ঢাকার সঙ্গে ৮ জেলার ট্রেন চলাচল বন্ধ

ঈদে ঘরমুখো যাত্রীদের নিয়ে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা নীলফামারী অভিমুখী নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেনের ৯টি বগি বগুড়ার আদমদীঘিতে লাইনচ্যুত হয়েছে। এ ঘটনার পর উত্তরবঙ্গের ৮ জেলার সঙ্গে ঢাকার রেল যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গেছে।
বুধবার (১৮ মার্চ) দুপুর আড়াইটার দিকে উপজেলার সান্তাহার জংশনের অদূরে ছাতিয়ান গ্রামের বাগবাড়ি এলাকায় এই লাইনচ্যুতের ঘটনা ঘটে। এসময় ট্রেনের ছাদে থাকা লোকজন পড়ে গিয়ে হতাহত হয়েছেন। আহত ব্যক্তিদের নওগাঁ জেলা হাসপাতাল ও আদমদীঘি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
বগুড়ার সান্তাহার রেলস্টেশন মাস্টার খাদিজা খাতুন বলেন, রেললাইনে আগে থেকেই ত্রুটি ছিল। আন্তনগর নীলসাগর এক্সপ্রেস দুপুর আড়াইটার দিকে সান্তাহার প্ল্যাটফর্মের অদূরে দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। এতে ট্রেনের ৬টি বগি লাইনচ্যুত হয়।
তিনি বলেন, এ রুটে ট্রেন চলাচল বন্ধ রয়েছে। উদ্ধারকারী ট্রেন পাবনার ঈশ্বরদী থেকে রওনা হয়েছে। কতক্ষণ নাগাদ পৌঁছাবে, তা এখনো নিশ্চিত করে বলা সম্ভব হচ্ছে না।
স্টেশন মাস্টার খাদিজা জানান, খুলনা থেকে ছেড়ে আসা রুপসা এক্সপ্রেস সান্তাহারে, পঞ্চগড় থেকে ছেড়ে আসা ‘বাংলাবান্ধা এক্সপ্রেস’ জয়পুরহাট স্টেশনে, রাজশাহী থেকে ছেড়ে আসা বরেন্দ্র এক্সপ্রেস ট্রেন সান্তাহার জংশনে আটকে পড়েছে। এছাড়া ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা ‘একতা এক্সপ্রেস’ সান্তাহার জংশনে আটকে আছে।
সান্তাহার রেলওয়ে থানা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) মাহফুজুর রহমান বলেন, নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেনটি ঢাকা থেকে ছেড়ে এসে বেলা ২টার দিকে সান্তাহার স্টেশনে যাত্রা বিরতি করে। এরপর সান্তাহার স্টেশন থেকে ছেড়ে যাওয়ার কিছু সময় পরেই ছাতিয়ান গ্রামে ট্রেনটি লাইনচ্যুত হয়। এতে ট্রেনটির ৬টি বগি লাইনচ্যুত হয়। এখন পর্যন্ত মৃত্যুর সংবাদ পাওয়া যায়নি। ট্রেনের ছাদে অনেক মানুষ থাকায় ছাদ থেকে পড়ে অনেকে আহত হয়েছেন। বগিগুলো উদ্ধারের জন্য কাজ চলছে।
তিনি বলেন, লাইন মেরামত কাজ চলমান থাকায় লাল পতাকা উড়ানো হয়। কিন্তু ট্রেনের চালক লাল পতাকা খেয়াল না করে ট্রেন চালিয়ে গেলে এ দুর্ঘটনা ঘটে। আহতদের উদ্ধার করে আদমদিঘি উপজেলা হাসপাতাল, বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও নওগা জেলা হাসপাতালে বেশ কয়েকজনকে ভর্তি করা হয় এবং প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়।














-93027b-256x144.webp)

-e8d740-256x144.webp)
