
ডা. মো. ফজলেরাব্বি খান

পুষ্টি সম্পর্কে যথাযথ জ্ঞান সবার কাছে পৌঁছে দিতে বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো পুষ্টি সম্মেলন অনুষ্ঠিত হলো গত ৩১ জানুয়ারি ও ১ ফেব্রুয়ারি। দিনব্যাপী সায়েন্টিফিক সেশনে প্রায় এক হাজার সেবা প্রদানে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিসহ জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে খ্যাতিসম্পন্ন পুষ্টিবিদ, দেশি-বিদেশি খাদ্য ও পুষ্টিবিষয়ক উন্নয়ন ও গবেষণা সংস্থা, নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনকারী ব্যক্তি এবং প্রতিষ্ঠান অংশ নেন।
দুই দিনে ৯টি সেশনে ২৫টি বিষয় নিয়ে ২৪ জন খ্যাতনামা বিশেষজ্ঞ আলোচনা করেছেন। জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত সেশনে দুই দিনে ছয়টি করে ১২টি বিষয়ে আলোচনা করেছেন দেশের খ্যাতনামা পুষ্টিবিদরা। পুষ্টি সম্পর্কে সাধারণ ভুলগুলো শুধরে নেওয়া ছাড়াও সাধারণ মানুষ জেনেছে পুষ্টি কীভাবে রোগকে প্রতিরোধ করতে পারে। সেশনে স্বাস্থ্যকর রান্নাসহ পুষ্টি সম্পর্কিত বিভিন্ন বিষয় নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।
ঢাকার শাহবাগে শহিদ আবু সাঈদ আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে দুই দিনব্যাপী এ সম্মেলন উদ্বোধন করেন বাডানের প্রেসিডেন্ট ও নিউট্রিশন সামিটের চিফ অ্যাডভাইজার জাতীয় অধ্যাপক এ কে আজাদ খান। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের শুরুতেই প্রধান সমন্বয়ক ডা. মো. ফজলে রাব্বি খান সামিট আয়োজনের যথার্থতা তুলে ধরেন।
বৈশ্বিক ক্ষুধা সূচকের সর্বশেষ সমীক্ষা অনুযায়ী, দেশে পাঁচ বছর বয়সী ২৪ শতাংশ শিশু খর্বকায়। অন্যদিকে একই বয়সের ১১ শতাংশ শিশু কৃশকায়, অর্থাৎ উচ্চতা অনুযায়ী ওজন কম।
গবেষণার এ তথ্য তুলে ধরে ডা. ফজলে রাব্বি খান বলেন, পুষ্টি সম্পর্কে আমাদের সঠিক ধারণা খুবই কম। কী খাব, কী খাব না কিংবা ওজন-উচ্চতা অনুযায়ী আমাদের দৈনিক কত কিলো ক্যালরি খাবার খাওয়া উচিত— এগুলো আমরা বেশির ভাগ মানুষ জানিই না। খাদ্য ও বিভিন্ন রোগের মধ্যে জটিল সম্পর্কগুলো সম্পর্কে ন্যূনতম ধারণা তো আরও পরের বিষয়। সম্মিলিত একটি যথাযথ উদ্য়োগই পারে এ সমস্য়া থেকে উত্তরণ ঘটাতে।
জাতীয় অধ্যাপক এ কে আজাদ খান উদ্বোধনী বক্তব্যে স্বল্প ওজনের পাশাপাশি স্থূলতা বা মুটিয়ে যাওয়ার কারণে সৃষ্ট সমস্যাগুলোর কথা তুলে ধরেন। পাশাপাশি খাদ্যে মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট কমে যাওয়ার কথাও উল্লেখ করেন। এসবের পেছনে তিনি দায়ী করেন যথাযথ পুষ্টিজ্ঞান না থাকাকে। পুষ্টিবিদদের যথাযথ কর্তৃপক্ষের স্বীকৃতি দেওয়ার পাশাপাশি প্রয়োজনে এর জন্য আলাদা কাউন্সিল তৈরি এখন সময়ের দাবি বলে মন্তব্য করেন।

ঢাকায় নিউট্রিশন সামিট উদ্বোধন করছেন জাতীয় অধ্যাপক এ কে আজাদ খান। ফাইল ছবি
সাফিনা রহমানের সভাপতিত্বে সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বাডাস মহাসচিব এম সাইফুদ্দীন আহমেদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের খাদ্য ও পুষ্টিবিজ্ঞান ইনস্টিটিউটের পরিচালক মো. সাইদুল আরেফিন, বারডেমের প্রধান পুষ্টি কর্মকর্তা শামসুন্নাহার মহুয়া, এফএইচ আই ৩৬০-এর অ্যালাইভ অ্যান্ড থ্রাইভের কান্ট্রি ম্যানেজার ডা. জেবা মাহমুদ, ঢাবির খাদ্য ও পুষ্টিবিজ্ঞান ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ডা. নাজমা শাহীন এবং বিইউএইচএসের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ডা. জাহিদ হাসান।
সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনে বাংলাদেশের পুষ্টি খাতকে শক্তিশালী করতে পুষ্টিবিষয়ক অংশীজনদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত হয় ‘স্বাস্থ্যবান জাতি গঠনে সবার ক্ষমতায়ন’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠক। এতে আলোচনায় অংশ নেন বাডাসের প্রেসিডেন্ট জাতীয় অধ্যাপক এ কে আজাদ খান, নিউট্রিশন সামিটের উপদেষ্টা অধ্যাপক মোহাম্মদ আবু সাঈদ, আইইডিসিআরের উপদেষ্টা জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডা. মোশতাক হোসেন, নিউট্রিশন ইন্টারন্যাশনালের কান্ট্রি ডিরেক্টর সায়কা সিরাজ, আইসিডিডিআরবির পুষ্টি গবেষণা বিভাগের সাবেক সিনিয়র বিজ্ঞানী মো. ইকবাল হোসেন ও পুষ্টিবিদ আখতারুন নাহার আলো।
আলোচনায় আরও অংশ নেন বাংলাদেশ হেলথ ওয়াচের ওয়ার্কিং গ্রুপ সদস্য জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডা. আবু জামিল ফয়সেল, সরকারি ফলিত মানব বিজ্ঞান কলেজের প্রাতিষ্ঠানিক খাদ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক সৈয়দা সালিহা সালেহীন সুলতানা, নিউট্রিশন সলিউশনের উপদেষ্টা ও পাবলিক নিউট্রিশন অ্যান্ড হেলথ কনসালট্যান্ট ডা. মো. মহসিন আলী, এফএইচ আই ৩৬০-এর অ্যালাইভ অ্যান্ড থ্রাইভের কান্ট্রি ম্যানেজার ডা. জেবা মাহমুদ, বাংলাদেশ স্বাস্থ্য বিজ্ঞান বিশ্ববিদ্যালয়ের কমিউনিটি নিউট্রিশন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ফারজানা সালেহ, জাতীয় প্রেস ক্লাবের মহাসচিব আইয়ুব ভূঁইয়া এবং নিউট্রিশন সামিটের প্রধান সমন্বয়ক ডা. মো. ফজলে রাব্বি খান।
আলোচনা শেষে সর্বসম্মতিক্রমে ১০টি প্রস্তাবনা গৃহীত হয়। এরই মধ্যে এসব প্রস্তাবনা সরকারের স্বাস্থ্যবিষয়ক সংস্কার কমিটির চেয়ারম্যানের কাছে পাঠানো হয়েছে। প্রস্তাবনাগুলো হলো—
দেশের প্রথম পুষ্টিবিষয়ক এই সম্মেলনে সার্বিক পুষ্টি পরিস্থিতির চিত্র অনেকটাই এই খাতের অংশীজনদের সামনে স্পষ্ট হয়েছে। সর্বসম্মতিক্রমে সম্মেলন থেকে যে পরামর্শগুলো প্রস্তাব করা হয়েছে, সেগুলো বাস্তবায়ন করা গেলে দেশের পুষ্টির চিত্র ধীরে ধীরে অনেকটাই পালটে দেওয়া সম্ভব হবে।
লেখক: প্রধান সমন্বয়ক, পুষ্টি সম্মেলন

পুষ্টি সম্পর্কে যথাযথ জ্ঞান সবার কাছে পৌঁছে দিতে বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো পুষ্টি সম্মেলন অনুষ্ঠিত হলো গত ৩১ জানুয়ারি ও ১ ফেব্রুয়ারি। দিনব্যাপী সায়েন্টিফিক সেশনে প্রায় এক হাজার সেবা প্রদানে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিসহ জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে খ্যাতিসম্পন্ন পুষ্টিবিদ, দেশি-বিদেশি খাদ্য ও পুষ্টিবিষয়ক উন্নয়ন ও গবেষণা সংস্থা, নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনকারী ব্যক্তি এবং প্রতিষ্ঠান অংশ নেন।
