এ কে এম মাহফুজুর রহমান
বাংলাদেশের অভিভাবক ও নাগরিক হিসেবে আমরা গত দুই দশক ধরে হতাশা ও ক্ষোভের সঙ্গে লক্ষ্য করছি, কীভাবে শিক্ষক ও কোচিং সেন্টারগুলো প্রাথমিক থেকে দ্বাদশ শ্রেণী পর্যন্ত'র শিক্ষা ব্যবস্থাকে বাণিজ্যে ও বিপন্ন পরিণত করেছে। এর ফলে শ্রেণিকক্ষভিত্তিক শিক্ষা ভেঙে পড়ছে এবং আমাদের সন্তানের ভবিষ্যৎ বিপন্ন এবং মুখস্থ নির্ভর মেধাশুন্য হচ্ছে। একসময় সাহায্যকারী মনে করা হতো কোচিংকে, আজ তা শিক্ষার প্রধান উৎসে পরিণত হয়েছে, আর বিদ্যালয় শিক্ষা পিছিয়ে পড়েছে। BANBEIS-এর ২০২৩ সালের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মাধ্যমিক স্তরের প্রায় ৮৫% শিক্ষার্থী কোনো না কোনো প্রকারে টিউশনি বা কোচিং করছে। ঢাকায় ও চট্টগ্রামে এই হার ৯০% ছাড়িয়েছে। UNESCO Global Education Monitoring Report (2019) অনুযায়ী, শিক্ষার্থীরা স্কুলের সময়ের চেয়ে বেশি সময় ব্যয় করছে একই শিক্ষকের কোচিং সেন্টারে। কোভিড-১৯ মহামারির সময় ১৮ মাস বিদ্যালয় বন্ধ থাকায় অভিভাবকেরা কোচিং নির্ভর হয়ে পড়েন, যা সাময়িক সমাধান থেকে স্থায়ী ব্যবসায় রূপ নেয়। সরকার এবং প্রতিষ্ঠান প্রধানের কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণের অভাবে শিক্ষাকে মৌলিক অধিকার থেকে সরিয়ে একটি ক্রয়যোগ্য পণ্য হিসেবে আজকাল মনে করা হচ্ছে। যা অত্যান্ত দুৰ্ভাগ্যজনক।
কোচিং সংস্কৃতি শুধু শিক্ষাকে পুনর্নির্ধারণ করেনি, পরিবারের ওপর এক অসহনীয় আর্থিক বোঝাও চাপিয়েছে। প্রতিষ্টানের শিক্ষকদের যথাযথ আন্তরিকতার অভাবের কারণেই অভিবাবকের তাদের সন্তারদের নিয়ে হতাশায় থাকেন। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (BBS) এক জরিপে দেখা যায়, মোট শিক্ষা ব্যয়ের প্রায় ২৬% খরচ হয় বেসরকারি টিউশনে। BRAC-এর ২০২১ সালের এক গবেষণা জানায়, গ্রামীণ পরিবার যাদের মাসিক আয় ১৫–২০ হাজার টাকা, তারা খাদ্য বা চিকিৎসা খরচ কমিয়ে কোচিং বাবদ খরচ করে থাকেন। শহরে প্রতি বিষয় কোচিং ফি মাসে ২–৮ হাজার টাকা, আবার কিছু নামকরা কোচিংয়ে একেক বিষয়ে ১৫ হাজার টাকা পর্যন্ত গুনতে হয়। প্যাকেজ পদ্ধতিতেও টাকা দিতে হচ্ছে। ফলে শিক্ষায় তৈরি হয়েছে দুই স্তর, ধনীরা টাকা দিয়ে কোচিং করণের ফলে তাদের সন্তানেরা ভালো ফলাফল করছে, আর গরিব পরিবার পিছিয়ে পড়ছে। Transparency International Bangladesh (2022) অনুযায়ী, ৭০% অভিভাবক বিশ্বাস করেন যে কোচিং ছাড়া তাদের সন্তান সফল হতে পারবে না। ফলে শিক্ষা অধিকার থেকে সরে গিয়ে কেবল অভিভাবকের আয়নির্ভর বিশেষ সুবিধায় পরিণত হচ্ছে।
