
শরীয়তপুর প্রতিনিধি

শরীয়তপুর সদর উপজেলায় পারিবারিক কলহের জেরে স্বামীকে হত্যার পর লাশ ছয় টুকরো করে বিভিন্ন স্থানে ফেলে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক নারীর বিরুদ্ধে। পরে মরদেহের কিছু অংশ একটি ড্রামে ভরে আরেক বাসার ফ্রিজে রাখতে গেলে স্থানীয়দের সন্দেহ হলে তারা জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ কল করেন। পরে পুলিশ গিয়ে ওই নারীকে আটক করে।
শুক্রবার (১৫ মে) রাতে এ ঘটনা ঘটে বলে জানান পালং মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ আলম। আটক হওয়া নারী আসমা আক্তার (৩৫) সদর উপজেলার দক্ষিণ মাহমুদপুর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ড এলাকার জিয়া সরদারের স্ত্রী।
অভিযুক্ত আসমা আক্তারকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের বরাতে ওসি শাহ আলম বলেন, ‘সম্প্রতি স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কলহের সৃষ্টি হয়। তার জের ধরে মঙ্গলবার রাতে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে স্বামী জিয়া সরদারকে মাথায় রড দিয়ে আঘাত করে হত্যা করেন আসমা আক্তার। এরপর মরদেহটি লুকিয়ে রাখতে ছুরির সাহায্যে দেহটি ছয় টুকরো করে হাড়-মাংস আলাদা করেন তিনি। পরে ড্রামে ও ফ্রিজে ভরে রাখেন তিন দিন।’
ওসি আরও বলেন, ‘শুক্রবার রাতে অটোরিকশা ভাড়া করে ড্রাম থেকে মরদেহের একটি অংশ মুলফৎগঞ্জ এলাকায় পদ্মা নদীর তীরে সাদা প্লাস্টিকে মোড়ানো একটি ব্যাগ করে ফেলে দেন আসমা। এরপর বাকি অংশ বস্তায় ভরে ফেলে আসেন শরীয়তপুর পৌরসভার আটং এলাকার বৃক্ষতলা এলাকায়।’
পরবর্তীতে দেহের মাংসগুলো শহরের উত্তর পালংয়ের শাবনুর মার্কেট এলাকায় পুরাতন ভাড়া বাসার এক ভাড়াটিয়ার ফ্রিজে রাখতে যান তিনি। তখন তীব্র গন্ধ ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়দের সন্দেহ তৈরি হয়। এক পর্যায়ে জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এর মাধ্যমে বিষয়টি পুলিশকে জানান স্থানীয়রা।
পুলিশ আটকের পর স্থানীয়দের উপস্থিতিতে আসমা আক্তার বলেন, ‘আমার স্বামী প্রায়ই আমাকে মারধর করত। ১২ মে রাতে কথা কাটাকাটি একপর্যায়ে তাকে মাথায় রড দিয়ে আঘাত করলে সে দরজার সাথে বাড়ি খেয়ে নিচে পড়ে যায়। আমি বুঝতে পারিনি এতো জোরে আঘাত লাগবে। ওই দিন সারা রাত লাশ নিয়ে বসে থাকি। পরেরদিন ধারালো ছুরি দিয়ে মরদেহ টুকরো টুকরো করে কয়েক জায়গায় ফেলে দিই। কিন্তু এই ঘটনা কীভাবে ঘটে গেলো বুঝতে পারিনি।’
মোবাইলফোনে পরিচয়ের সূত্র ধরে আট বছর আগে মালেয়শিয়া প্রবাসী জিয়া সরদারের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন পিরোজপুরের আসমা। এটি তাদের দুজনের দ্বিতীয় বিয়ে ছিল। বিয়ের পর আসমাকে শরীয়তপুর শহরের উত্তর পালংয়ের সাবনুর মার্কেট এলাকায় ভাড়া বাসায় রাখেন জিয়া। গত বছর তিনি দেশে ফিরলে চন্দ্রপুর বাজারের গ্রামীণ ব্যাংকের পিছনের এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করেন দুজনে।
নিহতের আত্মীয় শাহাদাত হোসেন শাহেদ বলেন, ‘আমার ভাই প্রবাসে থাকাকালীন ওই নারীকে বিয়ে করেন। ভাই দেশে আসার পর আলাদা একটি জায়গায় বাসা ভাড়া নিয়ে থাকত। আমার ভাইকে ওই নারী হত্যা করে ড্রামে ভরে মরদেহ ফেলে রেখেছে। পুলিশ ওই নারীকে আটক করেছে। আমি অপরাধীর শাস্তির দাবি জানাই।’
