যমে জেলার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর নানা খুঁটিনাটি সমস্যার বিষয়ে অবগত হয়ে তা সমাধানে ব্যবস্থা নেওয়া যেত।

আরেকদিকে দেখা যায়, স্বামী-স্ত্রী দুজনেই কোনো না কোনো ক্যাডার সার্ভিসে কর্মরত। পিতা-মাতার কর্মব্যস্ততার কারণে সন্তানরা হয়ে পড়ে পরনির্ভর। সরকারি চাকরিবিধি অনুযায়ী দুজনের কর্মস্থল ভিন্ন জায়গায় হওয়ায় সন্তানরা পারিবারিক শিক্ষা, মানবিক মূল্যবোধ ও দেশাত্মবোধক চর্চা থেকেও দূরে থাকে। এর ফলে একটু উচ্চশিক্ষিত হলেই অর্থশালীদের সন্তানরা পাড়ি জমায় বিদেশে। একদিকে জাতির মেধা পাচার হয়, অন্যদিকে টাকার পেছনে ছুটে চলা পিতা-মাতা শেষ বয়সে হয়ে পড়ে অসহায়— স্থান হয় বৃদ্ধাশ্রমে, পাশে থাকে না আপনজন।

সবশেষে প্রশ্ন থেকেই যায়— এই পাগলাটে শিক্ষাব্যবস্থা ও ক্যারিয়ার বিস্ময়ের দায় কার? দায় শুধু শিক্ষার্থীর নয়; দায় অভিভাবকের, দায় রাষ্ট্রের, দায় পুরো ব্যবস্থার। এখনই যদি আমরা শিক্ষাকে বাস্তবমুখী, দক্ষতাভিত্তিক ও মানবিক করে তুলতে না পারি, তবে এই বিস্ময় ও বিভ্রান্তি ভবিষ্যতে আরও গভীর সংকটে রূপ নেবে। শিক্ষাকে যদি সত্যিই জাতি গঠনের হাতিয়ার করতে চাই, তবে সংস্কার শুরু করতে হবে আজই— তা না হলে আগামী প্রজন্ম আমাদের ক্ষমা করবে না।

লেখক: সাংবাদিক ও কলামিস্ট

ad
ad

মতামত থেকে আরও পড়ুন

বিএনপিকে সামনে এগিয়ে নেওয়াই এখন সময়ের দাবি

কিন্তু আমি বিশ্বাস করি, দেশ ও জাতির প্রয়োজনে রাজনীতিতে গুণগত পরিবর্তন বা সংস্কার অনিবার্য। সেই সংস্কারের স্পিরিট বা চেতনা আমি এখন বিএনপির রাজনীতির মধ্যে দেখতে পাচ্ছি। তাই দেশের এ বাস্তবতায় জাতীয় ঐক্য ও গণতন্ত্র পুনর্প্রতিষ্ঠার স্বার্থে বিএনপির সঙ্গেই পথ চলাকে আমি শ্রেয় মনে করেছি এবং যোগদানের সিদ্ধান

৫ দিন আগে

উপকূলীয় পর্যটনই হতে পারে বাংলাদেশের পরবর্তী প্রবৃদ্ধির ইঞ্জিন

বিশ্বের দীর্ঘতম প্রাকৃতিক সমুদ্রসৈকত থাকা সত্ত্বেও কক্সবাজার আন্তর্জাতিক পর্যটন মানচিত্রে এখনো পিছিয়ে। বছরে ৩০-৪০ লাখ দেশীয় পর্যটক এলেও বিদেশি পর্যটকের সংখ্যা নগণ্য। তুলনায় থাইল্যান্ড বছরে প্রায় চার কোটি বিদেশি পর্যটক থেকে ৫০ বিলিয়ন ডলারের বেশি আয় করে। আর মালদ্বীপ মাত্র ২০ লাখ পর্যটক থেকেই তার জিডিপ

৭ দিন আগে

যে কণ্ঠ রাষ্ট্রকে অস্বস্তিতে ফেলেছিল

এই লেখা তেমনই এক নাগরিক কণ্ঠকে নিয়ে— বিপ্লবী শহিদ শরিফ ওসমান বিন হাদি। তিনি রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির তালিকায় নাও থাকতে পারেন, কিন্তু তার চিন্তা ও উচ্চারণ রাষ্ট্রকে একটি অস্বস্তিকর পরিস্থিতির মুখোমুখি দাঁড় করিয়েছিল।

৭ দিন আগে

শহিদ আসাদ— শোষণ ও মুক্তির প্রেরণা

রাজধানী শেরেবাংলা নগর পেরিয়ে মোহাম্মদপুরের প্রবেশদ্বারে রয়েছে একটি বিশাল তোরণ, যা ‘আসাদ গেট’ নামেই পরিচিত। ‘আসাদ গেট’ নামটি শোনেনি— এমন মানুষ বর্তমান প্রজন্মেও দুর্লভ। কিন্তু তারা কি জানেন— কে সেই আসাদ, যার নামে নামকরণ করা হয়েছে এই তোরণের? কেনই বা তার নামে দেওয়া হয়েছে তোরণটির নাম?

৮ দিন আগে