কোচিং শিক্ষার্থীদের জ্ঞান বাড়াচ্ছে না, বরং পরীক্ষার কৌশল, সাজেশন ও মুখস্থবিদ্যায় সীমাবদ্ধ করছে। Education Watch Report (2018, CAMPE) বলছে, কোচিং নির্ভরতা শিক্ষার্থীর সৃজনশীলতা, বিশ্লেষণী ক্ষমতা ও দলগত কাজে বাঁধা দিচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষণা (2020) তথ্যে, প্রথম বর্ষের ৬৪% শিক্ষার্থী বিশ্লেষণধর্মী লেখা ও স্বাধীন যুক্তি উপস্থাপনে দুর্বল। এমনকি নিয়োগকর্তারাও উদ্বিগ্ন। বিশ্বব্যাংক (2021) সূত্রে, বাংলাদেশ প্রতিবছর কোটি কোটি ডলার হারাচ্ছে উৎপাদনশীলতায়, কারণ সনদধারী স্নাতকরা আধুনিক কর্মক্ষেত্রে খাপ খাওয়াতে পারছে না। আমাদের এখন উদ্ভাবনী ও দক্ষ কর্মশক্তি দরকার, সেখানে কোচিং নির্ভর প্রজন্ম ভবিষ্যৎকে সংকটে ফেলছে।
সরকার ও আদালত কোচিংয়ের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিলেও তা কাগজে-কলমেই সীমাবদ্ধ। সরকার কিংবা প্রতিষ্টান প্রধানের মিনিমাম নজরদারি নেই। শিক্ষা মন্ত্রণালয় ২০১২ সালে শিক্ষকদের কোচিং ব্যবসা নিষিদ্ধ করে এবং ২০১৯ সালে হাইকোর্টও রায় দেয় যে শিক্ষার্থীদের কোচিং পড়ানো বেআইনি, বিশেষ করে নিজের শ্রেণির শিক্ষার্থীদের। কিন্তু বাস্তবতা ভিন্ন। ঢাকা সহ দেশের সকল বিভাগ, জেলা শহর এমনকি উপজেলাতেও অনেক শিক্ষক প্রকাশ্যে এবং পুরোদমে রুম কিংবা ভবন ভাড়া করে কোচিং চালাচ্ছেন। স্কুল কিংবা কলেজের "শিক্ষক" শব্দটা হচ্ছে তাদের শুধুমাত্র একটা সাইনবোর্ড। দুর্নীতি দমন কমিশনের (২০১৫) প্রতিবেদন সূত্রে, অনেক শিক্ষক ইচ্ছে করে ক্লাসে পাঠ না নিয়ে শিক্ষার্থীদের কোচিংয়ে বাধ্য করেন। জাতীয় দৈনিকগুলো (২০২২) প্রায়ই সংবাদ প্রকাশ করে জানায় যে, বিদ্যালয়ের ভবনেই বিকেলে কোচিং চালানো হয় অতিরিক্ত ফি নিয়ে। আইন থাকলেও প্রয়োগ নেই, ফলে এটি পরিণত হয়েছে “গ্রহণযোগ্য দুর্নীতি”-তে।
