
ঢাবি প্রতিনিধি

বাংলাদেশের কক্সবাজারে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে কর্মরত দুই হাজার ৬৫০ জন শিক্ষকের বার্মিজ ভাষার দক্ষতা বাড়ানোর উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউট। ইউনেস্কোর সহযোগিতায় বাস্তবায়নাধীন এই কর্মসূচি সরাসরি জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) ৪, ১০ ও ১৭ নম্বর অনুচ্ছেদের লক্ষ্য অর্জনে অবদান রাখবে।
আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউট থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, মিয়ানমার পাঠ্যক্রম বাস্তবায়নের প্রয়োজনীয়তা বিবেচনায় রেখে ইনস্টিটিউটের বিশেষজ্ঞরা ‘গ্রিন তারা ইনস্টিটিউটে’র সঙ্গে যৌথভাবে একটি বিস্তৃত প্রশিক্ষণ কর্মসূচি তৈরি ও বাস্তবায়ন করছেন।
বিশেষজ্ঞ নির্দেশনা, পাঠ্যক্রম পরিমার্জন, মূল্যায়ন পদ্ধতি ও শিক্ষণ ব্যবস্থাপনা (এলএমএস) জোরদার করার মাধ্যমে শিক্ষকদের সক্ষমতা বাড়ানোর জন্য কমন ইউরোপিয়ান ফ্রেমওয়ার্ক অফ রেফারেন্স (সিইএফআর) অনুসরণ করে এই কর্মসূচি প্রণয়ন করা হয়েছে।
আইএমএল বলছে, এই উদ্যোগটি যোগ্য প্রশিক্ষক ও প্রাসঙ্গিক শিক্ষাগত সংস্থানের মাধ্যমে এসডিজি ৪ (গুণগত শিক্ষা)-কে শক্তিশালী করে। এটি প্রশিক্ষণে সমান সুযোগ ও লিঙ্গ সমতার প্রতি অঙ্গীকারের মাধ্যমে এসডিজি ১০ (বৈষম্য হ্রাস)-কে এগিয়ে নিয়ে যায়। এ ছাড়া এটি মূল অংশীদারদের মধ্যে সমন্বিত সহযোগিতার মাধ্যমে এসডিজি ১৭ (লক্ষ্যমাত্রার জন্য অংশীদারিত্ব)-এর উদাহরণ স্থাপন করে।
আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউটের এ কর্মসূচির টিম লিড অধ্যাপক ড. সাঈদুর রহমান বলেন, শিক্ষকদের ক্ষমতায়নের মাধ্যমে আমরা রোহিঙ্গা শিশুদের ভবিষ্যতে বিনিয়োগ করছি এবং একটি আরও ন্যায়সঙ্গত বিশ্ব সম্প্রদায় গড়ে তুলছি। এই কৌশলগত জোটের মাধ্যমে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে অবদান রাখতে পেরে আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউট গর্বিত।
আইএমএল দলের অন্যান্য সদস্যরা হলেন— অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আনসারুল আলম, ড. মো. মনির উদ্দিন (জাপানি ভাষা) ও জান্নাতুন নাহার (চীনা ভাষা)।
সম্প্রতি আইএমএল দলের সদস্যরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমেদ খানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। তারা উপাচার্যকে প্রকল্পের অগ্রগতি সম্পর্কে অবহিত করেন। উপাচার্য প্রকল্পটির প্রশংসা করেন এবং রোহিঙ্গা শিশুদের জন্য মাতৃভাষার মাধ্যমে শিক্ষা প্রসারের গুরুত্ব আরোপ করেন। তিনি প্রকল্পের সাফল্যও কামনা করেন।
২০২৪ সালের জুলাইয়ে শুরু হওয়া এই উদ্যোগটির মেয়াদ এ বছরের মে মাস পর্যন্ত। এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচির কার্যকারিতা কঠোর পর্যবেক্ষণের অধীনে রয়েছে।

বাংলাদেশের কক্সবাজারে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে কর্মরত দুই হাজার ৬৫০ জন শিক্ষকের বার্মিজ ভাষার দক্ষতা বাড়ানোর উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউট। ইউনেস্কোর সহযোগিতায় বাস্তবায়নাধীন এই কর্মসূচি সরাসরি জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) ৪, ১০ ও ১৭ নম্বর অনুচ্ছেদের লক্ষ্য অর্জনে অবদান রাখবে।
আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউট থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, মিয়ানমার পাঠ্যক্রম বাস্তবায়নের প্রয়োজনীয়তা বিবেচনায় রেখে ইনস্টিটিউটের বিশেষজ্ঞরা ‘গ্রিন তারা ইনস্টিটিউটে’র সঙ্গে যৌথভাবে একটি বিস্তৃত প্রশিক্ষণ কর্মসূচি তৈরি ও বাস্তবায়ন করছেন।
