
কুমিল্লা প্রতিনিধি

কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী সোহাগী জাহান তনু হত্যা মামলার তদন্তে উঠে আসা সন্দেহভাজন আসামি সাবেক সেনাসদস্য শাহিন আলম দেশ ছেড়েছেন। এ মামলায় নতুন যে তিনজন আসামির নাম আদালতে দাখিল করা হয়েছে, সেখানে তার নাম রয়েছে তিন নম্বরে। পরিবার ও স্থানীয় বিভিন্ন সূত্র বলছে, সম্প্রতি নতুন করে তনু হত্যা মামলা গতি পেলে তিনি দেশ ছেড়ে কুয়েতে পালিয়ে যান।
শাহিন আলম কুমিল্লা সেনানিবাসের ২ সিগন্যাল ব্যাটালিয়নের সৈনিক ছিলেন। চাকরির খুব অল্প সময়ের মধ্যে সেনাবাহিনী থেকে অবসর নিয়ে নিজ এলাকা কুমিল্লার বুড়িচংয়ের গোবিন্দপুরে গড়ে তোলেন গরুর বড় একটি খামার। দোকান দেন গোবিন্দপুর এলাকার বাজারে। তার দোকান ও ফার্মের নাম ‘মেসার্স সুমাইয়া এগ্রো’। দেশ ছাড়ার পর দোকানটি বন্ধ হয়ে গেলে অন্য একটি পক্ষ ভাড়া নিয়েছে।
তনু হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মো. তরিকুল ইসলাম গত মাসে তিন সাবেক সেনাসদস্যের নাম আসামি হিসেবে কুমিল্লার জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম ১ নম্বর আমলি আদালতের বিচারক মুমিনুল হকের আদালতে দাখিল করেন। সেখানে শাহিন আলমের নাম রয়েছে তিন নম্বরে। তার ডিএনএ নমুনা সংগ্রহের জন্য আদালত অনুমতি দিয়েছেন। তদন্ত কর্মকর্তা তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির জন্য আবেদনও জানিয়েছেন।
স্থানীয় সূত্র জানায়, খুব অল্প সময়ের মধ্যে সেনাবাহিনী থেকে অবসরে আসার কারণ হিসেবে শাহিন আলম শারীরিকভাবে ‘আনফিট’ থাকার কথা এলাকাবাসীর কাছে প্রচার করেন। কুমিল্লার বুড়িচংয়ে গোমতী নদীর পারসংলগ্ন গোবিন্দপুর গ্রামে দেন গরুর খামার। সেখানে ১০টির বেশি গরু ছিল। দোকানে গোখাদ্য বিক্রি করতেন তিনি।
শাহিনের বাবা সরদার ফরিদ উদ্দিন ছিলেন গোবিন্দপুর খেয়াঘাটের মাঝি। পাঁচ ভাই ও দুই বোনের মধ্যে শাহিন বড়। তার এক ভাই ব্যাংকে চাকরি করেন। আরেক ভাই কুমিল্লা ভূমি অফিসের সার্ভেয়ার। এখন তারা অবস্থাসম্পন্ন। পলাতক শাহিন আলম বিবাহিত।
মো. শাহিন আলমের পাসপোর্ট নম্বর: অ১৫...১১৬৯। গত ২১ এপ্রিল তদন্ত কর্মকর্তা তরিকুল ইসলাম কুমিল্লার ১ নম্বর আমলি আদালতে শাহিন আলমের বহির্গমন ও আগমনের সময় আটক এবং তার সম্পর্কে তথ্য প্রদানের জন্য অনুমতি চান।
