২য় পদ্মা সেতুর সম্ভাব্যতা সমীক্ষা শেষ: সেতুমন্ত্রী

প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম
সোমবার ঈদযাত্রার নিরাপত্তায় প্রস্তুতিমূলক সভা শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। ছবি: পিআইডি
সোমবার ঈদযাত্রার নিরাপত্তায় প্রস্তুতিমূলক সভা শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। ছবি: পিআইডি

নির্বাচনি ইশতেহার অনুযায়ী দ্বিতীয় পদ্মা সেতু নির্মাণের পথে সরকার এগিয়ে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।

তিনি বলেন, আমাদের নির্বাচনি ইশতেহারে দ্বিতীয় পদ্মা সেতু করার অঙ্গীকার রয়েছে। তাই সে ব্যাপারে আমরা অগ্রসর হচ্ছি। সম্ভাব্যতা সমীক্ষা এরই মধ্যে শেষ হয়েছে। এখন অর্থায়ন নিয়ে আলোচনা চলছে। প্রাক-প্রস্তুতির কাজও এগিয়ে যাচ্ছে।

সোমবার (১১ মে) সচিবালয়ে ঈদযাত্রার নিরাপত্তা নিয়ে এক প্রস্তুতিমূলক বৈঠকের পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

রাজধানী ঢাকার সঙ্গে দেশের দক্ষিণাঞ্চলের যোগাযোগ সহজ করতে পদ্মা সেতু নির্মাণ করা হয়। ২০২২ সালের ২৫ জুন এ সেতু উদ্বোধন করেন ওই সময়কার প্রধানমন্ত্রী জুলাই অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনা। মুন্সীগঞ্জের মাওয়া ও শরীয়তপুরের জাজিরাকে সংযুক্ত করে এই সেতু গড়ে উঠেছে।

দ্বিতীয় পদ্মা সেতু নির্মাণের দাবিও দীর্ঘদিনের। মানিকগঞ্জের পাটুরিয়ার সঙ্গে রাজবাড়ীর দৌলতদিয়াকে সংযুক্ত করে এই সেতু নির্মাণের দাবি রয়েছে। আবার এর সঙ্গে পাটুরিয়া থেকে পাবনার কাজিরহাটকে সংযুক্ত করে ইংরেজি বর্ণমালার ‘ওয়াই’ আকৃতিতে এই সেতু নির্মাণের দাবিও রয়েছে।

সব মিলিয়ে দ্বিতীয় পদ্মা সেতুর জন্য তিনটি প্রস্তাব রয়েছে বলে জানান সেতুমন্ত্রী। তিনি বলেন, আমি এই মুহূর্তে বলব, আমরা দ্বিতীয় পদ্মা সেতু নির্মাণ করতে চলেছি। ফিজিবিলিটি স্টাডি (সম্ভাব্যতা সমীক্ষা) অলরেডি কমপ্লিট। অর্থায়নের জায়গাটা নিয়ে ভাবছি এবং এটা নিয়ে আমরা কথা বলছি।

কেবল দ্বিতীয় পদ্মা সেতু নয়, দীর্ঘদিন ধরে জনদাবি থাকা আরও কয়েকটি সেতু নির্মাণও সরকারের সক্রিয় বিবেচনায় রয়েছে বলে জানান সড়ক পরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল। তিনি জানান, দ্বিতীয় যমুনা সেতু ও বরিশাল-ভোলা সেতু রয়েছে এ তালিকায়।

এর আগে ২০০২ সাল থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত খালেদা জিয়ার সরকারের সময়ে পদ্মা সেতু নির্মাণের সম্ভাব্যতা সমীক্ষা হয়েছিল বলে জানান শেখ রবিউল আলম। পরে শেখ হাসিনার আমলে এর নির্মাণের সময় দুর্নীতি হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

মন্ত্রী বলেন, অর্থের অপচয় হয়েছে। আমি যতটুকু বুঝি, দুর্নীতি হয়েছে। কিন্তু তারপরও পদ্মা সেতুটা হয়েছে। অর্থের ব্যয় কমানো যেত, আরও স্বচ্ছতার সঙ্গে খরচ করা যেত। সেটাই জনগণের দাবি ছিল। কিন্তু করা যায়নি।

যারা পদ্মা সেতু প্রকল্পে অর্থের ব্যয় কমাতে পারেনি, তাদের দায়বদ্ধতা রয়েছে এবং যারা এ প্রকল্পে অর্থের অপচয় করেছে তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা চলমান রয়েছে বলেও জানান মন্ত্রী।

Ad
ad
Ad 300x250

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

Ad 300x250
ad
Advertisement