শিক্ষকদের কোচিংয়ে সম্পৃক্ততা শুধু আইন ভঙ্গ নয়, নৈতিক বিশ্বাসঘাতকতা বটে। অভিভাবকেরা ভয় পান, কোচিং না দিলে তার সন্তান শ্রেণিকক্ষে অবহেলিত হবে, ভালো ফলাফল করতে পারবেনা। ফলে শিক্ষকের প্রতি শ্রদ্ধা হারাচ্ছে, আনন্দময় শিক্ষা টোটালি ভেঙে পড়ছে। তবে এটাও ঠিক যে, বেসরকারি স্কুলের অনেক শিক্ষক মাসে ২৫ হাজার টাকারও কম বেতন পান, যা দিয়ে তাদের সংসার পরিচালনা করা কঠিন হয়ে পরে। ২০২০ সালের জাতীয় শিক্ষা নীতি পর্যালোচনা তথ্য মতে, অপর্যাপ্ত বেতনই এই ব্যাবস্থাকে টিকিয়ে রাখছে। অর্থাৎ রাষ্ট্র যথাযথ বেতন না দিয়ে নিজের নিন্দিত ব্যবস্থাকেই শক্ত করছে।
লেখক: ডেপুটি ডিরেক্টর, ফ্যাকাল্টি এইচআর, নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি
বাংলাদেশের অভিভাবক ও নাগরিক হিসেবে আমরা গত দুই দশক ধরে হতাশা ও ক্ষোভের সঙ্গে লক্ষ্য করছি, কীভাবে শিক্ষক ও কোচিং সেন্টারগুলো প্রাথমিক থেকে দ্বাদশ শ্রেণী পর্যন্ত'র শিক্ষা ব্যবস্থাকে বাণিজ্যে ও বিপন্ন পরিণত করেছে। এর ফলে শ্রেণিকক্ষভিত্তিক শিক্ষা ভেঙে পড়ছে এবং আমাদের সন্তানের ভবিষ্যৎ বিপন্ন এবং মুখস্থ নির্ভর মেধাশুন্য হচ্ছে। একসময় সাহায্যকারী মনে করা হতো কোচিংকে, আজ তা শিক্ষার প্রধান উৎসে পরিণত হয়েছে, আর বিদ্যালয় শিক্ষা পিছিয়ে পড়েছে। BANBEIS-এর ২০২৩ সালের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মাধ্যমিক স্তরের প্রায় ৮৫% শিক্ষার্থী কোনো না কোনো প্রকারে টিউশনি বা কোচিং করছে। ঢাকায় ও চট্টগ্রামে এই হার ৯০% ছাড়িয়েছে। UNESCO Global Education Monitoring Report (2019) অনুযায়ী, শিক্ষার্থীরা স্কুলের সময়ের চেয়ে বেশি সময় ব্যয় করছে একই শিক্ষকের কোচিং সেন্টারে। কোভিড-১৯ মহামারির সময় ১৮ মাস বিদ্যালয় বন্ধ থাকায় অভিভাবকেরা কোচিং নির্ভর হয়ে পড়েন, যা সাময়িক সমাধান থেকে স্থায়ী ব্যবসায় রূপ নেয়। সরকার এবং প্রতিষ্ঠান প্রধানের কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণের অভাবে শিক্ষাকে মৌলিক অধিকার থেকে সরিয়ে একটি ক্রয়যোগ্য পণ্য হিসেবে আজকাল মনে করা হচ্ছে। যা অত্যান্ত দুৰ্ভাগ্যজনক।
কোচিং সংস্কৃতি শুধু শিক্ষাকে পুনর্নির্ধারণ করেনি, পরিবারের ওপর এক অসহনীয় আর্থিক বোঝাও চাপিয়েছে। প্রতিষ্টানের শিক্ষকদের যথাযথ আন্তরিকতার অভাবের কারণেই অভিবাবকের তাদের সন্তারদের নিয়ে হতাশায় থাকেন। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (BBS) এক জরিপে দেখা যায়, মোট শিক্ষা ব্যয়ের প্রায় ২৬% খরচ হয় বেসরকারি টিউশনে। BRAC-এর ২০২১ সালের এক গবেষণা জানায়, গ্রামীণ পরিবার যাদের মাসিক আয় ১৫–২০ হাজার টাকা, তারা খাদ্য বা চিকিৎসা খরচ কমিয়ে কোচিং বাবদ খরচ করে থাকেন। শহরে প্রতি বিষয় কোচিং ফি মাসে ২–৮ হাজার টাকা, আবার কিছু নামকরা কোচিংয়ে একেক বিষয়ে ১৫ হাজার টাকা পর্যন্ত গুনতে হয়। প্যাকেজ পদ্ধতিতেও টাকা দিতে হচ্ছে। ফলে শিক্ষায় তৈরি হয়েছে দুই স্তর, ধনীরা টাকা দিয়ে কোচিং করণের ফলে তাদের সন্তানেরা ভালো ফলাফল করছে, আর গরিব পরিবার পিছিয়ে পড়ছে। Transparency International Bangladesh (2022) অনুযায়ী, ৭০% অভিভাবক বিশ্বাস করেন যে কোচিং ছাড়া তাদের সন্তান সফল হতে পারবে না। ফলে শিক্ষা অধিকার থেকে সরে গিয়ে কেবল অভিভাবকের আয়নির্ভর বিশেষ সুবিধায় পরিণত হচ্ছে।
কোচিং শিক্ষার্থীদের জ্ঞান বাড়াচ্ছে না, বরং পরীক্ষার কৌশল, সাজেশন ও মুখস্থবিদ্যায় সীমাবদ্ধ করছে। Education Watch Report (2018, CAMPE) বলছে, কোচিং নির্ভরতা শিক্ষার্থীর সৃজনশীলতা, বিশ্লেষণী ক্ষমতা ও দলগত কাজে বাঁধা দিচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষণা (2020) তথ্যে, প্রথম বর্ষের ৬৪% শিক্ষার্থী বিশ্লেষণধর্মী লেখা ও স্বাধীন যুক্তি উপস্থাপনে দুর্বল। এমনকি নিয়োগকর্তারাও উদ্বিগ্ন। বিশ্বব্যাংক (2021) সূত্রে, বাংলাদেশ প্রতিবছর কোটি কোটি ডলার হারাচ্ছে উৎপাদনশীলতায়, কারণ সনদধারী স্নাতকরা আধুনিক কর্মক্ষেত্রে খাপ খাওয়াতে পারছে না। আমাদের এখন উদ্ভাবনী ও দক্ষ কর্মশক্তি দরকার, সেখানে কোচিং নির্ভর প্রজন্ম ভবিষ্যৎকে সংকটে ফেলছে।
সরকার ও আদালত কোচিংয়ের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিলেও তা কাগজে-কলমেই সীমাবদ্ধ। সরকার কিংবা প্রতিষ্টান প্রধানের মিনিমাম নজরদারি নেই। শিক্ষা মন্ত্রণালয় ২০১২ সালে শিক্ষকদের কোচিং ব্যবসা নিষিদ্ধ করে এবং ২০১৯ সালে হাইকোর্টও রায় দেয় যে শিক্ষার্থীদের কোচিং পড়ানো বেআইনি, বিশেষ করে নিজের শ্রেণির শিক্ষার্থীদের। কিন্তু বাস্তবতা ভিন্ন। ঢাকা সহ দেশের সকল বিভাগ, জেলা শহর এমনকি উপজেলাতেও অনেক শিক্ষক প্রকাশ্যে এবং পুরোদমে রুম কিংবা ভবন ভাড়া করে কোচিং চালাচ্ছেন। স্কুল কিংবা কলেজের "শিক্ষক" শব্দটা হচ্ছে তাদের শুধুমাত্র একটা সাইনবোর্ড। দুর্নীতি দমন কমিশনের (২০১৫) প্রতিবেদন সূত্রে, অনেক শিক্ষক ইচ্ছে করে ক্লাসে পাঠ না নিয়ে শিক্ষার্থীদের কোচিংয়ে বাধ্য করেন। জাতীয় দৈনিকগুলো (২০২২) প্রায়ই সংবাদ প্রকাশ করে জানায় যে, বিদ্যালয়ের ভবনেই বিকেলে কোচিং চালানো হয় অতিরিক্ত ফি নিয়ে। আইন থাকলেও প্রয়োগ নেই, ফলে এটি পরিণত হয়েছে “গ্রহণযোগ্য দুর্নীতি”-তে।