শাহিন আলমের ব্যবহৃত দুটি মোবাইল নম্বরই (০১৭২৫..১৯৯০ ও ০১৭১২..৫৯৯৯) বন্ধ পাওয়া যায়। অনুসন্ধানে জানা গেছে, শাহিন আলমের মোবাইল নম্বরগুলোর সবশেষ অবস্থান পাওয়া গেছে ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে। এরপর আর কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা তরিকুল ইসলাম বলেন, সন্দেহভাজন আসামি শাহিন আলমের অবস্থান সম্পর্কে আমরা পুরোপুরি নিশ্চিত হতে পারিনি। তার অবস্থান সম্পর্কে শতভাগ নিশ্চিত হতে পারলে গণমাধ্যমকে জানাব। আমরা চাই একটি বড় সাফল্য নিয়ে গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলব।
২০১৬ সালে তনু হত্যার পর হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবিতে ব্যাপক গণআন্দোলনের মুখে অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) কিছু তদন্ত করে। কিন্তু সে সময় অপ্রাসঙ্গিক অনেকের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করলেও নিহত তনুর বাবা ইয়ার হোসেন যাদের সন্দেহ করতেন এবং যাদের নাম গণমাধ্যমের কাছে বারবার বলেছেন, তাদের কারও ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করা হয়নি।
নথিপত্র বিশ্লেষণে জানা যায়, ২০১৬ সালে তদন্ত কর্মকর্তারা অন্তত ১৩ জনের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করে সিআইডির ডিএনএ ল্যাবরেটরি অব বাংলাদেশ পুলিশে পাঠান। সে সময় যাদের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছিল তারা হলেন— মাহামুদুল হাসান, মহাইমিনুল ইসলাম জিলানী, মেহেদী হাসান মুরাদ, মিজানুর রহমান সোহাগ, রকিবুল ইসলাম, রুবেল আহমেদ, সৈয়দ সাইফুল ইসলাম, শেখ পেয়ার আহমেদ, নুর আলম বাপ্পী, সোহেল রানা, ওয়ালী উল্লাহ হৃদয়, নুরুল আজম ও মোজ্জামেল হোসাইন।
এই ১৩ জনের মধ্যে ভিক্টোরিয়া কলেজ থিয়েটারের সদস্যও আছেন, যে সংগঠনে তনু নাট্যকর্মী ছিলেন। ডিএনএ পরীক্ষার পর ডিএনএ পরীক্ষক নুসরাত ইয়াসমিন ছয় পাতার একটি প্রতিবেদন জমা দেন। তাতে বলা হয়, ১৩ জনের ডিএনএ নমুনার সঙ্গে সোহাগী জাহান তনুর কাপড়ে পাওয়া পুরুষের ডিএনএর মিল পাওয়া যায়নি।
ওই প্রতিবেদন দাখিল করার পর তনুর বাবা ইয়ার হোসেন অভিযোগ করে বলেন, ‘আমার মেয়েকে হত্যা করা হয়েছে সেনানিবাসের ভেতরে। আর তারা সেনানিবাসের বাইরের লোকদের নমুনা সংগ্রহ করে। ভিক্টোরিয়া কলেজ থিয়েটারের ছেলেদের হয়রানি করে। অথচ সার্জেন্ট জাহিদ ও সৈনিক জাহিদের কথা বলেছি, কিন্তু তাদের নমুনা সংগ্রহ করেনি। আরও অনেকের নাম বলেছি। সেগুলোও সন্দেহের তালিকায় আনা হয়নি। উলটো আমার মেয়ে যাদের সঙ্গে নাটক করত, তাদেরকে এনেছে। কী আর বলব?’

কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী সোহাগী জাহান তনু হত্যা মামলার তদন্তে উঠে আসা সন্দেহভাজন আসামি সাবেক সেনাসদস্য শাহিন আলম দেশ ছেড়েছেন। এ মামলায় নতুন যে তিনজন আসামির নাম আদালতে দাখিল করা হয়েছে, সেখানে তার নাম রয়েছে তিন নম্বরে। পরিবার ও স্থানীয় বিভিন্ন সূত্র বলছে, সম্প্রতি নতুন করে তনু হত্যা মামলা গতি পেলে তিনি দেশ ছেড়ে কুয়েতে পালিয়ে যান।
শাহিন আলম কুমিল্লা সেনানিবাসের ২ সিগন্যাল ব্যাটালিয়নের সৈনিক ছিলেন। চাকরির খুব অল্প সময়ের মধ্যে সেনাবাহিনী থেকে অবসর নিয়ে নিজ এলাকা কুমিল্লার বুড়িচংয়ের গোবিন্দপুরে গড়ে তোলেন গরুর বড় একটি খামার। দোকান দেন গোবিন্দপুর এলাকার বাজারে। তার দোকান ও ফার্মের নাম ‘মেসার্স সুমাইয়া এগ্রো’। দেশ ছাড়ার পর দোকানটি বন্ধ হয়ে গেলে অন্য একটি পক্ষ ভাড়া নিয়েছে।
তনু হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মো. তরিকুল ইসলাম গত মাসে তিন সাবেক সেনাসদস্যের নাম আসামি হিসেবে কুমিল্লার জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম ১ নম্বর আমলি আদালতের বিচারক মুমিনুল হকের আদালতে দাখিল করেন। সেখানে শাহিন আলমের নাম রয়েছে তিন নম্বরে। তার ডিএনএ নমুনা সংগ্রহের জন্য আদালত অনুমতি দিয়েছেন। তদন্ত কর্মকর্তা তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির জন্য আবেদনও জানিয়েছেন।
স্থানীয় সূত্র জানায়, খুব অল্প সময়ের মধ্যে সেনাবাহিনী থেকে অবসরে আসার কারণ হিসেবে শাহিন আলম শারীরিকভাবে ‘আনফিট’ থাকার কথা এলাকাবাসীর কাছে প্রচার করেন। কুমিল্লার বুড়িচংয়ে গোমতী নদীর পারসংলগ্ন গোবিন্দপুর গ্রামে দেন গরুর খামার। সেখানে ১০টির বেশি গরু ছিল। দোকানে গোখাদ্য বিক্রি করতেন তিনি।
শাহিনের বাবা সরদার ফরিদ উদ্দিন ছিলেন গোবিন্দপুর খেয়াঘাটের মাঝি। পাঁচ ভাই ও দুই বোনের মধ্যে শাহিন বড়। তার এক ভাই ব্যাংকে চাকরি করেন। আরেক ভাই কুমিল্লা ভূমি অফিসের সার্ভেয়ার। এখন তারা অবস্থাসম্পন্ন। পলাতক শাহিন আলম বিবাহিত।
মো. শাহিন আলমের পাসপোর্ট নম্বর: অ১৫...১১৬৯। গত ২১ এপ্রিল তদন্ত কর্মকর্তা তরিকুল ইসলাম কুমিল্লার ১ নম্বর আমলি আদালতে শাহিন আলমের বহির্গমন ও আগমনের সময় আটক এবং তার সম্পর্কে তথ্য প্রদানের জন্য অনুমতি চান।
শাহিন আলমের ব্যবহৃত দুটি মোবাইল নম্বরই (০১৭২৫..১৯৯০ ও ০১৭১২..৫৯৯৯) বন্ধ পাওয়া যায়। অনুসন্ধানে জানা গেছে, শাহিন আলমের মোবাইল নম্বরগুলোর সবশেষ অবস্থান পাওয়া গেছে ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে। এরপর আর কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা তরিকুল ইসলাম বলেন, সন্দেহভাজন আসামি শাহিন আলমের অবস্থান সম্পর্কে আমরা পুরোপুরি নিশ্চিত হতে পারিনি। তার অবস্থান সম্পর্কে শতভাগ নিশ্চিত হতে পারলে গণমাধ্যমকে জানাব। আমরা চাই একটি বড় সাফল্য নিয়ে গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলব।
২০১৬ সালে তনু হত্যার পর হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবিতে ব্যাপক গণআন্দোলনের মুখে অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) কিছু তদন্ত করে। কিন্তু সে সময় অপ্রাসঙ্গিক অনেকের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করলেও নিহত তনুর বাবা ইয়ার হোসেন যাদের সন্দেহ করতেন এবং যাদের নাম গণমাধ্যমের কাছে বারবার বলেছেন, তাদের কারও ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করা হয়নি।
