
খুলনা প্রতিনিধি

সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণে আয়োজিত নাগরিক শোক সভায় বক্তারা বলেছেন, খালেদা জিয়া ছিলেন বাংলাদেশের গণতন্ত্রের বাতিঘর। আজ সেই বাতিঘরের আলো নিভে গেছে, কিন্তু তাঁর দেখানো পথ কোনো দিন হারিয়ে যাবে না। ইতিহাস তাঁকে স্মরণ রাখবে আপসহীন নেতৃত্ব, অদম্য সাহস, ত্যাগ ও জনগণের অধিকারের এক অবিস্মরণীয় প্রতীক হিসেবে।
আজ বুধবার বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণে খুলনা মহানগর বিএনপির উদ্যোগে নগরীর শহীদ হাদিস পার্কে আয়োজিত নাগরিক শোক সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন।
তারা বলেন, একজন সাধারণ গৃহিণী থেকে রাষ্ট্রনায়কে পরিণত হওয়ার যে অনন্য ইতিহাস, বেগম খালেদা জিয়া তা নিজের জীবন দিয়ে রচনা করে গেছেন। তিনি ক্ষমতার মোহে রাজনীতিতে আসেননি; ইতিহাসের নির্মম ডাকেই তাঁকে নেতৃত্বের ভার কাঁধে তুলে নিতে হয়েছিল। স্বামী শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে হারানোর শোক তাঁকে ভেঙে দেয়নি, বরং সেই শোককে শক্তিতে রূপান্তর করে তিনি হয়ে উঠেছিলেন নিপীড়িত মানুষের আশ্রয়স্থল ও গণতন্ত্রকামী মানুষের ভরসার নাম।
বক্তারা আরও বলেন, আজ আমরা দাঁড়িয়ে আছি এক গভীর বেদনাবিধুর মুহূর্তে। এই শোক কেবল একজন মানুষের বিদায়ের শোক নয়, এটি একটি যুগের অবসান, একটি সংগ্রামী অধ্যায়ের সমাপ্তি, একটি আপসহীন কণ্ঠের নীরব হয়ে যাওয়া।
সভায় খুলনা মহানগর বিএনপির সভাপতি ও বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য এডভোকেট শফিকুল আলম মনা সভাপতিত্ব করেন।
বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির তথ্য বিষয়ক সম্পাদক আজিজুল বারী হেলাল বলেন, স্বৈরাচারের রক্তচক্ষু, কারাগারের নির্যাতন, অবরোধ, মামলা-হামলা কিছুই দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে মাথা নত করাতে পারেনি। কারণ তিনি জানতেন, ক্ষমতা ক্ষণস্থায়ী; কিন্তু জনগণের ভোটাধিকার ও মানুষের অধিকার চিরন্তন।
তিনি বলেন, গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার আন্দোলনে খালেদা জিয়ার অবদান ইতিহাসের পাতায় স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে। তিনবারের প্রধানমন্ত্রী হয়েও তিনি কখনো প্রতিহিংসার রাজনীতি করেননি। ক্ষমতায় থাকুন কিংবা বিরোধীদলে, সব সময় তিনি ছিলেন একজন রাষ্ট্রনায়কের মতো দৃঢ় ও মর্যাদাবান। দীর্ঘ অসুস্থতা, বন্দিত্ব আর অবিচারের কঠিন অধ্যায়েও তিনি নত হননি, এই দৃঢ়তাই তাঁকে অনন্য উচ্চতায় অধিষ্ঠিত করেছে।
খুলনা মহানগর বিএনপির সাবেক সভাপতি নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার রাজনীতি ছিল মানুষের ভোটাধিকার, বাকস্বাধীনতা ও ন্যায়বিচারের রাজনীতি। এই আদর্শ বুকে ধারণ করাই হবে তাঁর প্রতি প্রকৃত শ্রদ্ধা।
নাগরিক শোক সভায় শোক প্রস্তাব পাঠ করেন মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শফিকুল আলম তুহিন। মহানগর ওলামা দলের আহ্বায়ক মাওলানা আবু নাঈমের পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে শুরু হওয়া শোক সভায় বক্তব্য রাখেন খুলনা সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র ও বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য মনিরুজ্জামান মনি, খুলনা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান মন্টু, ড্যাব খুলনার সভাপতি ডা. রফিকুল হক বাবলু, খুলনা প্রেসক্লাবের আহ্বায়ক এনামুল হক, মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়ন খুলনার সভাপতি রাশিদুল ইসলাম প্রমুখ।
শোক সভা শেষে মরহুমা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণে আয়োজিত নাগরিক শোক সভায় বক্তারা বলেছেন, খালেদা জিয়া ছিলেন বাংলাদেশের গণতন্ত্রের বাতিঘর। আজ সেই বাতিঘরের আলো নিভে গেছে, কিন্তু তাঁর দেখানো পথ কোনো দিন হারিয়ে যাবে না। ইতিহাস তাঁকে স্মরণ রাখবে আপসহীন নেতৃত্ব, অদম্য সাহস, ত্যাগ ও জনগণের অধিকারের এক অবিস্মরণীয় প্রতীক হিসেবে।
আজ বুধবার বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণে খুলনা মহানগর বিএনপির উদ্যোগে নগরীর শহীদ হাদিস পার্কে আয়োজিত নাগরিক শোক সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন।