শিক্ষকদের কোচিংয়ে সম্পৃক্ততা শুধু আইন ভঙ্গ নয়, নৈতিক বিশ্বাসঘাতকতা বটে। অভিভাবকেরা ভয় পান, কোচিং না দিলে তার সন্তান শ্রেণিকক্ষে অবহেলিত হবে, ভালো ফলাফল করতে পারবেনা। ফলে শিক্ষকের প্রতি শ্রদ্ধা হারাচ্ছে, আনন্দময় শিক্ষা টোটালি ভেঙে পড়ছে। তবে এটাও ঠিক যে, বেসরকারি স্কুলের অনেক শিক্ষক মাসে ২৫ হাজার টাকারও কম বেতন পান, যা দিয়ে তাদের সংসার পরিচালনা করা কঠিন হয়ে পরে। ২০২০ সালের জাতীয় শিক্ষা নীতি পর্যালোচনা তথ্য মতে, অপর্যাপ্ত বেতনই এই ব্যাবস্থাকে টিকিয়ে রাখছে। অর্থাৎ রাষ্ট্র যথাযথ বেতন না দিয়ে নিজের নিন্দিত ব্যবস্থাকেই শক্ত করছে।
লেখক: ডেপুটি ডিরেক্টর, ফ্যাকাল্টি এইচআর, নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি
অসাধারণ ছিল তারিখ ইবরাহিমের রাজনৈতিক ভূত-ভবিষ্যৎ সম্পর্কিত আলোচনাগুলো। ঢাকা এবং ঢাকার বাইরের আন্দোলনের রাজনৈতিক কর্মীরা এ থেকে খোরাক পেতেন। কেন্দ্রীয় রাজনীতিবিদরাও সে সময় তারিখ ইবরাহিমের লেখা থেকে পাথেয় খুঁজতেন। কেউ সেদিন জানতে পারেনি, সামরিক সরকারের গোয়েন্দারাও খুঁজে বের করতে পারেনি তারিখ ইবরাহিম ন
৬ দিন আগেকিন্তু ইসহাক দার যখন ঢাকায় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হলেন, কথা বললেন ভিন্ন সুরে। তার দাবি, ১৯৭৪ সালের চুক্তির মাধ্যমে এ ইস্যুর সমাধান হয়ে গেছে। আরও বললেন, জেনারেল পারভেজ মোশাররফ একসময় খোলাখুলি দুঃখ প্রকাশ করেছিলেন, সেটিই যথেষ্ট। যেন পরিবারের ভেতরে কোনো কলহ একবার চাপা দেওয়া গেলে সেটি পুনরায় টেনে আনার
৬ দিন আগেউদ্বেগজনক পরিসংখ্যান: বাংলাদেশের শ্রমবাজারে বেকারত্বের হার ক্রমশ বাড়ছে। ২০২৪ সালের অক্টোবর থেকে ডিসেম্বরে সার্বিক বেকারত্ব দাঁড়ায় ৪.৬৩%, যা আগের বছরের ৩.৯৫% থেকে বেড়ে প্রায় ২৭ লাখ মানুষকে কর্মহীন করেছে।
৭ দিন আগেগর্তের ভিতর ইঁদুর রেখে গর্ত ভরাট করে লাভ নেই-পুঁজিবাজারের ইঁদুর মার্জিন। পুঁজিবাজার ইকুইটি নির্ভর। মৌলনির্ভর ইকুইটিই এ বাজারের শক্তি। পুঁজিবাজার সুদমুক্ত লগ্নি ও টেকসই পুঁজি সরবরাহ করে। এখানে ঋণ নয়, প্রয়োজন পুঁজির নিরাপত্তা এবং দীর্ঘমেয়াদি নীতি সহায়তা।
৮ দিন আগে