শিক্ষার্থীরা বলছেন, রোববার দিনভর আন্দোলন করার পর রাতেও তারা শিক্ষা ভবনের সামনেই অবস্থান নিয়ে আন্দোলন চালিয়ে গেছেন। অধ্যাদেশ জারির আগ পর্যন্ত এভাবেই তারা আন্দোলন চালিয়ে যাবেন।
সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী জয়নুল আবেদীন, ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজলসহ আরও বেশ কয়েকজন আইনজীবী এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন।
তিন যুবকের হাতে মোটেও সময় নেই। বেচারা সিম্পসন! আজীবন নিরীহ-নিরপরাধ ভারতীয়দের ওপর নির্মম নির্যাতন চালিয়ে এসেছেন। এ জন্য কতকিছু চিন্তা করে নির্যাতনের উপায় বের করতে হয়েছে। সেই মানুষটি নিজের শেষ সময়ে বিন্দুমাত্র ভাবনার সময়ও পেলেন না। তার দিকে তাক করা তিনটি রিভলবার থেকে ছয়টি বুলেট সিম্পসনের শরীর ভেদ করে
প্রেসিডেন্ট টালন বলেন, ‘আমি আমাদের সেনাবাহিনী ও এর নেতৃত্বের প্রশংসা করতে চাই, যারা দায়িত্ববোধ ও জাতির প্রতি অনুগত থেকেছেন।’ টেলিভিশনে তার বক্তব্য সরাসরি সম্প্রচারের সময় তাকে বেশ শান্ত দেখাচ্ছিল।
আজ যদি ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির দাবি মেনে এই মডেলে বিশ্ববিদ্যালয় গঠন করা হয়, তবে খুব দ্রুতই জেলা পর্যায়েও একই দাবি উঠবে। টাঙ্গাইল সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি, ময়মনসিংহ সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি কিংবা রাজশাহী কলেজ, বিএম কলেজ, সিলেটের এমসি কলেজের মতো প্রতিষ্ঠানগুলো নিয়েও বিশ্ববিদ্যালয় করার দাবি আসবে।
সাতটি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের ইস্যুটি এখন বহুমুখী সমস্যার জন্ম দিয়েছে। ঢাবির অধিভুক্ত করার পর ঢাবি ও সাত কলেজ ছিল দুটি পক্ষ। ঢাবির অধিভুক্তি থেকে বের হয়ে যখন এগুলো নিয়ে স্বতন্ত্র বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিষয়টি সামনে এলো, তখন যেন সংকট ডালপালা মেলেছে। এখন এই সাত কলেজ ঘিরে তৈরি হয়েছে পাঁচটি পক্ষ,
পদত্যাগ করা নেতারা হলেন— সাদুল্লাপুর ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতে হিন্দু শাখার সভাপতি মনোজ মল্লিক, সহসভাপতি বিমল বালা, উপদেষ্টা নারায়ণ হালদার এবং সদস্য দুলাল মল্লিক, সবুজ মল্লিক, সুভাষ মধু, প্রকাশ সরকার, প্রদীপ ঢালী ও শিশির মল্লিক।
তবে এ দিনের সবচেয়ে বড় ‘নাটক’ মঞ্চস্থ হয়েছিল যুদ্ধের ময়দানে নয়, বরং ঢাকার শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কক্ষে এবং নিউইয়র্কের জাতিসংঘের সদর দপ্তরে। খোদ পাকিস্তানি জেনারেল রাও ফরমান আলী রাওয়ালপিন্ডির অনুমতি ছাড়াই যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব পাঠিয়ে প্রমাণ করে দিয়েছিলেন যে, ‘খেলা শেষ’।
রোববার (৭ ডিসেম্বর) বেবিচকের একজন কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে বলেন, এফএআই অ্যাভিয়েশন গ্রুপের আবেদন গ্রহণ করে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সটি মঙ্গলবার সকাল ৮টার সময় নামার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এয়ার অ্যাম্বুলেন্সটি আবার রাত ৯টার দিতে ঢাকা থেকে রওয়ানা দিতে পারবে।
প্রথমবার এই গেমে অংশ নেওয়া মহিন রেসিং বুলসের লিয়াম লসনের নাম বেছে নেন। প্রতিযোগিতায় তিনি ১৮তম স্থান দখল করেন। তাতেই মহিন জিতে নেন আড়াই লাখ দিরহাম পুরস্কার।