বিশেষজ্ঞ নির্দেশনা, পাঠ্যক্রম পরিমার্জন, মূল্যায়ন পদ্ধতি ও শিক্ষণ ব্যবস্থাপনা (এলএমএস) জোরদার করার মাধ্যমে শিক্ষকদের সক্ষমতা বাড়ানোর জন্য কমন ইউরোপিয়ান ফ্রেমওয়ার্ক অফ রেফারেন্স (সিইএফআর) অনুসরণ করে এই কর্মসূচি প্রণয়ন করা হয়েছে।
আইএমএল বলছে, এই উদ্যোগটি যোগ্য প্রশিক্ষক ও প্রাসঙ্গিক শিক্ষাগত সংস্থানের মাধ্যমে এসডিজি ৪ (গুণগত শিক্ষা)-কে শক্তিশালী করে। এটি প্রশিক্ষণে সমান সুযোগ ও লিঙ্গ সমতার প্রতি অঙ্গীকারের মাধ্যমে এসডিজি ১০ (বৈষম্য হ্রাস)-কে এগিয়ে নিয়ে যায়। এ ছাড়া এটি মূল অংশীদারদের মধ্যে সমন্বিত সহযোগিতার মাধ্যমে এসডিজি ১৭ (লক্ষ্যমাত্রার জন্য অংশীদারিত্ব)-এর উদাহরণ স্থাপন করে।
আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউটের এ কর্মসূচির টিম লিড অধ্যাপক ড. সাঈদুর রহমান বলেন, শিক্ষকদের ক্ষমতায়নের মাধ্যমে আমরা রোহিঙ্গা শিশুদের ভবিষ্যতে বিনিয়োগ করছি এবং একটি আরও ন্যায়সঙ্গত বিশ্ব সম্প্রদায় গড়ে তুলছি। এই কৌশলগত জোটের মাধ্যমে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে অবদান রাখতে পেরে আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউট গর্বিত।
আইএমএল দলের অন্যান্য সদস্যরা হলেন— অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আনসারুল আলম, ড. মো. মনির উদ্দিন (জাপানি ভাষা) ও জান্নাতুন নাহার (চীনা ভাষা)।
সম্প্রতি আইএমএল দলের সদস্যরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমেদ খানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। তারা উপাচার্যকে প্রকল্পের অগ্রগতি সম্পর্কে অবহিত করেন। উপাচার্য প্রকল্পটির প্রশংসা করেন এবং রোহিঙ্গা শিশুদের জন্য মাতৃভাষার মাধ্যমে শিক্ষা প্রসারের গুরুত্ব আরোপ করেন। তিনি প্রকল্পের সাফল্যও কামনা করেন।
২০২৪ সালের জুলাইয়ে শুরু হওয়া এই উদ্যোগটির মেয়াদ এ বছরের মে মাস পর্যন্ত। এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচির কার্যকারিতা কঠোর পর্যবেক্ষণের অধীনে রয়েছে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, এই দাবির সঙ্গে ইনডিপেনডেন্ট টেলিভিশনের একটি ফটোকার্ড ফেসবুকে ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। টেলিভিশন চ্যানেলটির ফেসবুক পেজে প্রকাশিত ওই ফটোকার্ডের শিরোনাম ছিল, ‘নির্বাচনের পর সংসদ সদস্যরা ১৮০ দিন গণপরিষদ হিসেবে কাজ করবেন: আলী রীয়াজ।’
৪ ঘণ্টা আগে
বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) বিকেলে এসব তথ্য নিশ্চিত করে ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটনে ৩ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে বলে জানান কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার মো. আমিরুল ইসলাম।
১৩ ঘণ্টা আগে
বিশ্ব ব্যাংকের সালিশ প্রতিষ্ঠান ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর সেটেলমেন্ট অব ইনভেস্টমেন্ট ডিসপিউটস (আইসিএসআইডি) সম্প্রতি এই রায় দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন রাষ্ট্রায়ত্ত পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান রেজানুর রহমান।
১৫ ঘণ্টা আগে
বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) বিচারপতি জাফর আহমেদের একক হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন। এনসিটি পরিচালনায় এখন চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বিদেশি কোম্পানির চুক্তি সম্পাদনে আর কোনো আইনগত বাধা নেই।
১৭ ঘণ্টা আগে