দুই দিনে ৯টি সেশনে ২৫টি বিষয় নিয়ে ২৪ জন খ্যাতনামা বিশেষজ্ঞ আলোচনা করেছেন। জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত সেশনে দুই দিনে ছয়টি করে ১২টি বিষয়ে আলোচনা করেছেন দেশের খ্যাতনামা পুষ্টিবিদরা। পুষ্টি সম্পর্কে সাধারণ ভুলগুলো শুধরে নেওয়া ছাড়াও সাধারণ মানুষ জেনেছে পুষ্টি কীভাবে রোগকে প্রতিরোধ করতে পারে। সেশনে স্বাস্থ্যকর রান্নাসহ পুষ্টি সম্পর্কিত বিভিন্ন বিষয় নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।
ঢাকার শাহবাগে শহিদ আবু সাঈদ আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে দুই দিনব্যাপী এ সম্মেলন উদ্বোধন করেন বাডানের প্রেসিডেন্ট ও নিউট্রিশন সামিটের চিফ অ্যাডভাইজার জাতীয় অধ্যাপক এ কে আজাদ খান। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের শুরুতেই প্রধান সমন্বয়ক ডা. মো. ফজলে রাব্বি খান সামিট আয়োজনের যথার্থতা তুলে ধরেন।
বৈশ্বিক ক্ষুধা সূচকের সর্বশেষ সমীক্ষা অনুযায়ী, দেশে পাঁচ বছর বয়সী ২৪ শতাংশ শিশু খর্বকায়। অন্যদিকে একই বয়সের ১১ শতাংশ শিশু কৃশকায়, অর্থাৎ উচ্চতা অনুযায়ী ওজন কম।
গবেষণার এ তথ্য তুলে ধরে ডা. ফজলে রাব্বি খান বলেন, পুষ্টি সম্পর্কে আমাদের সঠিক ধারণা খুবই কম। কী খাব, কী খাব না কিংবা ওজন-উচ্চতা অনুযায়ী আমাদের দৈনিক কত কিলো ক্যালরি খাবার খাওয়া উচিত— এগুলো আমরা বেশির ভাগ মানুষ জানিই না। খাদ্য ও বিভিন্ন রোগের মধ্যে জটিল সম্পর্কগুলো সম্পর্কে ন্যূনতম ধারণা তো আরও পরের বিষয়। সম্মিলিত একটি যথাযথ উদ্য়োগই পারে এ সমস্য়া থেকে উত্তরণ ঘটাতে।
জাতীয় অধ্যাপক এ কে আজাদ খান উদ্বোধনী বক্তব্যে স্বল্প ওজনের পাশাপাশি স্থূলতা বা মুটিয়ে যাওয়ার কারণে সৃষ্ট সমস্যাগুলোর কথা তুলে ধরেন। পাশাপাশি খাদ্যে মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট কমে যাওয়ার কথাও উল্লেখ করেন। এসবের পেছনে তিনি দায়ী করেন যথাযথ পুষ্টিজ্ঞান না থাকাকে। পুষ্টিবিদদের যথাযথ কর্তৃপক্ষের স্বীকৃতি দেওয়ার পাশাপাশি প্রয়োজনে এর জন্য আলাদা কাউন্সিল তৈরি এখন সময়ের দাবি বলে মন্তব্য করেন।

ঢাকায় নিউট্রিশন সামিট উদ্বোধন করছেন জাতীয় অধ্যাপক এ কে আজাদ খান। ফাইল ছবি
সাফিনা রহমানের সভাপতিত্বে সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বাডাস মহাসচিব এম সাইফুদ্দীন আহমেদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের খাদ্য ও পুষ্টিবিজ্ঞান ইনস্টিটিউটের পরিচালক মো. সাইদুল আরেফিন, বারডেমের প্রধান পুষ্টি কর্মকর্তা শামসুন্নাহার মহুয়া, এফএইচ আই ৩৬০-এর অ্যালাইভ অ্যান্ড থ্রাইভের কান্ট্রি ম্যানেজার ডা. জেবা মাহমুদ, ঢাবির খাদ্য ও পুষ্টিবিজ্ঞান ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ডা. নাজমা শাহীন এবং বিইউএইচএসের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ডা. জাহিদ হাসান।
সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনে বাংলাদেশের পুষ্টি খাতকে শক্তিশালী করতে পুষ্টিবিষয়ক অংশীজনদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত হয় ‘স্বাস্থ্যবান জাতি গঠনে সবার ক্ষমতায়ন’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠক। এতে আলোচনায় অংশ নেন বাডাসের প্রেসিডেন্ট জাতীয় অধ্যাপক এ কে আজাদ খান, নিউট্রিশন সামিটের উপদেষ্টা অধ্যাপক মোহাম্মদ আবু সাঈদ, আইইডিসিআরের উপদেষ্টা জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডা. মোশতাক হোসেন, নিউট্রিশন ইন্টারন্যাশনালের কান্ট্রি ডিরেক্টর সায়কা সিরাজ, আইসিডিডিআরবির পুষ্টি গবেষণা বিভাগের সাবেক সিনিয়র বিজ্ঞানী মো. ইকবাল হোসেন ও পুষ্টিবিদ আখতারুন নাহার আলো।