তারা বলেন, একজন সাধারণ গৃহিণী থেকে রাষ্ট্রনায়কে পরিণত হওয়ার যে অনন্য ইতিহাস, বেগম খালেদা জিয়া তা নিজের জীবন দিয়ে রচনা করে গেছেন। তিনি ক্ষমতার মোহে রাজনীতিতে আসেননি; ইতিহাসের নির্মম ডাকেই তাঁকে নেতৃত্বের ভার কাঁধে তুলে নিতে হয়েছিল। স্বামী শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে হারানোর শোক তাঁকে ভেঙে দেয়নি, বরং সেই শোককে শক্তিতে রূপান্তর করে তিনি হয়ে উঠেছিলেন নিপীড়িত মানুষের আশ্রয়স্থল ও গণতন্ত্রকামী মানুষের ভরসার নাম।
বক্তারা আরও বলেন, আজ আমরা দাঁড়িয়ে আছি এক গভীর বেদনাবিধুর মুহূর্তে। এই শোক কেবল একজন মানুষের বিদায়ের শোক নয়, এটি একটি যুগের অবসান, একটি সংগ্রামী অধ্যায়ের সমাপ্তি, একটি আপসহীন কণ্ঠের নীরব হয়ে যাওয়া।
সভায় খুলনা মহানগর বিএনপির সভাপতি ও বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য এডভোকেট শফিকুল আলম মনা সভাপতিত্ব করেন।
বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির তথ্য বিষয়ক সম্পাদক আজিজুল বারী হেলাল বলেন, স্বৈরাচারের রক্তচক্ষু, কারাগারের নির্যাতন, অবরোধ, মামলা-হামলা কিছুই দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে মাথা নত করাতে পারেনি। কারণ তিনি জানতেন, ক্ষমতা ক্ষণস্থায়ী; কিন্তু জনগণের ভোটাধিকার ও মানুষের অধিকার চিরন্তন।
তিনি বলেন, গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার আন্দোলনে খালেদা জিয়ার অবদান ইতিহাসের পাতায় স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে। তিনবারের প্রধানমন্ত্রী হয়েও তিনি কখনো প্রতিহিংসার রাজনীতি করেননি। ক্ষমতায় থাকুন কিংবা বিরোধীদলে, সব সময় তিনি ছিলেন একজন রাষ্ট্রনায়কের মতো দৃঢ় ও মর্যাদাবান। দীর্ঘ অসুস্থতা, বন্দিত্ব আর অবিচারের কঠিন অধ্যায়েও তিনি নত হননি, এই দৃঢ়তাই তাঁকে অনন্য উচ্চতায় অধিষ্ঠিত করেছে।
খুলনা মহানগর বিএনপির সাবেক সভাপতি নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার রাজনীতি ছিল মানুষের ভোটাধিকার, বাকস্বাধীনতা ও ন্যায়বিচারের রাজনীতি। এই আদর্শ বুকে ধারণ করাই হবে তাঁর প্রতি প্রকৃত শ্রদ্ধা।
নাগরিক শোক সভায় শোক প্রস্তাব পাঠ করেন মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শফিকুল আলম তুহিন। মহানগর ওলামা দলের আহ্বায়ক মাওলানা আবু নাঈমের পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে শুরু হওয়া শোক সভায় বক্তব্য রাখেন খুলনা সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র ও বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য মনিরুজ্জামান মনি, খুলনা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান মন্টু, ড্যাব খুলনার সভাপতি ডা. রফিকুল হক বাবলু, খুলনা প্রেসক্লাবের আহ্বায়ক এনামুল হক, মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়ন খুলনার সভাপতি রাশিদুল ইসলাম প্রমুখ।
শোক সভা শেষে মরহুমা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।

পরিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, দুর্ঘটনার প্রায় চার ঘণ্টা পরও জাহাজের ভেতরে হাইড্রোজেন সালফাইডের মাত্রা ছিল ১০ দশমিক ৮ পিপিএম। দুর্ঘটনার সময় এর মাত্রা ১০০ পিপিএমেরও বেশি ছিল বলে ধারণা করছেন তারা। বলছেন, এত বেশি মাত্রার হাইড্রোজেন সালফাইডের সংস্পর্শে এলে এক থেকে তিন মিনিটের মধ্যেই আক্রান্ত ব্যক্তির
১ দিন আগে
এর আগে দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে শুক্রবার রাতে ৯ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করে দেন চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিয়া। অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সৈয়দ মাহাবুবুল হককে আহ্বায়ক ও সীতাকুণ্ডের সহকারী কমিশনার (ভূমি) আব্দুল্লাহ আল মামুনকে সদস্যসচিবের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে তদন্ত কমিটিতে।
১ দিন আগে
মেহেরপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ুন কবির জানান, উদ্ধার করা বস্তুগুলো পানিভর্তি বালতিতে সংরক্ষণ করে সদর থানায় নেওয়া হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে বস্তুগুলো দেখতে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার সাউন্ড বক্সের মতো মনে হচ্ছে।
১ দিন আগে
কলকারখানা পরিদর্শন অধিদপ্তরের উপমহাপরিদর্শক মাহবুবুল হাসান নিহতের সংখ্যা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ১০ জন শ্রমিক অসুস্থ হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। তাদের মধ্যে ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে।
২ দিন আগে