
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

রাজধানীর মুগদায় পরকীয়া প্রেমের বলি হওয়া ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাসিন্দা সৌদি প্রবাসী মোকাররমকে হত্যা এবং মরদেহ ৭ টুকরা করে পলিথিনে মান্ডার একাধিক এলাকায় ফেলে রাখার চাঞ্চল্যকর ঘটনার প্রধান আসামি হেলেনা বেগম ও তার মেয়ে হালিমাকে আলামতসহ গ্রেফতার করা হয়েছে।
সোমবার (১৮ মে) দুপুরে র্যাব-৩ এর সদর দপ্তর থেকে পাঠানো এক বার্তায় এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।
র্যাব জানায়, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাসিন্দা ও সৌদি প্রবাসী মোকাররম পরকীয়া সম্পর্কের জেরে হত্যার শিকার হন। অভিযুক্তরা তাকে হত্যা করার পর মরদেহ ৮ টুকরা করে পলিথিনে মুড়িয়ে রাজধানীর মান্ডা এলাকার বিভিন্ন স্থানে ফেলে দেয়।
প্রাথমিক তদন্তে র্যাব আরও জানতে পেরেছে, ৫ লাখের বেশি টাকা আত্মসাতের ঘটনাকে কেন্দ্র করে পরকীয়া প্রেমিকা ও তার সহযোগী ঘুমের ওষুধ খাইয়ে মোকাররমকে হত্যা করে। পরে মরদেহ খণ্ড-বিখণ্ড করে বিভিন্ন স্থানে ফেলে রাখে।
এর আগে গতকাল রোববার দুপুর দেড়টার দিকে মুগদা থানার পুলিশ মান্ডা ১ম গলি এলাকার আব্দুল করিম রোডের ২৬০/১ নম্বর শাহনাজ ভিলার বেজমেন্ট থেকে অজ্ঞাত এক ব্যক্তির খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করে।
মুগদা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. জালাল উদ্দিন জানান, মরদেহটি পচাগলা অবস্থায় ছিল এবং শরীরের বিভিন্ন অংশ পলিথিনে মোড়ানো ছিল। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হয়, হত্যার পর মরদেহ টুকরো করে অন্য কোথাও থেকে এনে ওই ভবনের বেজমেন্টে ফেলে রাখা হয়।
তিনি আরও জানান, ঘটনাস্থলের আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ করা হচ্ছে। এ ছাড়া পিবিআই ঘটনাস্থল থেকে আঙুলের ছাপ সংগ্রহ করলেও প্রথমদিকে পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।
পুলিশ জানিয়েছে, হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
রাজনীতি/একে

রাজধানীর মুগদায় পরকীয়া প্রেমের বলি হওয়া ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাসিন্দা সৌদি প্রবাসী মোকাররমকে হত্যা এবং মরদেহ ৭ টুকরা করে পলিথিনে মান্ডার একাধিক এলাকায় ফেলে রাখার চাঞ্চল্যকর ঘটনার প্রধান আসামি হেলেনা বেগম ও তার মেয়ে হালিমাকে আলামতসহ গ্রেফতার করা হয়েছে।
সোমবার (১৮ মে) দুপুরে র্যাব-৩ এর সদর দপ্তর থেকে পাঠানো এক বার্তায় এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।
র্যাব জানায়, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাসিন্দা ও সৌদি প্রবাসী মোকাররম পরকীয়া সম্পর্কের জেরে হত্যার শিকার হন। অভিযুক্তরা তাকে হত্যা করার পর মরদেহ ৮ টুকরা করে পলিথিনে মুড়িয়ে রাজধানীর মান্ডা এলাকার বিভিন্ন স্থানে ফেলে দেয়।
প্রাথমিক তদন্তে র্যাব আরও জানতে পেরেছে, ৫ লাখের বেশি টাকা আত্মসাতের ঘটনাকে কেন্দ্র করে পরকীয়া প্রেমিকা ও তার সহযোগী ঘুমের ওষুধ খাইয়ে মোকাররমকে হত্যা করে। পরে মরদেহ খণ্ড-বিখণ্ড করে বিভিন্ন স্থানে ফেলে রাখে।
এর আগে গতকাল রোববার দুপুর দেড়টার দিকে মুগদা থানার পুলিশ মান্ডা ১ম গলি এলাকার আব্দুল করিম রোডের ২৬০/১ নম্বর শাহনাজ ভিলার বেজমেন্ট থেকে অজ্ঞাত এক ব্যক্তির খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করে।
মুগদা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. জালাল উদ্দিন জানান, মরদেহটি পচাগলা অবস্থায় ছিল এবং শরীরের বিভিন্ন অংশ পলিথিনে মোড়ানো ছিল। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হয়, হত্যার পর মরদেহ টুকরো করে অন্য কোথাও থেকে এনে ওই ভবনের বেজমেন্টে ফেলে রাখা হয়।
তিনি আরও জানান, ঘটনাস্থলের আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ করা হচ্ছে। এ ছাড়া পিবিআই ঘটনাস্থল থেকে আঙুলের ছাপ সংগ্রহ করলেও প্রথমদিকে পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।
পুলিশ জানিয়েছে, হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
রাজনীতি/একে

প্রধান অভিযুক্ত লিটুকে যুবদল নেতা হিসেবে প্রচার করা হলেও বরিশাল যুবদল এক সংবাদ সম্মেলনে স্পষ্ট জানিয়েছে, অভিযুক্ত লিটুর সঙ্গে যুবদলের কোনো সাংগঠনিক সম্পৃক্ততা নেই এবং তিনি দলের কোনো পদেও ছিলেন না।
১০ ঘণ্টা আগে
সোমবার (৬ জুলাই) দিবাগত রাতে উপজেলার জামতলী, কুতুপালং এবং বালুখালী ক্যাম্পে এই দুর্ঘটনাগুলো ঘটে। ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবকদের সহায়তায় নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
১১ ঘণ্টা আগে
গণমাধ্যমে পাঠানো এক বার্তায় র্যাব জানায়, মহরম দীর্ঘদিন ধরে কারওয়ান বাজারসহ রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ছিনতাই, চুরি ও মাদক ব্যবসাসহ নানা অপরাধে জড়িত ছিলেন।
১ দিন আগে
মন্দিরের দেখভাল করা পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়রা বাধা দিতে গেলে তাদের ওপর হামলা চালানো হয়। এ সময় দেশীয় অস্ত্র দিয়ে সঞ্জিব বণিককে কুপিয়ে জখম করা হয়। এ ছাড়া বণিক পরিবারের অন্যান্য সদস্যের ওপরও হামলা চালানো হয়। এতে সঞ্জিব বণিক, অপূর্ব বণিক, রত্না বণিক, শিল্পী চৌধুরীসহ মোট পাঁচজন আহত হন।
২ দিন আগে