
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

চট্টগ্রামের বায়েজিদ এলাকায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে চোখে গুলিবিদ্ধ হওয়া শিশু রেশমি আক্তার সাত দিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই শেষে মারা গেছে। বৃহস্পতিবার সকাল পৌনে ১০টার দিকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হাসপাতালের পরিচালক মোহাম্মদ তসলিম উদ্দীন। তিনি জানান, গুলিটি রেশমির চোখ দিয়ে মাথার ভেতরে ঢুকে যায়। শারীরিক অবস্থা সংকটাপন্ন হওয়ায় গুলিটি অপসারণ করা সম্ভব হয়নি।
জানা গেছে, গত ৭ মে রাতে নগরীর বায়েজিদ বোস্তামী থানার রৌফাবাদের বাঁশবাড়িয়া বিহারি কলোনিতে এ ঘটনা ঘটে। ওইদিন রাউজান উপজেলার বাসিন্দা হাসান রাজু তার বোনের বাসায় বেড়াতে এসেছিলেন। রাতে পাঁচ থেকে ছয়জন যুবকের একটি সশস্ত্র দল তাকে ধাওয়া করে গুলি ছুড়তে থাকে। একপর্যায়ে রাজু মাটিতে পড়ে গেলে তাকে মাথায় গুলি করে হত্যা করা হয়।
এসময় রাজুকে লক্ষ্য করে ছোড়া গুলিতে পাশে থাকা শিশু রেশমিও গুলিবিদ্ধ হয়। পরে তাকে দ্রুত চমেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। প্রথমে নিউরোসার্জারি ওয়ার্ডে এবং পরে আইসিইউতে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছিল।
চিকিৎসকরা জানান, রেশমির বাঁ চোখ দিয়ে গুলিটি মাথায় প্রবেশ করে মস্তিষ্ক ভেদ করে পেছনের অংশে আটকে ছিল। অস্ত্রোপচার করলে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের ঝুঁকি থাকায় মেডিকেল বোর্ড অস্ত্রোপচার না করার সিদ্ধান্ত নেয়।
পাঁচ ভাইবোনের মধ্যে রেশমি ছিল সবার ছোট। তার বাবা রিয়াজ আহমেদ পেশায় একজন সবজি বিক্রেতা।
এ ঘটনায় গত ৯ মে রেশমির মা সখিনা বেগম বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে বায়েজিদ বোস্তামী থানায় মামলা দায়ের করেন। পুলিশ এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে।
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবদুল করিম জানান, হত্যাকাণ্ড ও শিশুর মৃত্যুর ঘটনায় তদন্ত চলছে এবং জড়িতদের শনাক্তে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

চট্টগ্রামের বায়েজিদ এলাকায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে চোখে গুলিবিদ্ধ হওয়া শিশু রেশমি আক্তার সাত দিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই শেষে মারা গেছে। বৃহস্পতিবার সকাল পৌনে ১০টার দিকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হাসপাতালের পরিচালক মোহাম্মদ তসলিম উদ্দীন। তিনি জানান, গুলিটি রেশমির চোখ দিয়ে মাথার ভেতরে ঢুকে যায়। শারীরিক অবস্থা সংকটাপন্ন হওয়ায় গুলিটি অপসারণ করা সম্ভব হয়নি।
জানা গেছে, গত ৭ মে রাতে নগরীর বায়েজিদ বোস্তামী থানার রৌফাবাদের বাঁশবাড়িয়া বিহারি কলোনিতে এ ঘটনা ঘটে। ওইদিন রাউজান উপজেলার বাসিন্দা হাসান রাজু তার বোনের বাসায় বেড়াতে এসেছিলেন। রাতে পাঁচ থেকে ছয়জন যুবকের একটি সশস্ত্র দল তাকে ধাওয়া করে গুলি ছুড়তে থাকে। একপর্যায়ে রাজু মাটিতে পড়ে গেলে তাকে মাথায় গুলি করে হত্যা করা হয়।
এসময় রাজুকে লক্ষ্য করে ছোড়া গুলিতে পাশে থাকা শিশু রেশমিও গুলিবিদ্ধ হয়। পরে তাকে দ্রুত চমেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। প্রথমে নিউরোসার্জারি ওয়ার্ডে এবং পরে আইসিইউতে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছিল।
চিকিৎসকরা জানান, রেশমির বাঁ চোখ দিয়ে গুলিটি মাথায় প্রবেশ করে মস্তিষ্ক ভেদ করে পেছনের অংশে আটকে ছিল। অস্ত্রোপচার করলে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের ঝুঁকি থাকায় মেডিকেল বোর্ড অস্ত্রোপচার না করার সিদ্ধান্ত নেয়।
পাঁচ ভাইবোনের মধ্যে রেশমি ছিল সবার ছোট। তার বাবা রিয়াজ আহমেদ পেশায় একজন সবজি বিক্রেতা।
এ ঘটনায় গত ৯ মে রেশমির মা সখিনা বেগম বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে বায়েজিদ বোস্তামী থানায় মামলা দায়ের করেন। পুলিশ এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে।
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবদুল করিম জানান, হত্যাকাণ্ড ও শিশুর মৃত্যুর ঘটনায় তদন্ত চলছে এবং জড়িতদের শনাক্তে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

ধাক্কায় শুভঙ্কর মোটরসাইকেল থেকে ছিটকে সড়কে পড়ে যান। এ সময় বাসটির পেছনের একটি চাকা তার মাথার ওপর দিয়ে চলে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয় বলে জানান এসআই অনিরুদ্ধ।
৫ ঘণ্টা আগে
ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) তেজগাঁও বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার জুয়েল রানা বলেন, ছাত্রদলের স্থানীয় নেতাকর্মীদের সহযোগিতায় আজিজুল হককে আটক করা হয়। পরে তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে।
৬ ঘণ্টা আগে
কর্ণফুলী থানার ওসি নুর আহমদ জানান, রাত ৮টা ১৫ মিনিটের দিকে আন্দোলনকারীরা অবরোধ কর্মসূচি শেষ করে চলে যান। তিনি বলেন, “আন্দোলকারীরা তাদের কর্মসূচি শেষ করে চলে গেছেন। এখন যান চলাচল শুরু হয়েছে। যানজট কমাতে আমরা কাজ করছি।”
২১ ঘণ্টা আগে
সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ না করে নোংরা জারে পানি সরবরাহ করছিল। পাশাপাশি বিএসটিআইয়ের মান সনদ ছাড়াই অস্বাস্থ্যকর ও নিম্নমানের পানি বাজারজাত করা হচ্ছিল। জনস্বাস্থ্য ও ভোক্তা নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে অভিযানে ৬ শতাধিক পানির জার ধ্বংস করা হয়।
১ দিন আগে