আলোচনায় আরও অংশ নেন বাংলাদেশ হেলথ ওয়াচের ওয়ার্কিং গ্রুপ সদস্য জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডা. আবু জামিল ফয়সেল, সরকারি ফলিত মানব বিজ্ঞান কলেজের প্রাতিষ্ঠানিক খাদ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক সৈয়দা সালিহা সালেহীন সুলতানা, নিউট্রিশন সলিউশনের উপদেষ্টা ও পাবলিক নিউট্রিশন অ্যান্ড হেলথ কনসালট্যান্ট ডা. মো. মহসিন আলী, এফএইচ আই ৩৬০-এর অ্যালাইভ অ্যান্ড থ্রাইভের কান্ট্রি ম্যানেজার ডা. জেবা মাহমুদ, বাংলাদেশ স্বাস্থ্য বিজ্ঞান বিশ্ববিদ্যালয়ের কমিউনিটি নিউট্রিশন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ফারজানা সালেহ, জাতীয় প্রেস ক্লাবের মহাসচিব আইয়ুব ভূঁইয়া এবং নিউট্রিশন সামিটের প্রধান সমন্বয়ক ডা. মো. ফজলে রাব্বি খান।
আলোচনা শেষে সর্বসম্মতিক্রমে ১০টি প্রস্তাবনা গৃহীত হয়। এরই মধ্যে এসব প্রস্তাবনা সরকারের স্বাস্থ্যবিষয়ক সংস্কার কমিটির চেয়ারম্যানের কাছে পাঠানো হয়েছে। প্রস্তাবনাগুলো হলো—
দেশের প্রথম পুষ্টিবিষয়ক এই সম্মেলনে সার্বিক পুষ্টি পরিস্থিতির চিত্র অনেকটাই এই খাতের অংশীজনদের সামনে স্পষ্ট হয়েছে। সর্বসম্মতিক্রমে সম্মেলন থেকে যে পরামর্শগুলো প্রস্তাব করা হয়েছে, সেগুলো বাস্তবায়ন করা গেলে দেশের পুষ্টির চিত্র ধীরে ধীরে অনেকটাই পালটে দেওয়া সম্ভব হবে।
লেখক: প্রধান সমন্বয়ক, পুষ্টি সম্মেলন

যুদ্ধকালীন অবস্থার চেয়ে যুদ্ধ-পরবর্তী পরিস্থিতি সবসময়ই ভয়াবহ হয়ে ওঠে। কেবল যুদ্ধে জড়ানো দেশের জন্যই নয়, সারা বিশ্বের জন্যই এ বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ। সভ্যতার সংকট সৃষ্টিতে বড় ভূমিকা রাখে যুদ্ধ, হয়ে ওঠে নীরব আততায়ী। ইরান যুদ্ধও এর থেকে আলাদা কোনো বিষয় নয়।
৮ দিন আগে
কখনো ঠান্ডা, কখনো গরম— এমন পরিস্থিতির পালাবদলে নারী, পুরুষ, শিশু ও তরুণদের অনেকেই আক্রান্ত হচ্ছেন সাধারণ ‘সর্দি জ্বরে’। এর মধ্যেই আবার দেখা দিয়েছে ‘ভাইরাসজনিত ইনফ্লুয়েঞ্জা জ্বর’ও। শিশুরা ভুগছে নানান ভাইরাসের সংক্রমণে ‘শ্বাসতন্ত্রের প্রদাহজনিত জ্বরে’।
৯ দিন আগে
মেধার পক্ষে দাঁড়ানো মানে শুধু পরীক্ষার্থীর পক্ষে দাঁড়ানো নয়; এটি বাংলাদেশের প্রশাসনিক সক্ষমতা, অর্থনৈতিক ভবিষ্যৎ ও নৈতিক মর্যাদার পক্ষে দাঁড়ানো। এখন সাহসী সিদ্ধান্তের সময়— রাষ্ট্রকে মেধার পক্ষে দাঁড়াতে হবে।
৯ দিন আগে
সম্ভবত সেই দিক বিবেচনায় আজ শনিবার তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা ইমরানুল হাসান স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সরকার চাহিদা অনুযায়ী জ্বালানি তেলের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক বাজার হতে প্রয়োজনীয় তেল ক্রয় করছে। ফলে দেশে জ্বালানি তেলের সরবরাহ ঘাটতির কোনো সম্ভাবনা নেই। দ
১১ দিন আগে