বুধবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আদ্-দ্বীন হাসপাতালের জবাব তিনি পর্যালোচনা করেছেন। তবে সেখানে মূল বিষয়গুলোর স্পষ্ট উত্তর না দিয়ে নানা অপ্রাসঙ্গিক আলোচনা যুক্ত করা হয়েছে।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমার একটাই কথা, একটাকে সবাই মিলে মোকাবিলা করতেছি। অনেকটা এগোচ্ছি আরেকটা আসতেছে। আপনারা দয়া করে যার যার অবস্থান থেকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকবেন। ডেঙ্গুর প্রটোকল মেনটেইন করবেন’
বৈঠক শেষে সোমবার (৮ জুন) রাতে সরকারি কর্তৃপক্ষ এবং ইন্টার্ন ও পোস্ট গ্র্যাজুয়েট শিক্ষার্থীরা এক যৌথ ঘোষণায় এ কথা জানান। কর্মবিরতি প্রত্যাহারের ইন্টার্ন ও ট্রেইনি চিকিৎসকদের ভাতা বাড়ানো এবং স্বাস্থ্য সুরক্ষা আইন প্রণয়নসহ ছয় দাবিতে সারা দেশে আন্দোলন গড়ে তুলেছিলেন ইন্টার্ন ও ট্রেইনি চিকিৎসকরা।
সোমবার (৮ জুন) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে। এ সময় নতুন করে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ১৮৫ জন।
রাজধানীর আদ্-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের ভিত্তিতে কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে, তা মঙ্গলবার চূড়ান্ত হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেছেন, ‘জনস্বার্থে যে কোনো ধরনের সিদ্ধান্ত নিতে সরকার বিন্দুমাত্র পিছপা হবে না।’
এদিকে আদ্-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বিরুদ্ধে দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর যে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ দিয়েছিল, তার জবাব দিতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ আরও ৪৮ ঘণ্টা, তথা আগামী ৯ জুন পর্যন্ত সময় চেয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, হাসপাতালের অনুরোধে নোটিশের জবাব দেওয়ার জন্য তাদের
রোববার (৭জুন) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রকাশিত নিয়মিত হাম পরিস্থিতি প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। প্রতিবেদনে শনিবার সকাল ৮টা থেকে রোববার সকাল ৮টা পর্যন্ত সময়ের হিসাব তুলে ধরা হয়েছে।
শনিবার (৬ জুন) প্রকাশিত স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত বুলেটিন অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে শনিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত দেশে হামে আক্রান্ত হয়ে ৯১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া হামের উপসর্গ নিয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫২২ জনে।
হামের উপসর্গ নিয়ে দেশে আরও ৫ শিশু মারা গেছে। আর এ সময়ে নতুন করে হামে আক্রান্ত হয়েছে ২৪৩ শিশু। শেষ ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে ঢাকা বিভাগে মারা গেছে ৪ শিশু, আর বাকি শিশুটি সিলেট বিভাগের।
কুমিল্লা জেলায় বর্তমানে ৩৮৫ জন এইচআইভি আক্রান্ত ব্যক্তি চিকিৎসা নিচ্ছেন। মে মাসে আক্রান্ত তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছরের প্রথম পাঁচ মাসে জেলায় মোট মৃত্যু হলো সাতজনের।
বৃহস্পতিবার (৪ জুন) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত হাম পরিস্থিতি প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, বুধবার সকাল ৮টা থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত সময়ে এসব মৃত্যুর ঘটনা ঘটে।
বুধবার (৩ জুন) স্বাস্থ্য অধিদপ্তর প্রকাশিত সর্বশেষ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে। প্রতিবেদনে মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে আজ সকাল ৮টা পর্যন্ত মোট ২৪ ঘণ্টার হালনাগাদকৃত তথ্য জানানো হয়েছে।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, এখনও প্রতিদিন দু-একজন করে ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হচ্ছে। যেহেতু এই সময়ে ডেঙ্গু দেখা দেয়, এজন্য কালক্ষেপণ না করে তা মোকাবিলায় সর্বাত্মক প্রস্তুতি নিচ্ছি আমরা।
মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা কী কী কার্যক্রম করছি, কীভাবে করছি তা অ্যাটর্নি জেনারেলকে অবহিত করেছি। উনি আমাদেরকে আইনানুগ উপদেশ দিয়েছেন, ওনার পরামর্শ অনুযায়ী আমরা বাকি কাজগুলো করে যাব। তিন দিনের মধ্যে আমরা প্রতিবেদন পাব, তারপর আপনাদের বিস্তারিত জানাব।’
বিশ্বের অন্যতম মারাত্মক ক্যানসার হিসেবে পরিচিত অগ্ন্যাশয় (প্যানক্রিয়াস) ক্যানসার চিকিৎসায় এক অভাবনীয় ও যুগান্তকারী সাফল্যের দেখা মিলেছে। চিকিৎসা বিজ্ঞানীদের দাবি, দৈনিক মাত্র একটি ট্যাবলেট সেবনের মাধ্যমেই এই প্রাণঘাতী ক্যানসারে আক্রান্ত রোগীদের বেঁচে থাকার মেয়াদ দ্বিগুণ করা সম্ভব।
দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ সময়ে হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো মৃত্যু নেই।
অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, এ নিয়ে হাম ও হামের উপসর্গে মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৫৮৩ জন। এর মধ্যে নিশ্চিতভাবে হাম শনাক্ত হয়েছে ৯০ জনের শরীরে। অন্যদিকে শরীরে হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে ৪৯৩ জন।