
খুলনা প্রতিনিধি

আজই খুলে দেওয়া হচ্ছে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সব আবাসিক হল। বুধবার (২৩ এপ্রিল) দুপুরে কুয়েট সিন্ডিকেটের ১০২তম (জরুরি) সভায় হলগুলো খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের নির্দেশক্রমে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্টার প্রকৌশলী মো. আনিছুর রহমান ভূঞা স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ১৪ এপ্রিল অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেটের ১০১তম (জরুরি সভার সিদ্ধান্ত মোতাবেক আগামী ৪ মে থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব ধরনের অ্যাকাডেমিক কার্যক্রম চালু করা এবং ২ মে আবাসিক হলসমূহ খোলার বিষয়ে বলা হয়। বুধবার (২৩ এপ্রিল) অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেটের ১০২তম (জরুরি) সভার সিদ্ধান্তের প্রেক্ষিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলসমূহ ২ মে-এর পরিবর্তে আজ বিকেলে খোলা হবে।
এদিকে কুয়েট উপাচার্যের পদত্যাগের এক দফা দাবিতে অনড় অবস্থানে রয়েছেন শিক্ষার্থীরা। বুধবার সকালে কুয়েটে গিয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. চৌধুরী রফিকুল আবরার। এ সময় তিনি তদন্ত কমিটির ওপর আস্থা রেখে অনশন কর্মসূচি প্রত্যাহার করতে শিক্ষার্থীদের অনুরোধ করেছেন। কিন্তু ভিসির পদত্যাগ ছাড়া আমরণ অনশন কর্মসূচি প্রত্যাহার করবেন না বলে জানান শিক্ষার্থীরা।
শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. চৌধুরী রফিকুল আবরার বলেন, শিক্ষার্থীদের দাবির বিষয়ে অল্প দিনের মধ্যে সমাধান করা হবে। প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ে যারা অপরাধ সংগঠিত করেছে তাদের আইনের আওতায় আনা হবে।
উপদেষ্টা বলেন, আইনের ঊর্ধ্বে কেউ নয়, আইন মেনেই সবকিছু করার চেষ্টা করা হবে। শিক্ষার্থীদের স্বাভাবিক পরিবেশে ফিরে আসতে হবে। ছাত্রদের বহিষ্কার আদেশ ও মামলা তুলে নেওয়ার আশ্বাস দেন। সব সমস্যা সমাধানের জন্য সংশ্লিষ্টদের নিদের্শনা দেন উপদেষ্টা। তিনি জানান, শিক্ষার্থীদের দাবির বিষয়ে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। রিপোর্ট পাওয়ার পরে তা অচিরেই বাস্তবায়িত হবে। উপদেষ্টা শিক্ষার্থীদের অনশন থেকে সরে আসার অনুরোধ জানান।
এ সময় খুলনার বিভাগীয় কমিশনার মো. ফিরোজ সরকার, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলামসহ অনশনরত শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে দুপুরে কুয়েটের প্রশাসনিক ভবনের সম্মেলন কক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে কুয়েট শিক্ষক সমিতির নেতারা বলেন, চাপ দিয়ে উপাচার্যকে অপসারণ করা হলে তা মেনে নেওয়া হবে না। অন্যথায় অনির্দিষ্টকালের জন্য শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ রাখার হুঁশিয়ারি দেন তারা। এ ছাড়া শিক্ষা উপদেষ্টা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বললেও শিক্ষকদের সঙ্গে কথা না বলায় হতাশা প্রকাশ করেন শিক্ষকরা। সব পক্ষের সঙ্গে কথা বলে সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন তারা।
এ সময় কথা বলেন, শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. সাহিদুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. মো. ফারুক হোসেনসহ কয়েকজন শিক্ষক।
সংবাদ সম্মেলনে অধ্যাপক ড. আশরাফুল গণি ভূঁইয়া বলেন, শিক্ষা উপদেষ্টা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বললেও শিক্ষকদের সঙ্গে কথা বলেননি। এতে আমরা ব্যথিত হয়েছি। অল্প কয়েকজন মিছিল করলে সাংবাদিকরা নিউজ করেছে যে কুয়েট উত্তাল, অথচ। কুয়েটে শিক্ষার্থী ৫ হাজারেরও বেশি। শিক্ষার্থীরা শিক্ষকদের রাজনৈতিক ট্যাগ দিচ্ছে, যা দুঃখজনক। কিছু সংখ্যক শিক্ষার্থী উপাচার্যকে মারধর করেছে, গায়ে থুতু দিয়েছে। কয়েকজন শিক্ষক লাঞ্ছিত হয়েছেন, তাদের নিয়ে কটূক্তি করা হয়েছে। তিনি এসবের বিচার দাবি করেন।
কুয়েটের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ মাছুদকে অপসারণের দাবিতে গত সোমবার (২১ এপ্রিল) বিকেল ৪টা থেকে ক্যাম্পাসের স্টুডেন্ট ওয়েলফেয়ার সেন্টারের বারান্দায় আমরণ অনশন কর্মসূচি শুরু করেন ৩২ জন শিক্ষার্থী।

