
রাজশাহী ব্যুরো

ছয়দফা দাবিতে বিক্ষোভ-সমাবেশ করেছেন রাজশাহী বৈষম্যবিরোধী মেডিকেল টেকনোলজি ও ফার্মেসি ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ। আজ বৃহস্পতিবার সকালে নগরের সাহেববাজার জিরোপয়েন্টে এ কর্মসূচি পালন করেন তারা। দুপুর পর্যন্ত চলা এ কর্মসূচিতে রাজশাহীর ইনস্টিটিউট অব হেলথ টেকনোলজিসহ (আইএইচটি) বিভিন্ন মেডিকেল এসিসট্যান্ট ট্রেনিং স্কুলের শিক্ষার্থীরা অংশ নেন। এসময় দাবি মানা না হলে এবার মহাসড়ক অবরোধ করে রাজপথ অচল করে দেওয়ার হুশিয়ারি দেন তারা।
দাবিগুলো হলো- স্বতন্ত্র পরিদপ্তর গঠন করা, ডিপ্লোমাধারীদের দশম গ্রেড পদমর্যাদা প্রদান করা, গ্র্যাজুয়েট মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্টদের নবম গ্রেডের পদসৃষ্টি, ঢাকা আইএইচটিকে বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব মেডিকেল সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি হিসেবে নামকরণ করে বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তর করা; মেডিকেল টেকনোলজি কাউন্সিল গঠনের মাধ্যমে পেশাদার লাইসেন্স প্রদান, ডিপ্লোমা মেডিকেল এডুকেশন বোর্ড গঠন এবং স্কলারশিপসহ প্রশিক্ষণ ভাতা চালু করা।
এসময় শিক্ষার্থীরা তাদের ৬ দফা দাবি অন্তর্বতী সরকারের কাছে তুলে ধরেন এবং সেগুলো না মানা হলে আরো কঠোর কর্মসূচি দেওয়ার কথা জানান।
এর আগে শিক্ষার্থীরা রাজশাহী ইনস্টিটিউট অব হেলথ্ টেকনোলজি (আইএইচটি) হতে বিক্ষোভ মিছিল বের করে পায়ে হেঁটে এসে সাহেববাজার জিরো পয়েন্টে এসে মিলিত হয়ে রাস্তা অবরোধ ও বিক্ষোভ করে বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকে।
এছাড়াও সড়কে শুয়ে প্রতীকী লাশের উপর লাল সবুজের পতাকা বুকের উপর বিছিয়ে দিয়ে দাবি আদায়ের স্লোগান দিতে থাকেন। এসময় রাস্তায় যানজটের সৃষ্টি হয়। এতে রিকশা-অটোরিকশা, মোটরসাইকেলসহ অন্যান্য ছোট যানবাহনগুলো ভেতরের অলিগলির রাস্তা দিয়ে চলে যায়।
বৈষম্যবিরোধী মেডিকেল টেকনোলজি ও ফার্মেসি ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ আন্দোলনরত শিক্ষার্থী আবু সাঈদ বলেন, আমাদের দাবি ৬ টি। দাবিগুলো দীর্ঘদিন থেকে জানিয়ে আসলেও কোনো সাড়া পাইনি। ফ্যাসিবাদী সরকার আওয়ামী লীগের আমলে আন্দোলন সংগ্রাম করলেও কোনো কাজ হয়নি। ফলে গত ৪ নভেম্বর চট্টগ্রামে স্বাস্থ্য উপদেষ্টার কাছে তাদের ছয়দফা দাবি উপস্থাপন করা হয়েছে। একই দিন একটি প্রতিনিধিদল স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের সাথে দাবি নিয়ে আলোচনা করেন। ৫ নভেম্বর স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের সাথে আনুষ্ঠানিক আলোচনা সভাও হয়। সভায় মহাপরিচালক দাবি বাস্তবায়নের আশ্বাস দিয়েছেন। কিন্তু পাঁচদিন অতিবাহিত হলেও স্বাস্থ্য অধিদপ্তর দৃশ্যমান কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি। ফলে অতি দ্রুত দাবি বাস্তবায়ন না হলে দেশব্যাপী বৃহত্তর কর্মসূচি দেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন শিক্ষার্থীরা।

