মন্ত্রিসভায় যেমন ৮০ বছরের প্রজ্ঞা আছে, তেমনি ৩৫ বছরের তারুণ্যের তেজও আছে। উত্তরবঙ্গ থেকে আসা মিজানুর রহমান মিনু (৭৫) কিংবা দক্ষিণের মীর শাহে আলম (৬৭) যেমন আছেন, তেমনি তারুণ্যের প্রতিনিধি হয়ে চট্টগ্রামের মীর হেলাল (৪২) বা যশোরের অমিতের (৪৪) মতো নেতারা আগামী দিনের নেতৃত্বের মহড়া দিচ্ছেন।
ভারতে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার রিয়াজ হামিদুল্লাহ জানান, ভারতের স্পিকার তারেক রহমানকে সেদেশে সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন এবং উভয় নেতা বাংলাদেশ ও ভারতের জনগণের কল্যাণে একসঙ্গে কাজ করার বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।
রাষ্ট্রপতির জারি করা জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ অনুযায়ী, গণভোটে হ্যাঁ বিজয়ী হলে নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা একই সাথে সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসাবেও কাজ করবেন। ৬০ সদস্যের কোরাম হলেই এই পরিষদ কাজ করতে পারে।
চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানের পর রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক নানা চড়াই-উতরাই পেরিয়েছে বাংলাদেশ। ২০২৫ সালের ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফেরেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। দীর্ঘ ১৭ বছর তিনি লন্ডনে অবস্থান করছিলেন। দেশে ফেরার পাঁচ দিনের মাথায়, ৩০ ডিসেম্বর, মারা যান তাঁর মা ও বাংলাদেশের তিনবারের প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া। শ
সংশ্লিষ্টদের তথ্যমতে, নতুন সরকার গঠনের পর আগামীকাল বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে অফিস করবেন নতুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। প্রথম কার্যদিবসে মন্ত্রিপরিষদ সদস্যদের সঙ্গে বিশেষ বৈঠক এবং সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময়সভা করবেন তিনি।
পূর্ণ মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্বপ্রাপ্ত ২৫ জনের মধ্যে সাতজন মন্ত্রী একাধিক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন। এ ছাড়া প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্বপ্রাপ্ত ২৪ জনের মধ্যে একাধিক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন নয়জন।
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৪টা ১২ মিনিটে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তারেক রহমানকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ পড়ান। পরে ৪টা ১৯ মিনিটে পূর্ণ মন্ত্রীদের শপথ পড়ান রাষ্ট্রপতি। এরপর তারা শপথ বইয়ে সই করেন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী ২৯৬ জন সংসদ সদস্যকে কোনো ধরনের রাজনৈতিক বিভাজন ছাড়াই শপথবাক্য পাঠ করিয়ে সংসদীয় ইতিহাসে নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন।
দায়িত্ব শেষ করার পর অবশ্যই দেশে থাকবেন বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমানের শপথের পর শপথ নিয়েছেন তার মন্ত্রিসভার পূর্ণমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্বপ্রাপ্ত ২৫ জন ও প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্বপ্রাপ্ত ২৪ জন। এরপর তারা গোপনীয়তার শপথও পাঠ করেন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী বিএনপির নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা শপথ গ্রহণ করেছেন। ইতোমধ্যে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন সরকারের মন্ত্রিসভায় ডাক পেয়েছেন ৪৯ জন। এ তালিকায় ২৫ জন মন্ত্রী ও ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী হিসেবে ডাক পেয়েছেন।
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৪টা ১২ মিনিটে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তাকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ পড়ান।
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৪টায় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় হবে মন্ত্রিসভার শপথ। এর আগেই মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে মন্ত্রিসভার মন্ত্রী হিসেবে ২৫ জন ও প্রতিমন্ত্রী হিসেবে ২৪ জনকে শপথের জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির সঙ্গে জোট বেঁধেছিল গণসংহতি আন্দোলন ও গণঅধিকার পরিষদ। এর মধ্যে গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি এবং গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর সংসদ সদস্যও নির্বাচিত হয়েছেন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ের পর বিএনপি সংসদীয় দলের সিদ্ধান্তে দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমান সংসদ নেতা নির্বাচিত হয়েছেন। ফলে তিনি দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন। নতুন সরকার গঠনের এই প্রেক্ষাপটে প্রধানমন্ত্রীর বেতন-ভাতা ও প্রাপ্য সুবিধা নিয়ে জনমনে কৌতূহল তৈরি হয়েছে।
বাটোয়ারার নির্বাচন মেনে নিয়ে বিরোধিতার নাটক বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছেন সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মাহফুজ আলম।
৪৯ সদস্যের নতুন মন্ত্রিসভায় ২৫ জন পূর্ণ মন্ত্রী এবং ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী থাকছেন। এর মধ্যে টেকনোক্র্যাট কোটায় দুজন মন্ত্রী এবং একজন প্রতিমন্ত্রী রাখা হয়েছে। মন্ত্রী হিসেবে আছেন আমিনুর রশিদ এবং ড. খলিলুর রহমান। আর আমিনুল হককে করা হচ্ছে প্রতিমন্ত্রী।