আজই খুলে দেওয়া হচ্ছে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সব আবাসিক হল। বুধবার (২৩ এপ্রিল) দুপুরে কুয়েট সিন্ডিকেটের ১০২তম (জরুরি) সভায় হলগুলো খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের নির্দেশক্রমে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্টার প্রকৌশলী মো. আনিছুর রহমান ভূঞা স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ১৪ এপ্রিল অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেটের ১০১তম (জরুরি সভার সিদ্ধান্ত মোতাবেক আগামী ৪ মে থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব ধরনের অ্যাকাডেমিক কার্যক্রম চালু করা এবং ২ মে আবাসিক হলসমূহ খোলার বিষয়ে বলা হয়। বুধবার (২৩ এপ্রিল) অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেটের ১০২তম (জরুরি) সভার সিদ্ধান্তের প্রেক্ষিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলসমূহ ২ মে-এর পরিবর্তে আজ বিকেলে খোলা হবে।
এদিকে কুয়েট উপাচার্যের পদত্যাগের এক দফা দাবিতে অনড় অবস্থানে রয়েছেন শিক্ষার্থীরা। বুধবার সকালে কুয়েটে গিয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. চৌধুরী রফিকুল আবরার। এ সময় তিনি তদন্ত কমিটির ওপর আস্থা রেখে অনশন কর্মসূচি প্রত্যাহার করতে শিক্ষার্থীদের অনুরোধ করেছেন। কিন্তু ভিসির পদত্যাগ ছাড়া আমরণ অনশন কর্মসূচি প্রত্যাহার করবেন না বলে জানান শিক্ষার্থীরা।
শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. চৌধুরী রফিকুল আবরার বলেন, শিক্ষার্থীদের দাবির বিষয়ে অল্প দিনের মধ্যে সমাধান করা হবে। প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ে যারা অপরাধ সংগঠিত করেছে তাদের আইনের আওতায় আনা হবে।
উপদেষ্টা বলেন, আইনের ঊর্ধ্বে কেউ নয়, আইন মেনেই সবকিছু করার চেষ্টা করা হবে। শিক্ষার্থীদের স্বাভাবিক পরিবেশে ফিরে আসতে হবে। ছাত্রদের বহিষ্কার আদেশ ও মামলা তুলে নেওয়ার আশ্বাস দেন। সব সমস্যা সমাধানের জন্য সংশ্লিষ্টদের নিদের্শনা দেন উপদেষ্টা। তিনি জানান, শিক্ষার্থীদের দাবির বিষয়ে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। রিপোর্ট পাওয়ার পরে তা অচিরেই বাস্তবায়িত হবে। উপদেষ্টা শিক্ষার্থীদের অনশন থেকে সরে আসার অনুরোধ জানান।
এ সময় খুলনার বিভাগীয় কমিশনার মো. ফিরোজ সরকার, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলামসহ অনশনরত শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে দুপুরে কুয়েটের প্রশাসনিক ভবনের সম্মেলন কক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে কুয়েট শিক্ষক সমিতির নেতারা বলেন, চাপ দিয়ে উপাচার্যকে অপসারণ করা হলে তা মেনে নেওয়া হবে না। অন্যথায় অনির্দিষ্টকালের জন্য শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ রাখার হুঁশিয়ারি দেন তারা। এ ছাড়া শিক্ষা উপদেষ্টা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বললেও শিক্ষকদের সঙ্গে কথা না বলায় হতাশা প্রকাশ করেন শিক্ষকরা। সব পক্ষের সঙ্গে কথা বলে সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন তারা।
এ সময় কথা বলেন, শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. সাহিদুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. মো. ফারুক হোসেনসহ কয়েকজন শিক্ষক।
সংবাদ সম্মেলনে অধ্যাপক ড. আশরাফুল গণি ভূঁইয়া বলেন, শিক্ষা উপদেষ্টা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বললেও শিক্ষকদের সঙ্গে কথা বলেননি। এতে আমরা ব্যথিত হয়েছি। অল্প কয়েকজন মিছিল করলে সাংবাদিকরা নিউজ করেছে যে কুয়েট উত্তাল, অথচ। কুয়েটে শিক্ষার্থী ৫ হাজারেরও বেশি। শিক্ষার্থীরা শিক্ষকদের রাজনৈতিক ট্যাগ দিচ্ছে, যা দুঃখজনক। কিছু সংখ্যক শিক্ষার্থী উপাচার্যকে মারধর করেছে, গায়ে থুতু দিয়েছে। কয়েকজন শিক্ষক লাঞ্ছিত হয়েছেন, তাদের নিয়ে কটূক্তি করা হয়েছে। তিনি এসবের বিচার দাবি করেন।
কুয়েটের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ মাছুদকে অপসারণের দাবিতে গত সোমবার (২১ এপ্রিল) বিকেল ৪টা থেকে ক্যাম্পাসের স্টুডেন্ট ওয়েলফেয়ার সেন্টারের বারান্দায় আমরণ অনশন কর্মসূচি শুরু করেন ৩২ জন শিক্ষার্থী।

চিরিংগা হাইওয়ে থানা পুলিশ জানায়, মোটরসাইকেল যোগে বরইতলী থেকে চিরিংগা বাজারে যাওয়ার পথে একটি দ্রুতগামী ট্রাক তাদের চাপা দিলে ঘটনাস্থলেই তারা গুরুতর আহত হন। পরে চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাদের মৃত্যু হয়।
৮ ঘণ্টা আগে
দ্রুতগামী একটি পিকআপ ভ্যানের সাথে বিপরীত দিক থেকে আসা অটোরিকশাটির সংঘর্ষ হলে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।
৮ ঘণ্টা আগে
ভূমিমন্ত্রী বলেন, আমি রাজশাহীর মাটির সন্তান। আমরা একে অপরের সহকর্মী, কেউ কারও বস নই। আপনারা সাংবিধানিক দায়িত্বপ্রাপ্ত— সেই দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে হবে। আইন সবার জন্য সমান। আমার সন্তানও যদি আইন লঙ্ঘন করে, প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।
১ দিন আগে
গাইবান্ধার সাদুল্লাপুরে মোটরসাইকেল ছিনতাইকারীর সন্দেহে গণপিটুনিতে দুজন নিহত হয়েছেন। ঘটনাস্থল থেকে একটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে।
১ দিন আগে