এনসিপির কর্মসূচি ঘিরে সিলেটের ৫ উপজেলায় বিজিবি মোতায়েনের আবেদন

টানা দুই দিন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কর্মসূচি ঘিরে সিলেটের পাঁচ উপজেলায় বিজিবি মোতায়েনের আবেদন জানিয়েছে জেলা প্রশাসন। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এ আবেদন করা হয়েছে।
বুধবার (২৯ জুলাই) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও বিজিবি সদর দপ্তর বরাবর এ আবেদন করে চিঠি পাঠিয়েছেন সিলেটের জেলা প্রশাসক আব্দুল্লাহ আল মামুন।
আজ বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) ও আগামীকাল শুক্রবার (৩১ জুলাই) সিলেটের গোলাপগঞ্জ, জৈন্তাপুর, গোয়াইনঘাট, কানাইঘাট ও কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় পদযাত্রা করবে এনসিপি।
জেলা প্রশাসক বলেন, বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার দুই দিনের জন্য জেলার পাঁচ উপজেলায় বিজিবি মোতায়েন চেয়ে ঢাকায় আবেদন করা হয়েছে।
সিলেটের পুলিশ সুপার চৌধুরী মো. যাবের সাদেক বলেন, সীমান্তবর্তী উপজেলাগুলোতে রাতে কর্মসূচি দেওয়া হয়েছে। তাই সতর্কতা হিসেবে বিজিবি চাওয়া হয়েছে।
এর আগে বুধবার দুপুরে সংবাদ সম্মেলন করে সিলেট জেলা এনিসিপির আহ্বায়ক মো. জুনেদ আহমদ বলেন, বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার আমাদের পদযাত্রা রয়েছে সিলেটের পাঁচ উপজেলায়। এসব কর্মসূচিতে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটলে এর দায় প্রশাসন ও সরকারকে নিতে হবে।
এর আগে মঙ্গলবার হবিগঞ্জে এনসিপির পদযাত্রায় হামলার ঘটনা ঘটে। এনসিপির অভিযোগ, জেলা ছাত্রদল এ হামলা চালিয়েছে। তবে জেলা ছাত্রদলের দাবি, এনসিপি নেতারা তাদের কর্মসূচিতে উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ায় স্থানীয় জনতা তাদের ওপর হামলা করে।
এ ঘটনায় এনসিপি ফের বুধবার হবিগঞ্জে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ কর্মসূচি ঘোষণা করে। এ দিন হবিগঞ্জ জেলা ছাত্রদলও শহরে সমাবেশের ঘোষণা দেয়৷ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিবেচনায় জেলা প্রশাসন হবিগঞ্জ শহরে ১৪৪ ধারা জারি করে।
১৪৪ ধারা উপেক্ষা করে কর্মসূচি পালন করতে মৌলভীবাজার থেকে রওয়ানা দিয়েছিলেন এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতারা৷ শ্রীমঙ্গলে তাদের আটকে দেয় পুলিশ। সেখানে এক ঘণ্টা বাগবিতণ্ডার পর তারা ফের হবিগঞ্জের পথে রওয়ানা দেন।
পরে হবিগঞ্জ পৌঁছানোর আগে আরও দুই জায়গায় বাধার মুখে পড়েন এনসিপি নেতারা৷ শেষ পর্যন্ত বাহুবল উপজেলার কামাইছড়া পুলিশ ফাঁড়িতে হবিগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপারের উপস্থিতিতে এনসিপি নেতারা অভিযোগ দায়ের করে ফিরে যান।





















