নিম্নচাপ যাচ্ছে অন্ধ্র প্রদেশ-উড়িষ্যার দিকে, বন্দরে সতর্কসংকেত অব্যাহত

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপটি গভীর নিম্নচাপে রূপ নিয়েছে। এ নিম্নচাপের গতিমুখ রয়েছে ভারতের অন্ধ্র প্রদেশ ও দক্ষিণ উড়িষ্যা উপকূলের দিকে। তবে এর প্রভাবে ঘণ্টায় ৬০ কিলোমিটার পর্যন্ত গতির ঝোড়ো হাওয়া অব্যাহত রয়েছে। এ কারণে দেশের চার সমুদ্রবন্দরকেই আগের মতো ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত দেখিয়ে যেতে বলেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে আবহাওয়া অধিদপ্তর প্রকাশিত আবহাওয়ার ৫ নম্বর বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। আবহাওয়াবিদ মো. ওমর ফারুক এতে সই করেছেন।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, পশ্চিমমধ্য বঙ্গোপসাগর ও সংলগ্ন উত্তরপশ্চিম বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থানরত গভীর নিম্নচাপটি পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে বুধবার সকালে উত্তরপশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও সংলগ্ন পশ্চিমমধ্য বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থান করছে। এর অবস্থান ছিল ১৮.১° উত্তর অক্ষাংশ ও ৮৪.৮° পূর্ব দ্রাঘিমাংশে।
নিম্নচাপটি বুধবার সকাল ৬টায় চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ৯০০ কিলোমিটার, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ৮৮০ কিলোমিটার, মোংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ৭২০ কিলোমিটার ও পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ৭৫০ কিলোমিটার দক্ষিণপশ্চিমে অবস্থান করছিল।
আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে, নিম্নচাপটি আরও পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে বুধবার রাতে ভারতের উত্তর অন্ধ্র প্রদেশ ও দক্ষিণ উড়িষ্যা উপকূল অতিক্রম করতে পারে। এর প্রভাবে সমুদ্র বন্দর, উত্তর বঙ্গোপসাগর ও সংলগ্ন বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকার ওপর দিয়ে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।
গভীর নিম্নচাপটির কেন্দ্রের ৪৮ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৫০ কিলোমিটার, যা দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়ার আকারে ৬০ কিলোমিটার পর্যন্ত বাড়ছে। গভীর নিম্নচাপ কেন্দ্রের কাছাকাছি এলাকায় সাগর উত্তাল রয়েছে।
এ পরিস্থিতিতে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত দেখিয়ে যেতে বলেছে আবহাওয়া অধিপ্তর। পাশাপাশি উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।
