নথিপত্র বিশ্লেষণে জানা যায়, ২০১৬ সালে তদন্ত কর্মকর্তারা অন্তত ১৩ জনের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করে সিআইডির ডিএনএ ল্যাবরেটরি অব বাংলাদেশ পুলিশে পাঠান। সে সময় যাদের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছিল তারা হলেন— মাহামুদুল হাসান, মহাইমিনুল ইসলাম জিলানী, মেহেদী হাসান মুরাদ, মিজানুর রহমান সোহাগ, রকিবুল ইসলাম, রুবেল আহমেদ, সৈয়দ সাইফুল ইসলাম, শেখ পেয়ার আহমেদ, নুর আলম বাপ্পী, সোহেল রানা, ওয়ালী উল্লাহ হৃদয়, নুরুল আজম ও মোজ্জামেল হোসাইন।
এই ১৩ জনের মধ্যে ভিক্টোরিয়া কলেজ থিয়েটারের সদস্যও আছেন, যে সংগঠনে তনু নাট্যকর্মী ছিলেন। ডিএনএ পরীক্ষার পর ডিএনএ পরীক্ষক নুসরাত ইয়াসমিন ছয় পাতার একটি প্রতিবেদন জমা দেন। তাতে বলা হয়, ১৩ জনের ডিএনএ নমুনার সঙ্গে সোহাগী জাহান তনুর কাপড়ে পাওয়া পুরুষের ডিএনএর মিল পাওয়া যায়নি।
ওই প্রতিবেদন দাখিল করার পর তনুর বাবা ইয়ার হোসেন অভিযোগ করে বলেন, ‘আমার মেয়েকে হত্যা করা হয়েছে সেনানিবাসের ভেতরে। আর তারা সেনানিবাসের বাইরের লোকদের নমুনা সংগ্রহ করে। ভিক্টোরিয়া কলেজ থিয়েটারের ছেলেদের হয়রানি করে। অথচ সার্জেন্ট জাহিদ ও সৈনিক জাহিদের কথা বলেছি, কিন্তু তাদের নমুনা সংগ্রহ করেনি। আরও অনেকের নাম বলেছি। সেগুলোও সন্দেহের তালিকায় আনা হয়নি। উলটো আমার মেয়ে যাদের সঙ্গে নাটক করত, তাদেরকে এনেছে। কী আর বলব?’

এ দিন সকাল থেকেই রাজশাহীর কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালসহ বিভিন্ন কাউন্টারে যাত্রীদের ভিড় দেখা গেলেও কোনো বাস নির্ধারিত রুটে ছেড়ে যায়নি। কাউন্টারগুলোতেও ছিল অনিশ্চয়তা ও উৎকণ্ঠার চিত্র। বিশেষ করে আসন্ন ঈদুল আজহার আগে এমন পরিস্থিতিতে যাত্রীদের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে।
১ দিন আগে
জেলা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর জানিয়েছে, এবার কিশোরগঞ্জে কোরবানির জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে প্রায় ১ লাখ ৯১ হাজার ৪০৬টি গবাদিপশু। এর বিপরীতে জেলার মোট চাহিদা রয়েছে ১ লাখ ৫২ হাজার ১৮৫টি পশুর। সে হিসাবে চাহিদার তুলনায় অতিরিক্ত থাকবে প্রায় ৩৯ হাজার ২২১টি পশু।
১ দিন আগে
মাদারীপুর শহরের একটি বাসা থেকে স্বামী–স্ত্রী ও তাদের আট মাস বয়সী শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রোববার দিবাগত রাতে শহরের আমিরাবাদ এলাকা তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত ব্যক্তিরা হলেন সদর উপজেলার কলাগাছিয়া এলাকার চিন্ময় দাস (৪০), তার স্ত্রী ইশা দাস (২৫) এবং তাদের আট মাস বয়সী সন্তান।
১ দিন আগে
রোববার (১৭ মে) রাত পৌনে ১১টার দিকে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও পিবিআই ঢাকা কার্যালয়ের পরিদর্শক তারিকুল ইসলাম জানান, এর আগে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) তিনজন পুরুষের শুক্রাণুর অস্তিত্ব পাওয়ার তথ্য দিয়েছিল। নতুন করে ডিএনএ পরীক্ষায় আরও একজন পুরুষের রক্তের নমুনা শনাক্ত হয়েছে।
১ দিন আগে