ছয়দফা দাবিতে বিক্ষোভ-সমাবেশ করেছেন রাজশাহী বৈষম্যবিরোধী মেডিকেল টেকনোলজি ও ফার্মেসি ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ। আজ বৃহস্পতিবার সকালে নগরের সাহেববাজার জিরোপয়েন্টে এ কর্মসূচি পালন করেন তারা। দুপুর পর্যন্ত চলা এ কর্মসূচিতে রাজশাহীর ইনস্টিটিউট অব হেলথ টেকনোলজিসহ (আইএইচটি) বিভিন্ন মেডিকেল এসিসট্যান্ট ট্রেনিং স্কুলের শিক্ষার্থীরা অংশ নেন। এসময় দাবি মানা না হলে এবার মহাসড়ক অবরোধ করে রাজপথ অচল করে দেওয়ার হুশিয়ারি দেন তারা।
দাবিগুলো হলো- স্বতন্ত্র পরিদপ্তর গঠন করা, ডিপ্লোমাধারীদের দশম গ্রেড পদমর্যাদা প্রদান করা, গ্র্যাজুয়েট মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্টদের নবম গ্রেডের পদসৃষ্টি, ঢাকা আইএইচটিকে বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব মেডিকেল সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি হিসেবে নামকরণ করে বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তর করা; মেডিকেল টেকনোলজি কাউন্সিল গঠনের মাধ্যমে পেশাদার লাইসেন্স প্রদান, ডিপ্লোমা মেডিকেল এডুকেশন বোর্ড গঠন এবং স্কলারশিপসহ প্রশিক্ষণ ভাতা চালু করা।
এসময় শিক্ষার্থীরা তাদের ৬ দফা দাবি অন্তর্বতী সরকারের কাছে তুলে ধরেন এবং সেগুলো না মানা হলে আরো কঠোর কর্মসূচি দেওয়ার কথা জানান।
এর আগে শিক্ষার্থীরা রাজশাহী ইনস্টিটিউট অব হেলথ্ টেকনোলজি (আইএইচটি) হতে বিক্ষোভ মিছিল বের করে পায়ে হেঁটে এসে সাহেববাজার জিরো পয়েন্টে এসে মিলিত হয়ে রাস্তা অবরোধ ও বিক্ষোভ করে বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকে।
এছাড়াও সড়কে শুয়ে প্রতীকী লাশের উপর লাল সবুজের পতাকা বুকের উপর বিছিয়ে দিয়ে দাবি আদায়ের স্লোগান দিতে থাকেন। এসময় রাস্তায় যানজটের সৃষ্টি হয়। এতে রিকশা-অটোরিকশা, মোটরসাইকেলসহ অন্যান্য ছোট যানবাহনগুলো ভেতরের অলিগলির রাস্তা দিয়ে চলে যায়।
বৈষম্যবিরোধী মেডিকেল টেকনোলজি ও ফার্মেসি ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ আন্দোলনরত শিক্ষার্থী আবু সাঈদ বলেন, আমাদের দাবি ৬ টি। দাবিগুলো দীর্ঘদিন থেকে জানিয়ে আসলেও কোনো সাড়া পাইনি। ফ্যাসিবাদী সরকার আওয়ামী লীগের আমলে আন্দোলন সংগ্রাম করলেও কোনো কাজ হয়নি। ফলে গত ৪ নভেম্বর চট্টগ্রামে স্বাস্থ্য উপদেষ্টার কাছে তাদের ছয়দফা দাবি উপস্থাপন করা হয়েছে। একই দিন একটি প্রতিনিধিদল স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের সাথে দাবি নিয়ে আলোচনা করেন। ৫ নভেম্বর স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের সাথে আনুষ্ঠানিক আলোচনা সভাও হয়। সভায় মহাপরিচালক দাবি বাস্তবায়নের আশ্বাস দিয়েছেন। কিন্তু পাঁচদিন অতিবাহিত হলেও স্বাস্থ্য অধিদপ্তর দৃশ্যমান কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি। ফলে অতি দ্রুত দাবি বাস্তবায়ন না হলে দেশব্যাপী বৃহত্তর কর্মসূচি দেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন শিক্ষার্থীরা।

ভোমরা স্থলবন্দর ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সজীব বালা বলেন, ভারতের ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ মরদেহ হস্তান্তর করতে কিছুটা সময় নিয়েছে। তারা দুপুর ১২টার দিকে তাদের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করে। এরপর ১৫ মিনিটের মধ্যে পরিবারের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হয়।
৯ ঘণ্টা আগে
সিলেটের বিয়ানীবাজারের সোনাই নদীতে ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচ আয়োজনে বাধ সেধেছে ‘তৌহিদী জনতা’ নামে একটি গোষ্ঠী। তারা প্রতিযোগিতা বন্ধের দাবি জানালেও আয়োজকরা ২৮ আগস্ট নৌকাবাইচ আয়োজনের প্রস্তুতি চালিয়ে যাচ্ছেন। এ অবস্থায় জেলা প্রশাসনের অনুমতি ছাড়া কোনো নৌকাবাইচ হতে দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছে পুলিশ।
১০ ঘণ্টা আগে
বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফেরদৌস হোসেন শনিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বলেন, কলকাতা থেকে রওনা দেওয়ার পর দুই থেকে তিন ঘণ্টার মধ্যে মরদেহ ৫টি বেনাপোলে পৌঁছাতে পারে। তবে ঠিক কখন মরদেহগুলো সীমান্তে পৌঁছাবে, তা এখনো নিশ্চিত নয়।
১১ ঘণ্টা আগে
হাওর অঞ্চলে বর্ষা ও শুষ্ক মৌসুমের ভিন্ন ভিন্ন বাস্তবতার কারণে সারা বছর সহজ যোগাযোগব্যবস্থা নিশ্চিত করা কঠিন। সেতুটি নির্মিত হলে অষ্টগ্রাম, ইটনা ও মিঠামইন থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া হয়ে ঢাকা, সিলেট ও চট্টগ্রামসহ দেশের গুরুত্বপূর্ণ জেলা ও অঞ্চলের সঙ্গে সরাসরি সড়ক যোগাযোগের নতুন দ্বার উন্মোচিত হবে।
১৫ ঘণ্টা আগে