
মাদারীপুর প্রতিনিধি

মাদারীপুরে এক আত্মীয়ের বাসা থেকে আট মাসের সন্তানসহ এক দম্পতির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সেখানে স্বামী-স্ত্রীর মরদেহ পাওয়া গেছে ঝুলন্ত অবস্থায়। পাশেই পড়েছিল সন্তানের মরদেহ।
রোববার (১৭ মে) দিবাগত রাত ৩টার দিকে মাদারীপুর শহরের আমিরাবাদ এলাকা থেকে তিন মরদেহ উদ্ধার করা হয়। সন্তানকে হত্যা করে ওই দম্পতি আত্মহত্যা করেছেন কি না, পুলিশ খতিয়ে দেখছে।
নিহতরা হলেন— মাদারীপুর সদর উপজেলার কলাগাছিয়া এলাকার চিন্ময় দাস (৪০), তার স্ত্রী ইশা দাস (২৫) ও তাদের আট মাস বয়সী শিশু সন্তান।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানিয়েছে, মাদারীপুর সদরের আমিরাবাদ এলাকায় মৃত বীরেন্দ্রনাথ দত্তের স্ত্রী সান্তনা রানী চন্দের বাসায় তিন বছর ধরে ভাড়া থাকছেন মিষ্টি বাড়ৈ। তিনি গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার সাতপাড় এলাকার ইতালিপ্রবাসী যতীন বাড়ৈয়ের স্ত্রী। রোববার বিকেলে ওই বাসায় বেড়াতে যায় তাদের আত্মীয় চিন্ময় দাসের পরিবার।
রাতে খাবার খাওয়ার পর সবাই শুয়ে পড়েন। মিষ্টি বাড়ৈ ছিলেন এক ঘরে, চিন্ময় তার পরিবার নিয়ে ছিলেন আরেক ঘরে। মধ্যরাতে চিন্ময় ও তার স্ত্রীর মধ্যে কলহ টের পেয়ে দিবাগত রাত ৩টার দিকে মিষ্টি সদর মডেল থানায় কল করলে পুলিশ গিয়ে দরজা ভেঙে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করে।
মাদারীপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম আজাদ বলেন, রোববার বিকেলে চাচাতো ভাই পরিচয়ে চিন্ময় দাস পরিবার নিয়ে ওই বাসায় যান। রাতে চিন্ময় তার পরিবার নিয়ে একটি ঘরে ছিলেন। মধ্যরাতে খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করে। এ সময় পাশের রুমে মিষ্টি বাড়ৈ একা ছিলেন। তার কাছে খবর পেয়েই পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়।
ওসি আরও বলেন, এটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে মিষ্টি বাড়ৈকেও সন্দেহের তালিকায় রাখা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ তিনটি মাদারীপুর ২৫০ শয্যা জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

মাদারীপুরে এক আত্মীয়ের বাসা থেকে আট মাসের সন্তানসহ এক দম্পতির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সেখানে স্বামী-স্ত্রীর মরদেহ পাওয়া গেছে ঝুলন্ত অবস্থায়। পাশেই পড়েছিল সন্তানের মরদেহ।
রোববার (১৭ মে) দিবাগত রাত ৩টার দিকে মাদারীপুর শহরের আমিরাবাদ এলাকা থেকে তিন মরদেহ উদ্ধার করা হয়। সন্তানকে হত্যা করে ওই দম্পতি আত্মহত্যা করেছেন কি না, পুলিশ খতিয়ে দেখছে।
নিহতরা হলেন— মাদারীপুর সদর উপজেলার কলাগাছিয়া এলাকার চিন্ময় দাস (৪০), তার স্ত্রী ইশা দাস (২৫) ও তাদের আট মাস বয়সী শিশু সন্তান।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানিয়েছে, মাদারীপুর সদরের আমিরাবাদ এলাকায় মৃত বীরেন্দ্রনাথ দত্তের স্ত্রী সান্তনা রানী চন্দের বাসায় তিন বছর ধরে ভাড়া থাকছেন মিষ্টি বাড়ৈ। তিনি গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার সাতপাড় এলাকার ইতালিপ্রবাসী যতীন বাড়ৈয়ের স্ত্রী। রোববার বিকেলে ওই বাসায় বেড়াতে যায় তাদের আত্মীয় চিন্ময় দাসের পরিবার।
রাতে খাবার খাওয়ার পর সবাই শুয়ে পড়েন। মিষ্টি বাড়ৈ ছিলেন এক ঘরে, চিন্ময় তার পরিবার নিয়ে ছিলেন আরেক ঘরে। মধ্যরাতে চিন্ময় ও তার স্ত্রীর মধ্যে কলহ টের পেয়ে দিবাগত রাত ৩টার দিকে মিষ্টি সদর মডেল থানায় কল করলে পুলিশ গিয়ে দরজা ভেঙে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করে।
মাদারীপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম আজাদ বলেন, রোববার বিকেলে চাচাতো ভাই পরিচয়ে চিন্ময় দাস পরিবার নিয়ে ওই বাসায় যান। রাতে চিন্ময় তার পরিবার নিয়ে একটি ঘরে ছিলেন। মধ্যরাতে খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করে। এ সময় পাশের রুমে মিষ্টি বাড়ৈ একা ছিলেন। তার কাছে খবর পেয়েই পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়।
ওসি আরও বলেন, এটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে মিষ্টি বাড়ৈকেও সন্দেহের তালিকায় রাখা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ তিনটি মাদারীপুর ২৫০ শয্যা জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

প্রধান অভিযুক্ত লিটুকে যুবদল নেতা হিসেবে প্রচার করা হলেও বরিশাল যুবদল এক সংবাদ সম্মেলনে স্পষ্ট জানিয়েছে, অভিযুক্ত লিটুর সঙ্গে যুবদলের কোনো সাংগঠনিক সম্পৃক্ততা নেই এবং তিনি দলের কোনো পদেও ছিলেন না।
৯ ঘণ্টা আগে
সোমবার (৬ জুলাই) দিবাগত রাতে উপজেলার জামতলী, কুতুপালং এবং বালুখালী ক্যাম্পে এই দুর্ঘটনাগুলো ঘটে। ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবকদের সহায়তায় নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
১১ ঘণ্টা আগে
গণমাধ্যমে পাঠানো এক বার্তায় র্যাব জানায়, মহরম দীর্ঘদিন ধরে কারওয়ান বাজারসহ রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ছিনতাই, চুরি ও মাদক ব্যবসাসহ নানা অপরাধে জড়িত ছিলেন।
১ দিন আগে
মন্দিরের দেখভাল করা পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়রা বাধা দিতে গেলে তাদের ওপর হামলা চালানো হয়। এ সময় দেশীয় অস্ত্র দিয়ে সঞ্জিব বণিককে কুপিয়ে জখম করা হয়। এ ছাড়া বণিক পরিবারের অন্যান্য সদস্যের ওপরও হামলা চালানো হয়। এতে সঞ্জিব বণিক, অপূর্ব বণিক, রত্না বণিক, শিল্পী চৌধুরীসহ মোট পাঁচজন আহত হন।
২ দিন আগে