
কক্সবাজার প্রতিনিধি

কক্সবাজারের টেকনাফে মানব পাচারকারী দুই গ্রুপের মধ্যে রক্তক্ষয়ী গোলাগুলির ঘটনায় সুমাইয়া আক্তার (১৭) নামে এক কিশোরী গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হয়েছে।
শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় বাহারছড়া ইউনিয়নের নোয়াখালীপাড়া পাহাড়ি এলাকায় এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
সাগরপথে মানব পাচারের উদ্দেশ্যে জিম্মি করা ব্যক্তিদের উদ্ধারকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া এই গোলাগুলির মধ্যে পড়ে নিজ বাড়িতেই গুলিবিদ্ধ হয়ে প্রাণ হারায় ওই কিশোরী।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সাগরপথে মানব পাচারের উদ্দেশে রোহিঙ্গাসহ কয়েকজনকে বাহারছড়ার নোয়াখালীপাড়ার পাহাড়ি এলাকায় জিম্মি করে রাখে একটি মানব পাচারকারী চক্র। জিম্মিদের উদ্ধারের উদ্দেশে শুক্রবার সন্ধ্যায় উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্প এলাকা থেকে আসা ১০–১২ জন অস্ত্রধারী ব্যক্তি পাহাড়ি ওই এলাকায় পাচারকারীদের আস্তানায় হামলা চালায়।
এ সময় পাচারকারীরাও পাল্টা গুলি ছুড়লে দুই পক্ষের মধ্যে প্রায় আধা ঘণ্টা ধরে তীব্র গোলাগুলি চলে।
গোলাগুলির এক পর্যায়ে পাহাড়সংলগ্ন স্থানীয় বাসিন্দা মো. ছিদ্দিক আহমেদের মেয়ে সুমাইয়া আক্তার বুকে গুলিবিদ্ধ হন। স্বজনরা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত কিশোরীর বাবা মো. ছিদ্দিক আহমেদ বলেন, সন্ধ্যার দিকে পাহাড়ের ভেতর থেকে হঠাৎ করে ব্যাপক গোলাগুলির শব্দ শুনতে পাই। কিছুক্ষণ পর আমার মেয়ের বুকে গুলি লাগে। সে সঙ্গে সঙ্গে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হলেও তাকে বাঁচানো যায়নি।
স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. ইলিয়াছ জানান, পাহাড়ি এলাকায় মানব পাচারের উদ্দেশে জিম্মি করে রাখা লোকজনকে উদ্ধারের নামে রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে আসা অস্ত্রধারীরা হামলা চালায়। এতে দুই পক্ষের মধ্যে দীর্ঘ সময় ধরে গোলাগুলি চলে। এ ঘটনায় স্থানীয় এক পরিবারের কিশোরী নিহত হওয়ায় এলাকায় চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম জানান, অস্ত্রধারী দুই গ্রুপের গোলাগুলির ঘটনায় একটি বসতবাড়িতে গুলি লাগে এবং এতে এক কিশোরী নিহত হয়। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের ধরতে পুলিশি অভিযান চলমান রয়েছে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার পর নোয়াখালীপাড়া ও আশপাশের এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। জড়িতদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

কক্সবাজারের টেকনাফে মানব পাচারকারী দুই গ্রুপের মধ্যে রক্তক্ষয়ী গোলাগুলির ঘটনায় সুমাইয়া আক্তার (১৭) নামে এক কিশোরী গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হয়েছে।
শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় বাহারছড়া ইউনিয়নের নোয়াখালীপাড়া পাহাড়ি এলাকায় এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
সাগরপথে মানব পাচারের উদ্দেশ্যে জিম্মি করা ব্যক্তিদের উদ্ধারকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া এই গোলাগুলির মধ্যে পড়ে নিজ বাড়িতেই গুলিবিদ্ধ হয়ে প্রাণ হারায় ওই কিশোরী।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সাগরপথে মানব পাচারের উদ্দেশে রোহিঙ্গাসহ কয়েকজনকে বাহারছড়ার নোয়াখালীপাড়ার পাহাড়ি এলাকায় জিম্মি করে রাখে একটি মানব পাচারকারী চক্র। জিম্মিদের উদ্ধারের উদ্দেশে শুক্রবার সন্ধ্যায় উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্প এলাকা থেকে আসা ১০–১২ জন অস্ত্রধারী ব্যক্তি পাহাড়ি ওই এলাকায় পাচারকারীদের আস্তানায় হামলা চালায়।
এ সময় পাচারকারীরাও পাল্টা গুলি ছুড়লে দুই পক্ষের মধ্যে প্রায় আধা ঘণ্টা ধরে তীব্র গোলাগুলি চলে।
গোলাগুলির এক পর্যায়ে পাহাড়সংলগ্ন স্থানীয় বাসিন্দা মো. ছিদ্দিক আহমেদের মেয়ে সুমাইয়া আক্তার বুকে গুলিবিদ্ধ হন। স্বজনরা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত কিশোরীর বাবা মো. ছিদ্দিক আহমেদ বলেন, সন্ধ্যার দিকে পাহাড়ের ভেতর থেকে হঠাৎ করে ব্যাপক গোলাগুলির শব্দ শুনতে পাই। কিছুক্ষণ পর আমার মেয়ের বুকে গুলি লাগে। সে সঙ্গে সঙ্গে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হলেও তাকে বাঁচানো যায়নি।
স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. ইলিয়াছ জানান, পাহাড়ি এলাকায় মানব পাচারের উদ্দেশে জিম্মি করে রাখা লোকজনকে উদ্ধারের নামে রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে আসা অস্ত্রধারীরা হামলা চালায়। এতে দুই পক্ষের মধ্যে দীর্ঘ সময় ধরে গোলাগুলি চলে। এ ঘটনায় স্থানীয় এক পরিবারের কিশোরী নিহত হওয়ায় এলাকায় চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম জানান, অস্ত্রধারী দুই গ্রুপের গোলাগুলির ঘটনায় একটি বসতবাড়িতে গুলি লাগে এবং এতে এক কিশোরী নিহত হয়। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের ধরতে পুলিশি অভিযান চলমান রয়েছে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার পর নোয়াখালীপাড়া ও আশপাশের এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। জড়িতদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

তবে গণভোটের প্রচারে সক্রিয় ভূমিকা রাখার কারণেই তাকে শোকজ করা হয়েছে বলে ধারণা করছেন স্থানীয়রা। গত ১৩ জানুয়ারি (মঙ্গলবার) বরগুনা জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মো. শহিদুল ইসলাম এ শোকজ নোটিশ জারি করেন।
৬ ঘণ্টা আগে
শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) সকালে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন— জালগাঁও গ্রামের আব্দুস সাত্তার (৬২) ও খোরশেদ আলম (৩৫)। সংঘর্ষে আহত হয়েছেন— খোরশেদ আলমের স্বজন মো. জহির, মো. জয়নাল ও মো. মোর্শেদ।
৮ ঘণ্টা আগে
বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) দিবাগত রাতে উপজেলার বাবুটিপাড়া ইউনিয়নের লাজৈর গ্রামের ভূইয়া বাড়ি ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে এসব অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।
৯ ঘণ্টা আগে
ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে, খবর পেয়ে ৭টা ৫৮ মিনিটে তাদের প্রথম দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে কাজ শুরু করে। সকাল ৮টা ২৫ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে এবং সকাল ১০টা নাগাদ আগুন পুরোপুরি নেভানো সম্ভব হয়।
১২ ঘণ্টা আগে