
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

রাজধানীর নিউমার্কেট-সায়েন্স ল্যাবরেটরি এলাকায় ঢাকা কলেজ, সিটি কলেজ ও আইডিয়াল কলেজের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘাত-মারামারি নতুন কিছু নয়। এ নিয়ে বিস্তর সমালোচনা হয়েছে, কিন্তু থামেনি সংষর্ঘ। শেষ পর্যন্ত এ সংঘাতের অবসান ঘটাতে ঢাকা কলেজ ও আইডিয়াল কলেজের শিক্ষার্থীরা করেছেন ‘শান্তিচুক্তি’!
রোববার (৯ নভেম্বর) দুপুরে ঢাকা কলেজের শহিদ আ ন ম নজীব উদ্দিন খান খুররম মিলনায়তনে পুলিশ ও প্রশাসনের উপস্থিতিতে তারা মৌখিক এই ‘শান্তিচুক্তি’ করেন।
রাজধানীর এ দুই কলেজেরই আরেক প্রতিবেশী সিটি কলেজের শিক্ষার্থীরা অবশ্য এ সময় উপস্থিত হননি। তাদের দাবি, অন্য কলেজের সঙ্গে তাদের কোনো সমস্যা নেই।
‘শান্তি চুক্তি’র সময় ঢাকা কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক এ কে এম ইলিয়াস, ধানমন্ডি আইডিয়াল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক মোবাচ্ছের হোসেন ও নিউমার্কেট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম মাহফুজুল হকসহ দুই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
শান্তিচুক্তির সময় ঢাকা কলেজ ও আইডিয়াল কলেজ শিক্ষার্থীরা অঙ্গীকার করেন, তারা আর ভবিষ্যতে নিজেদের মধ্যে কোনো সংঘর্ষে জড়াবেন না।
এর আগে বিভিন্ন সময় তুচ্ছ ঘটনা ঘিরে ঢাকা কলেজ, আইডিয়াল কলেজ ও সিটি কলেজের শিক্ষার্থীদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ ঘটেছে। এ রকম সংঘর্ষের দিনে বিশেষ করে নিউমার্কেট-সায়েন্স ল্যাবরেটরি এলাকায় যানজটসহ ব্যাপক জনভোগান্তি হয়।
এমন পরিস্থিতির কারণেই নিউমার্কেট থানার ওসি মাহফুজুল হক এই ‘শান্তিচুক্তি’র উদ্যোগ নেন। তাতে দুই কলেজের শিক্ষার্থীরা যোগ দিলেও সিটি কলেজের শিক্ষার্থীরা যোগ না দেওয়ায় কিছুটা হতাশ ওসি মাহফুজুল হক। তিনি বলেন, ‘আশা করি, ভবিষ্যতে এ ধরনের শান্তি উদ্যোগে তারাও যোগ দেবে।’

রাজধানীর নিউমার্কেট-সায়েন্স ল্যাবরেটরি এলাকায় ঢাকা কলেজ, সিটি কলেজ ও আইডিয়াল কলেজের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘাত-মারামারি নতুন কিছু নয়। এ নিয়ে বিস্তর সমালোচনা হয়েছে, কিন্তু থামেনি সংষর্ঘ। শেষ পর্যন্ত এ সংঘাতের অবসান ঘটাতে ঢাকা কলেজ ও আইডিয়াল কলেজের শিক্ষার্থীরা করেছেন ‘শান্তিচুক্তি’!
রোববার (৯ নভেম্বর) দুপুরে ঢাকা কলেজের শহিদ আ ন ম নজীব উদ্দিন খান খুররম মিলনায়তনে পুলিশ ও প্রশাসনের উপস্থিতিতে তারা মৌখিক এই ‘শান্তিচুক্তি’ করেন।
রাজধানীর এ দুই কলেজেরই আরেক প্রতিবেশী সিটি কলেজের শিক্ষার্থীরা অবশ্য এ সময় উপস্থিত হননি। তাদের দাবি, অন্য কলেজের সঙ্গে তাদের কোনো সমস্যা নেই।
‘শান্তি চুক্তি’র সময় ঢাকা কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক এ কে এম ইলিয়াস, ধানমন্ডি আইডিয়াল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক মোবাচ্ছের হোসেন ও নিউমার্কেট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম মাহফুজুল হকসহ দুই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
শান্তিচুক্তির সময় ঢাকা কলেজ ও আইডিয়াল কলেজ শিক্ষার্থীরা অঙ্গীকার করেন, তারা আর ভবিষ্যতে নিজেদের মধ্যে কোনো সংঘর্ষে জড়াবেন না।
এর আগে বিভিন্ন সময় তুচ্ছ ঘটনা ঘিরে ঢাকা কলেজ, আইডিয়াল কলেজ ও সিটি কলেজের শিক্ষার্থীদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ ঘটেছে। এ রকম সংঘর্ষের দিনে বিশেষ করে নিউমার্কেট-সায়েন্স ল্যাবরেটরি এলাকায় যানজটসহ ব্যাপক জনভোগান্তি হয়।
এমন পরিস্থিতির কারণেই নিউমার্কেট থানার ওসি মাহফুজুল হক এই ‘শান্তিচুক্তি’র উদ্যোগ নেন। তাতে দুই কলেজের শিক্ষার্থীরা যোগ দিলেও সিটি কলেজের শিক্ষার্থীরা যোগ না দেওয়ায় কিছুটা হতাশ ওসি মাহফুজুল হক। তিনি বলেন, ‘আশা করি, ভবিষ্যতে এ ধরনের শান্তি উদ্যোগে তারাও যোগ দেবে।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদ প্রতি বছরের ন্যায় পহেলা বৈশাখে ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’র আয়োজন করবে। শোভাযাত্রায় এ বছরের প্রতিবাদ্য ‘নববর্ষের ঐকতান, গণতন্ত্রের পুনরুত্থান’। অনুষ্ঠানসমূহ সকল সরকারি-বেসরকারি টেলিভিশন, রেডিও, বাণিজ্যিক রেডিও ও কমিউনিটি রেডিওতে সম্প্রচারের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
১৪ ঘণ্টা আগে
দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, এলাকায় যাতে শান্তিশৃঙ্খলা বজায় থাকে সেভাবে আপনারা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সহযোগিতা করবেন। কেউ যদি এমন কিছু করে- যার জন্য এলাকার শান্তি নষ্ট হয়, সেক্ষেত্রে আপনাদের দায়িত্ব হলো আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানানো। আইন কখনো নিজের হাতে তুলে নেবেন না।
১৪ ঘণ্টা আগে
মন্ত্রী আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী পরিষ্কার ভাষায় বলে দিয়েছেন, কোনো অন্যায়-অপরাধ, হাজিদের ওপর কোনো অবিচার সহ্য করা হবে না। প্রধানমন্ত্রী দু-এক দিনের মধ্যে হাজ ক্যাম্প পরিদর্শন করবেন।
১৫ ঘণ্টা আগে
মামলার সূত্রে জানা গেছে, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন চলাকালে গত বছরের ১৮ জুলাই রাজধানীর লালবাগ থানাধীন আজিমপুর সরকারি কলোনির ভেতরে অন্যান্য আন্দোলনকারীর সঙ্গে মিছিল করছিলেন মো. আশরাফুল ওরফে ফাহিম নামে এক ব্যক্তি। ঘটনার দিন আসামিদের ছোঁড়া গুলিতে তার বাম চোখ নষ্ট হয়ে যায়। গত ১৭ জুলাই লালবাগ থানায় হত্যাচেষ্টা
১৬ ঘণ্টা আগে