উত্তর পালংয়ের সাবনুর মর্কেট এলাকার রানু বেগম বলেন, ‘আসমা আক্তার পচা মাংস ফ্রিজে রাখতে আসলে গন্ধ ছড়ায়। এতে আমাদের সন্দেহ হয়। তখন আমরা ৯৯৯-এ কল করে পুলিশকে জানাই। পরে পুলিশ এসে তার স্বামীর মাংসসহ তাকে আটক করে নিয়ে যায়।’
ওসি শাহ আলম বলেন, ‘আমরা ড্রাম খুলে বিষয়টি নিশ্চিত হলে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি অকপটে সব কথা স্বীকার করেন। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বৃক্ষতলা এলাকার একটি পুকুর থেকে মাথাসহ হাড় উদ্ধার করি।’ এ ছাড়াও একই দিন রাতে নড়িয়ার পদ্মা নদীর তীর থেকে নিহতের খণ্ডিত চার হাত-পা উদ্ধার করে নড়িয়া থানা পুলিশ।
ওসি আরও বলেন, ‘এ ঘটনায় তদন্ত করা হচ্ছে। তার সঙ্গে আর কেউ জড়িত আছে কি না খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এ ব্যাপারে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’

শরীয়তপুর সদর উপজেলায় পারিবারিক কলহের জেরে স্বামীকে হত্যার পর লাশ ছয় টুকরো করে বিভিন্ন স্থানে ফেলে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক নারীর বিরুদ্ধে। পরে মরদেহের কিছু অংশ একটি ড্রামে ভরে আরেক বাসার ফ্রিজে রাখতে গেলে স্থানীয়দের সন্দেহ হলে তারা জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ কল করেন। পরে পুলিশ গিয়ে ওই নারীকে আটক করে।
শুক্রবার (১৫ মে) রাতে এ ঘটনা ঘটে বলে জানান পালং মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ আলম। আটক হওয়া নারী আসমা আক্তার (৩৫) সদর উপজেলার দক্ষিণ মাহমুদপুর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ড এলাকার জিয়া সরদারের স্ত্রী।
অভিযুক্ত আসমা আক্তারকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের বরাতে ওসি শাহ আলম বলেন, ‘সম্প্রতি স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কলহের সৃষ্টি হয়। তার জের ধরে মঙ্গলবার রাতে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে স্বামী জিয়া সরদারকে মাথায় রড দিয়ে আঘাত করে হত্যা করেন আসমা আক্তার। এরপর মরদেহটি লুকিয়ে রাখতে ছুরির সাহায্যে দেহটি ছয় টুকরো করে হাড়-মাংস আলাদা করেন তিনি। পরে ড্রামে ও ফ্রিজে ভরে রাখেন তিন দিন।’
ওসি আরও বলেন, ‘শুক্রবার রাতে অটোরিকশা ভাড়া করে ড্রাম থেকে মরদেহের একটি অংশ মুলফৎগঞ্জ এলাকায় পদ্মা নদীর তীরে সাদা প্লাস্টিকে মোড়ানো একটি ব্যাগ করে ফেলে দেন আসমা। এরপর বাকি অংশ বস্তায় ভরে ফেলে আসেন শরীয়তপুর পৌরসভার আটং এলাকার বৃক্ষতলা এলাকায়।’
পরবর্তীতে দেহের মাংসগুলো শহরের উত্তর পালংয়ের শাবনুর মার্কেট এলাকায় পুরাতন ভাড়া বাসার এক ভাড়াটিয়ার ফ্রিজে রাখতে যান তিনি। তখন তীব্র গন্ধ ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়দের সন্দেহ তৈরি হয়। এক পর্যায়ে জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এর মাধ্যমে বিষয়টি পুলিশকে জানান স্থানীয়রা।
