
সীতাকুণ্ড (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে চলন্ত মোটরসাইকেল থেকে পড়ে যাওয়া মেয়েশিশুকে বাঁচাতে গিয়ে কাভার্ড ভ্যানের চাপায় মা ও তার ২২ মাস বয়সী শিশু নিহত হয়েছেন। শুক্রবার (১৫ মে) রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার ভাটিয়ারী ইউনিয়নের বিএমএ গেট এলাকায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন তারিন আক্তার (২৮) ও তার ২২ মাস বয়সী মেয়ে ইয়াশা। তারিন আক্তার চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক হিসেবে কর্মরত ছিলেন বলে জানিয়েছেন সীতাকুণ্ড উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফখরুল ইসলাম।
হাইওয়ে পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, স্বামী ও মেয়েশিশুকে নিয়ে সীতাকুণ্ডের ভাটিয়ারী এলাকায় বেড়াতে এসেছিলেন তারিন আক্তার। রাতে চট্টগ্রাম নগরের বাসায় ফেরার পথে মোটরসাইকেলের মাঝখানে বসা শিশুটি হঠাৎ রাস্তায় পড়ে যায়। সন্তানকে বাঁচাতে গিয়ে তারিনও মোটরসাইকেল থেকে ছিটকে মহাসড়কে পড়ে যান।
এ সময় একইমুখী দ্রুতগতির একটি কাভার্ড ভ্যান মা ও শিশুকে চাপা দিলে ঘটনাস্থলেই তারিন আক্তারের মৃত্যু হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় শিশুটিকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
বারো আউলিয়া হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এম এ হক দুর্ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে এবং এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
সীতাকুণ্ড সহকারী কমিশনার (ভূমি) আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, ‘তারিনের মৃত্যু অত্যন্ত বেদনাদায়ক। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে আমি ঘটনাস্থলে ছুটে যাই। কিন্তু তার আগেই মরদেহ সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল।’

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে চলন্ত মোটরসাইকেল থেকে পড়ে যাওয়া মেয়েশিশুকে বাঁচাতে গিয়ে কাভার্ড ভ্যানের চাপায় মা ও তার ২২ মাস বয়সী শিশু নিহত হয়েছেন। শুক্রবার (১৫ মে) রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার ভাটিয়ারী ইউনিয়নের বিএমএ গেট এলাকায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন তারিন আক্তার (২৮) ও তার ২২ মাস বয়সী মেয়ে ইয়াশা। তারিন আক্তার চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক হিসেবে কর্মরত ছিলেন বলে জানিয়েছেন সীতাকুণ্ড উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফখরুল ইসলাম।
হাইওয়ে পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, স্বামী ও মেয়েশিশুকে নিয়ে সীতাকুণ্ডের ভাটিয়ারী এলাকায় বেড়াতে এসেছিলেন তারিন আক্তার। রাতে চট্টগ্রাম নগরের বাসায় ফেরার পথে মোটরসাইকেলের মাঝখানে বসা শিশুটি হঠাৎ রাস্তায় পড়ে যায়। সন্তানকে বাঁচাতে গিয়ে তারিনও মোটরসাইকেল থেকে ছিটকে মহাসড়কে পড়ে যান।
এ সময় একইমুখী দ্রুতগতির একটি কাভার্ড ভ্যান মা ও শিশুকে চাপা দিলে ঘটনাস্থলেই তারিন আক্তারের মৃত্যু হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় শিশুটিকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
বারো আউলিয়া হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এম এ হক দুর্ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে এবং এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
সীতাকুণ্ড সহকারী কমিশনার (ভূমি) আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, ‘তারিনের মৃত্যু অত্যন্ত বেদনাদায়ক। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে আমি ঘটনাস্থলে ছুটে যাই। কিন্তু তার আগেই মরদেহ সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল।’

এর মধ্য দিয়ে ওই বিস্ফোরণের দগ্ধ পাঁচজনের কেউই আর বেঁচে থাকতে পারলেন না। এক বিস্ফোরণ কেড়ে নিল পাঁচ সদস্যের পরিবারের সবার প্রাণ।
১ দিন আগে
এ দিন সকালে নগরীর পবা উপজেলার কুকন্ডী ও বুধপাড়া এলাকা ঘুরে দেখা যায়, সীমিত পরিসরে আম পাড়ছেন চাষিরা। ব্যবসায়ীরাও বাজারজাতের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তবে সংশ্লিষ্টদের দাবি, অধিকাংশ বাগানের গুটি আম এখনও পুরোপুরি পরিপক্ব হয়নি। আরও কয়েকদিন পর পুরোদমে আম সংগ্রহ শুরু হবে।
১ দিন আগে
চট্টগ্রামের বায়েজিদ এলাকায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে চোখে গুলিবিদ্ধ হওয়া শিশু রেশমি আক্তার সাত দিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই শেষে মারা গেছে। বৃহস্পতিবার সকাল পৌনে ১০টার দিকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
২ দিন আগে
নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ফতুল্লায় গ্যাসলাইনের লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে দগ্ধ একই পরিবারের পাঁচ সদস্যের মধ্যে বাবার পর একে একে মারা গেছে তিন শিশুসন্তানও। বর্তমানে হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছেন পরিবারের একমাত্র জীবিত সদস্য মা সালমা আক্তার।
২ দিন আগে