
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬-এর ক্যাম্পেইন আজ রোববার থেকে শুরু হয়েছে। নির্বাচনের প্রচারণার অংশ হিসেবে ৪৮ সেকেন্ডের একটি টিজার প্রকাশ করেছে সরকার।
রবিবার দুপুরে প্রধান উপদেষ্টা সহকারী প্রেস সচিব সুচিস্মিতা তিথি এক বার্তায় এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
বার্তায় বলা হয়, আজ থেকে শুরু হলো জাতীয় নির্বাচন ২০২৬-এর ক্যাম্পেইন। প্রথম টিজারে ইতিহাসের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনে অংশ নিতে সবাইকে আহ্বান জানিয়েছেন গুমের শিকার বিডিআর হত্যাকাণ্ডের তদন্ত কার্যক্রমের সমন্বয়ক ক্যাপ্টেন (অব.) ড. খান সুবায়েল বিন রফিক।
এতে আরও বলা হয়, ফেব্রুয়ারি ২০২৬ এ উৎসবমুখর পরিবেশে আমরা সবাই ভোট দিতে যাবো। ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের মধ্য দিয়ে দেশের মালিকানা বুঝে নেবে দেশের জনগণ।
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রথম টিজারের শুরুতে স্ক্রিনে দেখানো হয়, ‘আওয়ামী ক্ষমতার উৎস।’ এরপর স্থান পায় পতিত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেনের বহুল সমালোচিত একটি বক্তব্য। যেখানে আব্দুল মোমেন বলেন, ‘আমি ভারতে গিয়ে যেটি বলেছি যে শেখ হাসিনাকে টিকিয়ে রাখতে হবে। সেই জন্য শেখ হাসিনাকে টিকিয়ে রাখার জন্য যা যা করার আমি ভারতবর্ষ সরকারকে সেটা অনুরোধ করেছি।’
টিজারে এরপর রাখা হয় গুমের শিকার বিডিআর হত্যাকাণ্ডের তদন্ত কার্যক্রমের সমন্বয়ক ক্যাপ্টেন (অব) ড. খান সুবায়েল বিন রফিকের আহ্বান। যেখানে তাকে বলতে দেখা যায়, সেই সব অধ্যায় পেছনে ফেলে বাংলাদেশ আজ ইতিহাসের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনের সামনে। কারণ এই নির্বাচনের মাধ্যমে আপনাকে আপনার দেশের দখল বুঝে নিতে হবে।
ব্যাকগ্রাউন্ডে জাতীয় সংসদ ভবন থাকা এই ভিডিওতে সুবায়েল আরও বলেন, নির্বাচন ২০২৬, দেশের চাবি আপনার হাতে। আপনার ভোটটি আপনি দিয়ে নির্ধারণ করুন। কেমন বাংলাদেশ দেখতে চান।

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬-এর ক্যাম্পেইন আজ রোববার থেকে শুরু হয়েছে। নির্বাচনের প্রচারণার অংশ হিসেবে ৪৮ সেকেন্ডের একটি টিজার প্রকাশ করেছে সরকার।
রবিবার দুপুরে প্রধান উপদেষ্টা সহকারী প্রেস সচিব সুচিস্মিতা তিথি এক বার্তায় এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
বার্তায় বলা হয়, আজ থেকে শুরু হলো জাতীয় নির্বাচন ২০২৬-এর ক্যাম্পেইন। প্রথম টিজারে ইতিহাসের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনে অংশ নিতে সবাইকে আহ্বান জানিয়েছেন গুমের শিকার বিডিআর হত্যাকাণ্ডের তদন্ত কার্যক্রমের সমন্বয়ক ক্যাপ্টেন (অব.) ড. খান সুবায়েল বিন রফিক।
এতে আরও বলা হয়, ফেব্রুয়ারি ২০২৬ এ উৎসবমুখর পরিবেশে আমরা সবাই ভোট দিতে যাবো। ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের মধ্য দিয়ে দেশের মালিকানা বুঝে নেবে দেশের জনগণ।
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রথম টিজারের শুরুতে স্ক্রিনে দেখানো হয়, ‘আওয়ামী ক্ষমতার উৎস।’ এরপর স্থান পায় পতিত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেনের বহুল সমালোচিত একটি বক্তব্য। যেখানে আব্দুল মোমেন বলেন, ‘আমি ভারতে গিয়ে যেটি বলেছি যে শেখ হাসিনাকে টিকিয়ে রাখতে হবে। সেই জন্য শেখ হাসিনাকে টিকিয়ে রাখার জন্য যা যা করার আমি ভারতবর্ষ সরকারকে সেটা অনুরোধ করেছি।’
টিজারে এরপর রাখা হয় গুমের শিকার বিডিআর হত্যাকাণ্ডের তদন্ত কার্যক্রমের সমন্বয়ক ক্যাপ্টেন (অব) ড. খান সুবায়েল বিন রফিকের আহ্বান। যেখানে তাকে বলতে দেখা যায়, সেই সব অধ্যায় পেছনে ফেলে বাংলাদেশ আজ ইতিহাসের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনের সামনে। কারণ এই নির্বাচনের মাধ্যমে আপনাকে আপনার দেশের দখল বুঝে নিতে হবে।
ব্যাকগ্রাউন্ডে জাতীয় সংসদ ভবন থাকা এই ভিডিওতে সুবায়েল আরও বলেন, নির্বাচন ২০২৬, দেশের চাবি আপনার হাতে। আপনার ভোটটি আপনি দিয়ে নির্ধারণ করুন। কেমন বাংলাদেশ দেখতে চান।

এতে বলা হয়েছে, ‘ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্যভাবে অনুষ্ঠান এবং নির্বাচন পূর্ব অনিয়ম রোধকল্পে সূত্রোক্ত পরিপত্রের মাধ্যমে (পরিপত্র-৯) আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেল গঠনের নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। একই সাথে উল্লিখিত সেলের কার্যপরিধি অনুযায়ী সেল কর্তৃক গৃহীত কার্যক
১৫ ঘণ্টা আগে
ফয়েজ আহম্মদ বলেন, নিহত ব্যক্তির ধর্মীয় পরিচয় সনাতন হওয়ায় ঘটনাটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ বিভিন্ন জায়গায় মিথ্যা প্রচারণা ছড়ানো হয়েছে, যেখানে এটিকে সাম্প্রদায়িক হামলা হিসেবে উপস্থাপন করা হয়। তবে প্রাথমিক অনুসন্ধানে এমন কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
১৬ ঘণ্টা আগে
শফিকুল আলম বলেন, ইভারস আইজাবস বৈঠকে জানিয়েছেন, বাংলাদেশের আসন্ন নির্বাচনকে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ঐতিহাসিক হিসেবে দেখছে। এ কারণেই তারা বড় আকারের নির্বাচন পর্যবেক্ষক মিশন পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তিনি বলেন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন অনেক দেশেই নির্বাচন পর্যবেক্ষক পাঠায় না; কিন্তু বাংলাদেশের সঙ্গে তাদের বড় বাণিজ্যিক অং
১৭ ঘণ্টা আগে
চিঠিতে বলা হয়েছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনপূর্ব সময়ে আচরণবিধি কঠোরভাবে প্রতিপালনের নির্দেশনা রয়েছে। লক্ষ্য করা যাচ্ছে যে, কোনো কোনো প্রার্থী বা তার পক্ষে অন্য কোনো ব্যক্তি সেমিনার, সংবর্ধনা, যুবসমাবেশ ইত্যাদির নামে ভোটারদের জমায়েত করে নির্বাচনী প
১৭ ঘণ্টা আগে