পুলিশ আটকের পর স্থানীয়দের উপস্থিতিতে আসমা আক্তার বলেন, ‘আমার স্বামী প্রায়ই আমাকে মারধর করত। ১২ মে রাতে কথা কাটাকাটি একপর্যায়ে তাকে মাথায় রড দিয়ে আঘাত করলে সে দরজার সাথে বাড়ি খেয়ে নিচে পড়ে যায়। আমি বুঝতে পারিনি এতো জোরে আঘাত লাগবে। ওই দিন সারা রাত লাশ নিয়ে বসে থাকি। পরেরদিন ধারালো ছুরি দিয়ে মরদেহ টুকরো টুকরো করে কয়েক জায়গায় ফেলে দিই। কিন্তু এই ঘটনা কীভাবে ঘটে গেলো বুঝতে পারিনি।’
মোবাইলফোনে পরিচয়ের সূত্র ধরে আট বছর আগে মালেয়শিয়া প্রবাসী জিয়া সরদারের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন পিরোজপুরের আসমা। এটি তাদের দুজনের দ্বিতীয় বিয়ে ছিল। বিয়ের পর আসমাকে শরীয়তপুর শহরের উত্তর পালংয়ের সাবনুর মার্কেট এলাকায় ভাড়া বাসায় রাখেন জিয়া। গত বছর তিনি দেশে ফিরলে চন্দ্রপুর বাজারের গ্রামীণ ব্যাংকের পিছনের এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করেন দুজনে।
নিহতের আত্মীয় শাহাদাত হোসেন শাহেদ বলেন, ‘আমার ভাই প্রবাসে থাকাকালীন ওই নারীকে বিয়ে করেন। ভাই দেশে আসার পর আলাদা একটি জায়গায় বাসা ভাড়া নিয়ে থাকত। আমার ভাইকে ওই নারী হত্যা করে ড্রামে ভরে মরদেহ ফেলে রেখেছে। পুলিশ ওই নারীকে আটক করেছে। আমি অপরাধীর শাস্তির দাবি জানাই।’
উত্তর পালংয়ের সাবনুর মর্কেট এলাকার রানু বেগম বলেন, ‘আসমা আক্তার পচা মাংস ফ্রিজে রাখতে আসলে গন্ধ ছড়ায়। এতে আমাদের সন্দেহ হয়। তখন আমরা ৯৯৯-এ কল করে পুলিশকে জানাই। পরে পুলিশ এসে তার স্বামীর মাংসসহ তাকে আটক করে নিয়ে যায়।’
ওসি শাহ আলম বলেন, ‘আমরা ড্রাম খুলে বিষয়টি নিশ্চিত হলে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি অকপটে সব কথা স্বীকার করেন। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বৃক্ষতলা এলাকার একটি পুকুর থেকে মাথাসহ হাড় উদ্ধার করি।’ এ ছাড়াও একই দিন রাতে নড়িয়ার পদ্মা নদীর তীর থেকে নিহতের খণ্ডিত চার হাত-পা উদ্ধার করে নড়িয়া থানা পুলিশ।
ওসি আরও বলেন, ‘এ ঘটনায় তদন্ত করা হচ্ছে। তার সঙ্গে আর কেউ জড়িত আছে কি না খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এ ব্যাপারে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’

প্রধান অভিযুক্ত লিটুকে যুবদল নেতা হিসেবে প্রচার করা হলেও বরিশাল যুবদল এক সংবাদ সম্মেলনে স্পষ্ট জানিয়েছে, অভিযুক্ত লিটুর সঙ্গে যুবদলের কোনো সাংগঠনিক সম্পৃক্ততা নেই এবং তিনি দলের কোনো পদেও ছিলেন না।
৯ ঘণ্টা আগে
সোমবার (৬ জুলাই) দিবাগত রাতে উপজেলার জামতলী, কুতুপালং এবং বালুখালী ক্যাম্পে এই দুর্ঘটনাগুলো ঘটে। ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবকদের সহায়তায় নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
১১ ঘণ্টা আগে
গণমাধ্যমে পাঠানো এক বার্তায় র্যাব জানায়, মহরম দীর্ঘদিন ধরে কারওয়ান বাজারসহ রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ছিনতাই, চুরি ও মাদক ব্যবসাসহ নানা অপরাধে জড়িত ছিলেন।
১ দিন আগে
মন্দিরের দেখভাল করা পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়রা বাধা দিতে গেলে তাদের ওপর হামলা চালানো হয়। এ সময় দেশীয় অস্ত্র দিয়ে সঞ্জিব বণিককে কুপিয়ে জখম করা হয়। এ ছাড়া বণিক পরিবারের অন্যান্য সদস্যের ওপরও হামলা চালানো হয়। এতে সঞ্জিব বণিক, অপূর্ব বণিক, রত্না বণিক, শিল্পী চৌধুরীসহ মোট পাঁচজন আহত হন।
২ দিন আগে