আ.লীগ কর্মীকে বিএনপিতে পুনর্বাসন: দুর্গাপুরে বিএনপির দুপক্ষের সংঘর্ষে আহত ৩

রাজশাহী প্রতিনিধি
বিএনপির দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় তিনজন আহত হয়েছেন। ছবি: সংগৃহীত

রাজশাহীর দুর্গাপুরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের এক কর্মীকে বিএনপিতে পুনর্বাসনের অভিযোগের ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে তিনজন আহত হয়েছেন।

সোমবার (১২ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় উপজেলার ঝালুকা ইউনিয়নের চৌপুকুরিয়া এলাকায় এ সংঘর্ষ হয়।

আহতরা হলেন—চৌপুকুরিয়া গ্রামের শাহেদ আলী, রেজাউল ইসলাম (৪৫) ও তার ছেলে ইমন (২০)। তাদের উদ্ধার করে দুর্গাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রেজাউল ইসলাম স্থানীয় আওয়ামী লীগ কর্মীদের বিএনপিতে আশ্রয় দিচ্ছেন— এমন অভিযোগ তোলেন বিএনপি কর্মী বাক্কার। এ অভিযোগকে কেন্দ্র করে সোমবার বিকেলে কাঁঠালবাড়িয়া বাজারে উভয় পক্ষের মধ্যে প্রথমে বাকবিতণ্ডা ও ধাক্কাধাক্কির ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ওই ঘটনার জেরে সন্ধ্যার দিকে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে দুই পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে বাক্কারের ভাই শাহেদ আলীসহ রেজাউল ইসলাম ও তার ছেলে ইমন আহত হন।‎

‎দুর্গাপুর থানার ওসি (তদন্ত) রফিকুল ইসলাম বলেন, ঘটনার বিষয়ে পুলিশ অবগত রয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত থানায় কেউ লিখিত অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।‎‎

ad
ad

মাঠের রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন

নারায়ণগঞ্জে পূর্বশত্রুতার জেরে বাবুর্চিকে কুপিয়ে হত্যা

১০ ঘণ্টা আগে

বিয়ের দাওয়াতে যাওয়া নিয়ে দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষ, নিহত ১

নাসিরনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিনুর ইসলাম জানান, পূর্ব বিরোধের জেরে সংঘর্ষে একজন নিহত হয়েছেন। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হবিগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

১ দিন আগে

পার্থর আসন থেকে সরে দাঁড়ালেন বিএনপির প্রার্থী

দলীয় সূত্র জানায়, প্রাথমিকভাবে গোলাম নবী আলমগীরকে এই আসনে বিএনপির দলীয় প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দেয়া হয়েছিল। তবে যুগপৎ আন্দোলনের শরিকদের সঙ্গে আসন ভাগাভাগির চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে ভোলা-১ আসনটি আন্দালিভ রহমান পার্থকে ছেড়ে দেয়ার ঘোষণা দেয় বিএনপি। জোটের ঐক্য বজায় রাখতে এবং একক প্রার্থী নিশ্চিত করতে গোলাম নবী

১ দিন আগে

সরকারি বরাদ্দের অর্ধেক রাখে এমপিরা: রুমিন

ব্যক্তিগত প্রসঙ্গে রুমিন ফারহানা যোগ করেন, আমার পরিবারের কেউ দেশে নেই, আত্মীয়রা বিদেশে। তাই আমার পিছুটান নেই, কেউ লাইনে দাঁড়াবে না ফল নেওয়ার জন্য। নির্বাচন যে করতেসি বিদেশের আত্মীয় স্বজনরা উল্টো আমাকে সামান্য সহযোগিতা করতেসে। তারা এদেশে আসবে না জয়ী হওয়ার পর ফল নেওয়ার জন্য। সেই ফল কিন্তু আমার এলাকা

১ দিন আগে