
রাজশাহী ব্যুরো

দেয়ালে শিক্ষককে নিয়ে আপত্তিকর কথা লেখার জেরে স্বীকারোক্তি আদায়ের জন্য শ্রেণিকক্ষের সব ছাত্রীকেই পিটিয়েছেন রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার এক স্কুল শিক্ষক। রোববার উপজেলার ভাটোপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এই পেটানোর ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় সোমবার অভিযুক্ত শিক্ষক আজিজুল হককে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছেন উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা।
এলাকাবাসী জানায়, বিদ্যালয়ের দেয়ালে শিক্ষক আজিজুল হককে ব্যঙ্গ করে কিছু কথা লেখা ছিল। ক্লাসে ঢুকে ওই লেখাগুলো চোখে পড়ে আজিজুল হকের। এ নিয়ে তিনি শিক্ষার্থীদের উপর ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। কিন্তু কেউ স্বীকার করেনি কার লেখা। তাই স্বীকারোক্তি আদায়ে শ্রেণিকক্ষের সব ছাত্রীকে পিটিয়েছেন তিনি। তবে কোনো ছাত্রকে মারধর করা হয়নি। পরে শরীরে পেটানোর দগদগে আঘাতের চিহ্ন নিয়ে ছাত্রীরা বাড়ি গেলে অভিভাবকেরা তা দেখে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। এরমধ্যে এক ছাত্রীর বাবা লিখিত অভিযোগ করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আবুল হায়াতের কাছে। ইউএনও শিক্ষা কর্মকর্তাকে অভিযোগ তদন্ত করতে দেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে সহকারী শিক্ষক আজিজুল হক বলেন, ‘আমি ক্লাস নিলে এই শিক্ষার্থীরা হইচই করে। কিন্তু কয়েকদিন আগে গিয়ে দেখলাম আরেক শিক্ষকের ক্লাসে তারা সুন্দরভাবেই বসে আছে। আমি জানতে চাইলাম, আমার ক্লাসে কেন তারা হইচই করে। তখন এক ছাত্রী দাঁড়িয়ে বলে, স্যার, আপনি তো একটা গাধা স্যার। অন্য একজন শিক্ষকের সামনে ছাত্রীর মুখে এ কথা শুনে আমার মন খারাপ হয়। পরদিন দেখি শ্রেণিকক্ষের দেয়ালে আমার সম্পর্কে আপত্তিকর কথা লেখা। আমার ধারণা এটা ছাত্রীরাই লিখেছে। তাই ১৫-১৬ জন ছাত্রীকে আমি মেরেছি। এর মধ্যে একজনের শরীরে দাগ বসে গেছে।’
এ বিষয়ে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা আল-মামুন জানান, অভিযোগ পেয়ে সোমবার তিনি সরেজমিন তদন্তে স্কুলে গিয়েছিলেন। সেখানে অভিযোগের সত্যতাও পেয়েছেন। এ নিয়ে শিক্ষক আজিজুল হকে শোকজ করা হলে লিখিত অভিযোগ স্বীকার করে নিয়েছেন। তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয়া হয়েছে। জবাব পাওয়ার পর ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে পরবর্তী ব্যবস্থ নেয়া হবে।

