সিইসি বলেন, আমরা চাই— বাংলাদেশ এই যে গণতন্ত্রের ট্রেনে উঠে গেল, এই ট্রেন ইনশাল্লাহ গন্তব্যস্থলে পৌঁছাবে আপনাদের সবার সহযোগিতায়। আপনারা জানেন, ২০২৬ সালে সারা বিশ্বে সবচেয়ে বড় একটা নির্বাচন দিচ্ছে বাংলাদেশ। এত বড় নির্বাচন আর এ বছরে কোথাও হয় নাই।
প্রধান উপদেষ্টা একটি ঐতিহাসিক নির্বাচন চেয়েছিলেন এবং এখন পর্যন্ত ভোটের পরিবেশ সে দিকেই এগোচ্ছে। মানুষ দীর্ঘ ১৭ বছর পর তাদের নাগরিক অধিকার ভোগ করছে। আমিও আনন্দিত। এই ভোটে আমিও শরিক হলাম।
পর্যবেক্ষক মিশনের নেতৃত্ব দিচ্ছেন রাষ্ট্রদূত ও জাপানের নির্বাচন পর্যবেক্ষক মিশনের প্রধান মাসাতো ওয়াতানাবে। তিনি পূর্বে বাংলাদেশে জাপানের রাষ্ট্রদূতের দায়িত্বও পালন করেছেন। ভোটকেন্দ্র পর্যবেক্ষণের বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি তিনি। তবে দীর্ঘদিন পর দেশে এসে অনেক পরিবর্তন লক্ষ্য করতে পারছেন বলে জা
ভোট কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে তাসনিম জারা বলেন, বিভিন্ন অজুহাতে আমাদের পোলিং এজেন্টদের প্রবেশ করতে দিচ্ছে না। বের করে দেওয়া হচ্ছে। বানোয়াট কিছু নিয়ম বানিয়ে এই কাজ করা হচ্ছে। বলা হচ্ছে, এজেন্টরা এখানকার ভোটার নয়। পোলিং এজেন্ট হতে হলে এখানকার ভোটার হতে হবে। হেনস্তা করা হচ্ছে।
১৯৭১ সালে স্বাধীনতা লাভের পর থেকে এই দীর্ঘ সময়ে দেশে ক্ষমতার পালাবদল, সামরিক শাসন, গণআন্দোলন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের একাধিক নির্বাচন বর্জন— সব মিলিয়ে দেশের নির্বাচনি রাজনীতি এক জটিল ও বহুমাত্রিক অধ্যায় রচনা করেছে।
২৩ সদস্যের কমনওয়েলথ অবজারভার গ্রুপের নেতৃত্ব দিচ্ছেন ঘানার সাবেক প্রেসিডেন্ট নানা আকুফো-আডো। প্রতিনিধি দলটি দিনভর বিভিন্ন কেন্দ্র পরিদর্শনের মাধ্যমে নির্বাচন প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করবে বলে জানান তারা।
রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন এলাকা থেকে রাজনীতি ডটকমের প্রতিবেদকরা ও দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে রাজনীতি ডটকমের প্রতিনিধিরা জানিয়েছেন, সকাল ৭টা থেকেই বিভিন্ন ভোটকেন্দ্রের সামনে ভোটাররা জড়ো হতে থাকেন। সাড়ে ৭টায় শুরু হয় ভোট গ্রহণ।
নির্বাচন শুরুর প্রায় আধাঘণ্টা আগে থেকেই ইইউ পর্যবেক্ষক দলটি কেন্দ্রটিতে উপস্থিত হয়ে সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে। এ সময় রিটার্নিং কর্মকর্তা তাদের সামনে ব্যালট বাক্স উল্টে–পাল্টে দেখানোর পর ভোটগ্রহণের জন্য সেট করেন। এরপর নির্ধারিত সময়েই ভোটগ্রহণ শুরু হয়।
বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে চারটা পর্যন্ত জাতীয় সংসদের ভোট অনুষ্ঠিত হবে। একই সাথে জুলাই সনদ বাস্তবায়নে গণভোটেও ভোট দিবেন দেশের প্রায় পৌনে তেরো কোটি ভোটার।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলেন, সব মিলিয়ে টানা তিনটি জাতীয় নির্বাচনে দেশের মানুষ স্বাধীনভাবে ভোট দেওয়ার সুযোগ পায়নি। জুলাই অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর এবার সুযোগ এসেছে স্বাধীনভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগের। দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রার পথে এ নির্বাচনকে তাই অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ মনে করছেন তারা।
এতে বলা হয়েছে, গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে যেতে নিরুৎসাহিত করতে একটি মহল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম-সহ বিভিন্ন মাধ্যমে গুজব ও অপপ্রচার ছড়াচ্ছে। এ বিষয়ে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন অত্যন্ত স্পষ্টভাবে জানাচ্ছে যে, ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত বাংলাদেশের
ভোটদানের প্রক্রিয়া শেষে ৫ লাখ ৩১ হাজার ২১৪ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ সম্পন্ন করেছেন এবং ৫ লাখ ২৩ হাজার ৪৯৭ জন ভোটার সংশ্লিষ্ট দেশের ডাকবাক্সে তাদের ব্যালট জমা দিয়েছেন। প্রবাস থেকে ইতোমধ্যে ৪ লাখ ৯১ হাজার ৬১৫টি ব্যালট বাংলাদেশে এসে পৌঁছেছে, যার মধ্যে ৪ লাখ ৬৬ হাজার ২৪৩টি ব্যালট রিটার্নিং কর্মক
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয়রা জানান, সূত্রাপুরের ৪৪নং ওয়ার্ডের একটি চালের দোকানে হাবিব ভোটারদের টাকা দিচ্ছিলেন। এ সময় তাকে স্থানীয় জনতা আটক করে। পরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এনে ঘটনা যাচাই-বাছাই শেষে সত্যতা পেয়ে দুই দিনের কারাদণ্ড দেন।
ভিন্নমত গণতন্ত্রিক প্রক্রিয়ায় একটি স্বাভাবিক বিষয়— এটি স্মরণে রেখে সবাইকে উৎসবমুখর পরিবেশ নিশ্চিত করে স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার আহ্বান জানান সিইসি। বলেন, পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দেবেন এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার স্বাভাবিক পরিণতি হিসেবে জয়-পরাজয়কে মেনে নেবেন।
সবার সম্মিলিত অংশগ্রহণের আহ্বান জানিয়ে অধ্যাপক ইউনূস বলেন, ‘গণতন্ত্রের এ ঐতিহাসিক অভিযাত্রায় আপনাদের সক্রিয় অংশগ্রহণ একটি শান্তিপূর্ণ, স্থিতিশীল, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের পথে আমাদের সম্মিলিতভাবে এগিয়ে যেতে সহায়তা করবে।’