ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী ২৯৬ জন সংসদ সদস্যকে কোনো ধরনের রাজনৈতিক বিভাজন ছাড়াই শপথবাক্য পাঠ করিয়ে সংসদীয় ইতিহাসে নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন।
দায়িত্ব শেষ করার পর অবশ্যই দেশে থাকবেন বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমানের শপথের পর শপথ নিয়েছেন তার মন্ত্রিসভার পূর্ণমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্বপ্রাপ্ত ২৫ জন ও প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্বপ্রাপ্ত ২৪ জন। এরপর তারা গোপনীয়তার শপথও পাঠ করেন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী বিএনপির নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা শপথ গ্রহণ করেছেন। ইতোমধ্যে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন সরকারের মন্ত্রিসভায় ডাক পেয়েছেন ৪৯ জন। এ তালিকায় ২৫ জন মন্ত্রী ও ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী হিসেবে ডাক পেয়েছেন।
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৪টা ১২ মিনিটে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তাকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ পড়ান।
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৪টায় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় হবে মন্ত্রিসভার শপথ। এর আগেই মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে মন্ত্রিসভার মন্ত্রী হিসেবে ২৫ জন ও প্রতিমন্ত্রী হিসেবে ২৪ জনকে শপথের জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির সঙ্গে জোট বেঁধেছিল গণসংহতি আন্দোলন ও গণঅধিকার পরিষদ। এর মধ্যে গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি এবং গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর সংসদ সদস্যও নির্বাচিত হয়েছেন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ের পর বিএনপি সংসদীয় দলের সিদ্ধান্তে দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমান সংসদ নেতা নির্বাচিত হয়েছেন। ফলে তিনি দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন। নতুন সরকার গঠনের এই প্রেক্ষাপটে প্রধানমন্ত্রীর বেতন-ভাতা ও প্রাপ্য সুবিধা নিয়ে জনমনে কৌতূহল তৈরি হয়েছে।
বাটোয়ারার নির্বাচন মেনে নিয়ে বিরোধিতার নাটক বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছেন সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মাহফুজ আলম।
৪৯ সদস্যের নতুন মন্ত্রিসভায় ২৫ জন পূর্ণ মন্ত্রী এবং ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী থাকছেন। এর মধ্যে টেকনোক্র্যাট কোটায় দুজন মন্ত্রী এবং একজন প্রতিমন্ত্রী রাখা হয়েছে। মন্ত্রী হিসেবে আছেন আমিনুর রশিদ এবং ড. খলিলুর রহমান। আর আমিনুল হককে করা হচ্ছে প্রতিমন্ত্রী।
অন্তর্বর্তী সরকারে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমান টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী হচ্ছেন। বিএনপি সরকারের মন্ত্রিসভায় শপথগ্রহণের জন্য ডাক পেয়েছে বেশ কয়েকজন। এ সময় খলিলুর রহমান ফোন পেয়েছেন বলে জানা গেছে।
নব্বইয়ের দশকের শেষ ভাগে সারা দেশে নকলের যে মহামারি দেখা দিয়েছিল, তা বন্ধ করে শিক্ষার্থীদের পড়ার টেবিলে বসানোর ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা রেখেছিলেন শিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পাওয়া এই বিএনপি নেতা।
এ শপথ অনুষ্ঠান আয়োজনের যাবতীয় প্রস্তুতি শেষ করে এনেছে অন্তর্বর্তী সরকার। গোটা সংসদ ভবন এলাকা নতুন করে ধুয়েমুছে পরিপাটি করা হয়েছে। আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে বিভিন্ন দেশের সরকার ও রাষ্ট্রপ্রধানসহ বিদেশি প্রায় ১৩০০ অতিথিকে।
তিনি বলেন, অভ্যুত্থানের ছাত্রনেতারা ঠিক করলো দেশকে সচল করার জন্য একটি সরকার লাগবে। সরকার গঠন ও চালাবার জন্য তারা আমাকে খবর দিলো। আমি তখন বিদেশে। আমি দায়িত্ব নিতে রাজি না। তারা জাতির প্রতি কর্তব্য পালনের কথা বলে আমাকে রাজি করালো। ১৮ মাস পর এখন আমার যাওয়ার পালা। আমি আজ আমার কাজ হতে বিদায় নিতে আপনাদের
আজ সোমবার (১৬ ফেরবুরারি) রাত ৯টা ১৫ মিনিটে জাতির উদ্দেশে বিদায়ী ভাষণ দেবেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।
গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ অনুযায়ী, একসঙ্গে একটির বেশি আসন থেকে সংসদ সদস্য হিসেবে থাকা যায় না। তাই সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) বগুড়া-৬ আসনটি ছেড়ে দেওয়ার ইচ্ছা জ্ঞাপন করলে আসনটি শূন্য ঘোষণা করে ইসি।