
ঝালকাঠি প্রতিনিধি

প্রেমিকা বাসা থেকে নুডুলস নিয়ে আসেন প্রেমিকের জন্য। প্রেমিকা ভালোবেসে খাবার এনেছে আর প্রেমিক তা খাবে না, তা কি হয়! বেশ স্বাচ্ছন্দ্যেই প্রেমিক খেয়েছিলেন সেই নুডুলস। তবে তিনি জানতেন না যে, সেই নুডুলস খাওয়াই কাল হতে পারে তার জন্য। আর হয়েছেও তাই। প্রেমিকার আনা সেই নুডুলস খেয়েই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়লেন প্রেমিক কলেজছাত্র সজল দেবনাথ (১৯)।
এমন ঘটনা ঘটেছে ঝালকাঠিতে। সজলের এমন রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
জানা গেছে, সোমবার (১১ নভেম্বর) সকালে ঝালকাঠি সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সজলের মৃত্যু হয়। তিনি ঝালকাঠি সরকারি কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্র ও ঝালকাঠি সদরের জেলেপাড়া এলাকার বাসিন্দা সনাতন দেবনাথের ছোট ছেলে।
সজলের পরিবার জানায়, রোববার রাতে জগদ্ধাত্রী পূজার উৎসবে অংশ নিয়ে সজল বাড়ি ফিরে ঘুমিয়ে পড়েন। রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে হঠাৎ অস্বাভাবিক আওয়াজ পেয়ে পরিবারের সদস্যরা তার কক্ষে গিয়ে দেখেন, সজলের পা বাঁধা অবস্থায় এবং তার কথিত প্রেমিকা খাটের নিচে লুকিয়ে আছেন। দ্রুত তাকে ঝালকাঠি সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়, কিন্তু চিকিৎসকদের চেষ্টা সত্ত্বেও তাকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি।
সজলের বড় বোন অভিযোগ করেন, কথিত এক প্রেমিকা তার বাসা থেকে সজলের জন্য নুডুলস নিয়ে আসেন, যা খাওয়ার পরই সজলের শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। পরিবারের ধারণা, নুডুলসে কোনো বিষাক্ত পদার্থ থাকতে পারে, যা সজলের মৃত্যুর কারণ হতে পারে।
সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার এটিএম মেহেদী হাসান সামি জানান, গভীর রাতে হাসপাতালে আনার পর দীর্ঘক্ষণ চিকিৎসা করা হলেও সজলকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি। ময়নাতদন্ত ছাড়া মৃত্যুর সঠিক কারণ নির্ধারণ করা সম্ভব নয়।
সদর থানার ওসি মনিরুজ্জামান জানান, এই রহস্যজনক মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নির্ণয়ের জন্য ঝালকাঠি সদর থানার পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

প্রেমিকা বাসা থেকে নুডুলস নিয়ে আসেন প্রেমিকের জন্য। প্রেমিকা ভালোবেসে খাবার এনেছে আর প্রেমিক তা খাবে না, তা কি হয়! বেশ স্বাচ্ছন্দ্যেই প্রেমিক খেয়েছিলেন সেই নুডুলস। তবে তিনি জানতেন না যে, সেই নুডুলস খাওয়াই কাল হতে পারে তার জন্য। আর হয়েছেও তাই। প্রেমিকার আনা সেই নুডুলস খেয়েই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়লেন প্রেমিক কলেজছাত্র সজল দেবনাথ (১৯)।
এমন ঘটনা ঘটেছে ঝালকাঠিতে। সজলের এমন রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
জানা গেছে, সোমবার (১১ নভেম্বর) সকালে ঝালকাঠি সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সজলের মৃত্যু হয়। তিনি ঝালকাঠি সরকারি কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্র ও ঝালকাঠি সদরের জেলেপাড়া এলাকার বাসিন্দা সনাতন দেবনাথের ছোট ছেলে।
সজলের পরিবার জানায়, রোববার রাতে জগদ্ধাত্রী পূজার উৎসবে অংশ নিয়ে সজল বাড়ি ফিরে ঘুমিয়ে পড়েন। রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে হঠাৎ অস্বাভাবিক আওয়াজ পেয়ে পরিবারের সদস্যরা তার কক্ষে গিয়ে দেখেন, সজলের পা বাঁধা অবস্থায় এবং তার কথিত প্রেমিকা খাটের নিচে লুকিয়ে আছেন। দ্রুত তাকে ঝালকাঠি সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়, কিন্তু চিকিৎসকদের চেষ্টা সত্ত্বেও তাকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি।
সজলের বড় বোন অভিযোগ করেন, কথিত এক প্রেমিকা তার বাসা থেকে সজলের জন্য নুডুলস নিয়ে আসেন, যা খাওয়ার পরই সজলের শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। পরিবারের ধারণা, নুডুলসে কোনো বিষাক্ত পদার্থ থাকতে পারে, যা সজলের মৃত্যুর কারণ হতে পারে।
সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার এটিএম মেহেদী হাসান সামি জানান, গভীর রাতে হাসপাতালে আনার পর দীর্ঘক্ষণ চিকিৎসা করা হলেও সজলকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি। ময়নাতদন্ত ছাড়া মৃত্যুর সঠিক কারণ নির্ধারণ করা সম্ভব নয়।
সদর থানার ওসি মনিরুজ্জামান জানান, এই রহস্যজনক মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নির্ণয়ের জন্য ঝালকাঠি সদর থানার পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, সকালে উড়ালসড়কের সিঁড়ির কাছে এক যুবককে ছিনতাইকারী সন্দেহে আটক করেন কয়েকজন। তাঁর বয়স আনুমানিক ২২ থেকে ২৫ বছরের মধ্যে বলে ধারণা করা হচ্ছে। পরে তাকে ঘিরে জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে মারধর শুরু হয়। একপর্যায়ে গুরুতর আহত হয়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
৫ ঘণ্টা আগে
চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার ইকবাল হোসেন বলেন, প্রাথমিকভাবে চিকিৎসকদের ধারণা, নুরুল আলম ‘ম্যাসিভ হার্ট অ্যাটাকে’ মারা গেছেন। ময়নাতদন্ত শেষে তার মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
৭ ঘণ্টা আগে
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে একটি মসজিদের ইমাম মো. আমির হোসেনের (৪৩) ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। উপজেলার সোনাইছড়ি ইউনিয়নের বাংলাবাজার ঘোড়ামারা এলাকার রাজা মিয়া সওদাগর জামে মসজিদ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
৮ ঘণ্টা আগে