দেয়ালে শিক্ষককে নিয়ে আপত্তিকর কথা লেখার জেরে স্বীকারোক্তি আদায়ের জন্য শ্রেণিকক্ষের সব ছাত্রীকেই পিটিয়েছেন রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার এক স্কুল শিক্ষক। রোববার উপজেলার ভাটোপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এই পেটানোর ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় সোমবার অভিযুক্ত শিক্ষক আজিজুল হককে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছেন উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা।
এলাকাবাসী জানায়, বিদ্যালয়ের দেয়ালে শিক্ষক আজিজুল হককে ব্যঙ্গ করে কিছু কথা লেখা ছিল। ক্লাসে ঢুকে ওই লেখাগুলো চোখে পড়ে আজিজুল হকের। এ নিয়ে তিনি শিক্ষার্থীদের উপর ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। কিন্তু কেউ স্বীকার করেনি কার লেখা। তাই স্বীকারোক্তি আদায়ে শ্রেণিকক্ষের সব ছাত্রীকে পিটিয়েছেন তিনি। তবে কোনো ছাত্রকে মারধর করা হয়নি। পরে শরীরে পেটানোর দগদগে আঘাতের চিহ্ন নিয়ে ছাত্রীরা বাড়ি গেলে অভিভাবকেরা তা দেখে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। এরমধ্যে এক ছাত্রীর বাবা লিখিত অভিযোগ করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আবুল হায়াতের কাছে। ইউএনও শিক্ষা কর্মকর্তাকে অভিযোগ তদন্ত করতে দেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে সহকারী শিক্ষক আজিজুল হক বলেন, ‘আমি ক্লাস নিলে এই শিক্ষার্থীরা হইচই করে। কিন্তু কয়েকদিন আগে গিয়ে দেখলাম আরেক শিক্ষকের ক্লাসে তারা সুন্দরভাবেই বসে আছে। আমি জানতে চাইলাম, আমার ক্লাসে কেন তারা হইচই করে। তখন এক ছাত্রী দাঁড়িয়ে বলে, স্যার, আপনি তো একটা গাধা স্যার। অন্য একজন শিক্ষকের সামনে ছাত্রীর মুখে এ কথা শুনে আমার মন খারাপ হয়। পরদিন দেখি শ্রেণিকক্ষের দেয়ালে আমার সম্পর্কে আপত্তিকর কথা লেখা। আমার ধারণা এটা ছাত্রীরাই লিখেছে। তাই ১৫-১৬ জন ছাত্রীকে আমি মেরেছি। এর মধ্যে একজনের শরীরে দাগ বসে গেছে।’
এ বিষয়ে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা আল-মামুন জানান, অভিযোগ পেয়ে সোমবার তিনি সরেজমিন তদন্তে স্কুলে গিয়েছিলেন। সেখানে অভিযোগের সত্যতাও পেয়েছেন। এ নিয়ে শিক্ষক আজিজুল হকে শোকজ করা হলে লিখিত অভিযোগ স্বীকার করে নিয়েছেন। তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয়া হয়েছে। জবাব পাওয়ার পর ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে পরবর্তী ব্যবস্থ নেয়া হবে।

বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফেরদৌস হোসেন শনিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বলেন, কলকাতা থেকে রওনা দেওয়ার পর দুই থেকে তিন ঘণ্টার মধ্যে মরদেহ ৫টি বেনাপোলে পৌঁছাতে পারে। তবে ঠিক কখন মরদেহগুলো সীমান্তে পৌঁছাবে, তা এখনো নিশ্চিত নয়।
৯ ঘণ্টা আগে
হাওর অঞ্চলে বর্ষা ও শুষ্ক মৌসুমের ভিন্ন ভিন্ন বাস্তবতার কারণে সারা বছর সহজ যোগাযোগব্যবস্থা নিশ্চিত করা কঠিন। সেতুটি নির্মিত হলে অষ্টগ্রাম, ইটনা ও মিঠামইন থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া হয়ে ঢাকা, সিলেট ও চট্টগ্রামসহ দেশের গুরুত্বপূর্ণ জেলা ও অঞ্চলের সঙ্গে সরাসরি সড়ক যোগাযোগের নতুন দ্বার উন্মোচিত হবে।
১৩ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আদমপুর বাজারের ওষুধ ব্যবসায়ী শিব্বির আহমেদ ও একই গ্রামের বাছির মিয়ার মধ্যে মাছ কেনাকে কেন্দ্র করে প্রথমে কথা-কাটাকাটি হয়। পরে উভয় পক্ষের লোকজন বাজারে এসে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। প্রায় ৩০ মিনিট ধরে চলা সংঘর্ষে অন্তত ১৫ জন আহত হন।
১ দিন আগে
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মৃণাল কান্তি বলেন, বৃহস্পতিবার বেলা ২টায় স্কুল ছুটি হয়। সন্ধ্যা ৭টার দিকে বাথরুম থেকে শব্দ শুনতে পেয়ে নির্মাণ শ্রমিকেরা সেখানে যান। পরে তারা বাথরুমের দরজা ভেঙে ওই ছাত্রীকে উদ্ধার করেন।
১ দিন আগে