ঈদুল আজহার ছুটিও ৭ দিন

প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম
আপডেট : ০৭ মে ২০২৬, ২৩: ৩৭
আকাশে নতুন চাঁদ। প্রতীকী ছবি
আকাশে নতুন চাঁদ। প্রতীকী ছবি

আসন্ন ঈদুল আজহার জন্য সাত দিনের ছুটি নির্ধারণ করেছে সরকার। আগামী ২৫ থেকে ৩১ মে পর্যন্ত সাত দিন থাকবে এ ছুটি। তবে এর আগে ২৩ মে শনিবারের সাপ্তাহিক ছুটি বাতিল করা হয়েছে। এ বছর ঈদুল ফিতরেও সাত দিন ছুটি ঘোষণা করা হয়েছিল।

বৃহস্পতিবার (৭ মে) রাতে ঢাকায় সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সভায় সভাপতিত্ব করেন।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের একটি সূত্র জানিয়েছে, ঈদুল আজহায় আগামী ২৫ থেকে ৩১ মে পর্যন্ত এক সপ্তাহ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। এর আগে ২২ মে রয়েছে শুক্রবারের সাপ্তাহিক বন্ধ। পরদিন ২৩ মে শনিবার সাপ্তাহিক বন্ধ থাকলেও তা বাতিল করা হয়েছে। ফলে ২৩ ও ২৪ মে (শনিবার ও রোববার) অফিস খোলা থাকবে।

এর আগে এ বছর ঈদুল ফিতরেও ১৭ মার্চ থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত সাত দিন ছুটি ঘোষণা করে সরকার। পরে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। সরকারের সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ঈদের ছুটি বাড়ানো হলে তা ভোগান্তি কমিয়ে ঈদযাত্রাকে নির্বিঘ্ন করতে বড় ভূমিকা রাখে।

পাবলিক টয়লেট নীতিমালা অনুমোদন

একই বৈঠকে স্থানীয় সরকার বিভাগের ‘জাতীয় পাবলিক টয়লেট নীতিমালা ২০২৬’-এর খসড়ায় অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। সারা দেশে স্বাস্থ্যসম্মত ও মানসম্মত পাবলিক টয়লেট সহজলভ্য করা, জনস্বাস্থ্য ও পরিচ্ছন্নতার মান উন্নত করা এবং নারী, শিশু, প্রতিবন্ধী ব্যক্তি, বয়স্ক ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য ব্যবহারবান্ধব টয়লেট সুবিধা নিশ্চিত করতেই এই নীতিমালা অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

নীতিমালায় পাবলিক টয়লেট ব্যবস্থার দীর্ঘমেয়াদি কার্যকারিতা ও স্থায়িত্বের জন্য কার্যকর ব্যবস্থাপনা মডেল ও অর্থায়ন নিশ্চিতের কথা রয়েছে। সিদ্ধান্ত হয়েছে, শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যসম্মত টয়লেট ব্যবহার নিয়ে সচেতন করতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, স্থানীয় সরকার বিভাগ, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় একযোগে কাজ করবে।

বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ছবি: পিএমও
বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ছবি: পিএমও

নীতিমালায় ভৌত অবকাঠামো সংক্রান্ত উন্নয়ন প্রকল্পে নারীদের জন্য পৃথক টয়লেট রাখতে বলা হয়েছে। এ ছাড়া স্থানীয় সরকার বিভাগ এবং সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ সড়ক ও মহাসড়কের উপযুক্ত স্থানে নারী ও পুরুষের জন্য পৃথক পাবলিক টয়লেট স্থাপনে সমন্বিত কার্যক্রম গ্রহণ করবে।

নীতিমালায় সব টয়লেটের বর্জ্য সংরক্ষণের জন্য বাধ্যতামূলক করা হয়েছে সেপটিক ট্যাংক নির্মাণ। বলা হয়েছে, কোনোভাবেই টয়লেটের বর্জ্য নদী, খাল-বিলসহ জলাশয়ে ফেলে পানি দূষণ করা যাবে না। নীতিমালা বাস্তবায়নে মন্ত্রণালয় ও বিভাগভিত্তিক সময়াবদ্ধ কর্মপরিকল্পনা তৈরি করতে হবে।

Ad
ad
Ad 300x250

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

Ad 300x250
ad
Advertisement