
নান্দাইল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি

রাজধানীর উত্তরার একটি আবাসিক ভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় নিহত ৬ জনের মধ্যে তিনজনের বাড়ি ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলায়।
তারা একই পরিবারের সদস্য। এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
নিহতরা হলেন, ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার সদর ইউনিয়নের দড়িপাঁচাশি গ্রামের মৃত হাফিজ উদ্দিনের ছেলে মো. হারিছ উদ্দিন (৫২), তার ছেলে হিসান উদ্দিন রাহাব (১৭) ও ভাতিজি রোদেলা (১৪)।
রোদেলা হারিছ উদ্দিনের ছোট ভাই শহীদুল ইসলামের মেয়ে।
নিহতদের স্বজন ও স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, হারিছ উদ্দিন ও শহীদুল ইসলাম দীর্ঘদিন যাবৎ রাজধানীর উত্তরায় ফলের ব্যবসা করতেন। ব্যবসার সুবাদে হারিছ উদ্দিনের স্ত্রী ও দুই ছেলে এবং শহীদুল ইসলামের স্ত্রী, এক ছেলে ও এক মেয়েকে নিয়ে উত্তরার একটি ভাড়া বাসায় থাকতেন। আজ শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি ) সকালে তাদের ভাড়া বাসায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় দুই পরিবারের তিনজনের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন শহীদুল ইসলাম, তার স্ত্রী শিউলী আক্তার এবং তাদের চার বছর বয়সী ছেলে ওমর উদ্দিন। আহতরা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
নিহতদের এলাকা দড়িপাঁচাশি গ্রামে গিয়ে দেখা গেছে, নিহত তিনজনের দাফনের প্রস্তুতি চলছে। অন্যদিকে বাড়ির ভেতরের পরিবেশ স্বজনদের কান্না ও আহাজারিতে ভারী হয়ে উঠছে।
সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা পর্যন্ত খোঁজ নিয়ে জানা গেছে মরদেহগুলো বাড়িতে পৌঁছেনি।
নিহতদের একনজর দেখার জন্য আত্মীয়স্বজন ও প্রতিবেশীরা বাড়িতে ভিড় করে রয়েছেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, আজ রাত ১০টায় নিহতদের জানাজার নামাজের সময় দেওয়া হয়েছে।
নিহত হারিছ উদ্দিনের চাচা নজরুল ইসলাম বলেন, ‘হারিছ উদ্দিন খুব ভালো ছেলে ছিল। বাবা–ছেলেসহ একসঙ্গে তিনজনের মৃত্যু মেনে নেওয়া যায় না। এ ঘটনায় পরিবারটি অনেক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দা রবিন বলেন, এ ঘটনায় পুরো গ্রামের মানুষ শোকে স্তব্ধ হয়ে গেছেন।
ইউপি সদস্য আতিকুল ইসলাম বলেন, ঘটনাটি হৃদয় বিদারক।

রাজধানীর উত্তরার একটি আবাসিক ভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় নিহত ৬ জনের মধ্যে তিনজনের বাড়ি ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলায়।
তারা একই পরিবারের সদস্য। এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
নিহতরা হলেন, ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার সদর ইউনিয়নের দড়িপাঁচাশি গ্রামের মৃত হাফিজ উদ্দিনের ছেলে মো. হারিছ উদ্দিন (৫২), তার ছেলে হিসান উদ্দিন রাহাব (১৭) ও ভাতিজি রোদেলা (১৪)।
রোদেলা হারিছ উদ্দিনের ছোট ভাই শহীদুল ইসলামের মেয়ে।
নিহতদের স্বজন ও স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, হারিছ উদ্দিন ও শহীদুল ইসলাম দীর্ঘদিন যাবৎ রাজধানীর উত্তরায় ফলের ব্যবসা করতেন। ব্যবসার সুবাদে হারিছ উদ্দিনের স্ত্রী ও দুই ছেলে এবং শহীদুল ইসলামের স্ত্রী, এক ছেলে ও এক মেয়েকে নিয়ে উত্তরার একটি ভাড়া বাসায় থাকতেন। আজ শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি ) সকালে তাদের ভাড়া বাসায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় দুই পরিবারের তিনজনের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন শহীদুল ইসলাম, তার স্ত্রী শিউলী আক্তার এবং তাদের চার বছর বয়সী ছেলে ওমর উদ্দিন। আহতরা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
নিহতদের এলাকা দড়িপাঁচাশি গ্রামে গিয়ে দেখা গেছে, নিহত তিনজনের দাফনের প্রস্তুতি চলছে। অন্যদিকে বাড়ির ভেতরের পরিবেশ স্বজনদের কান্না ও আহাজারিতে ভারী হয়ে উঠছে।
সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা পর্যন্ত খোঁজ নিয়ে জানা গেছে মরদেহগুলো বাড়িতে পৌঁছেনি।
নিহতদের একনজর দেখার জন্য আত্মীয়স্বজন ও প্রতিবেশীরা বাড়িতে ভিড় করে রয়েছেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, আজ রাত ১০টায় নিহতদের জানাজার নামাজের সময় দেওয়া হয়েছে।
নিহত হারিছ উদ্দিনের চাচা নজরুল ইসলাম বলেন, ‘হারিছ উদ্দিন খুব ভালো ছেলে ছিল। বাবা–ছেলেসহ একসঙ্গে তিনজনের মৃত্যু মেনে নেওয়া যায় না। এ ঘটনায় পরিবারটি অনেক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দা রবিন বলেন, এ ঘটনায় পুরো গ্রামের মানুষ শোকে স্তব্ধ হয়ে গেছেন।
ইউপি সদস্য আতিকুল ইসলাম বলেন, ঘটনাটি হৃদয় বিদারক।

তবে গণভোটের প্রচারে সক্রিয় ভূমিকা রাখার কারণেই তাকে শোকজ করা হয়েছে বলে ধারণা করছেন স্থানীয়রা। গত ১৩ জানুয়ারি (মঙ্গলবার) বরগুনা জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মো. শহিদুল ইসলাম এ শোকজ নোটিশ জারি করেন।
৮ ঘণ্টা আগে
শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) সকালে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন— জালগাঁও গ্রামের আব্দুস সাত্তার (৬২) ও খোরশেদ আলম (৩৫)। সংঘর্ষে আহত হয়েছেন— খোরশেদ আলমের স্বজন মো. জহির, মো. জয়নাল ও মো. মোর্শেদ।
১০ ঘণ্টা আগে
বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) দিবাগত রাতে উপজেলার বাবুটিপাড়া ইউনিয়নের লাজৈর গ্রামের ভূইয়া বাড়ি ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে এসব অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।
১১ ঘণ্টা আগে
ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে, খবর পেয়ে ৭টা ৫৮ মিনিটে তাদের প্রথম দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে কাজ শুরু করে। সকাল ৮টা ২৫ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে এবং সকাল ১০টা নাগাদ আগুন পুরোপুরি নেভানো সম্ভব হয়।
১৪ ঘণ্টা আগে