
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

রাজধানীর উত্তরা ১১ নম্বরে সেক্টরের আবাসিক ভবনে আগুনের ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ছয়জনে। তাদের মধ্যে রয়েছেন এক দম্পতি ও তাদের এক সন্তান এবং এক বাবা-ছেলে।
শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) সকাল ৭টা ৫০ মিনিটে উত্তরা ১১ নম্বর সেক্টরের ১৮ নম্বর সড়কের ৩৪ নম্বর ওই ভবনে আগুন লাগে।
ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে, খবর পেয়ে ৭টা ৫৮ মিনিটে তাদের প্রথম দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে কাজ শুরু করে। সকাল ৮টা ২৫ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে এবং সকাল ১০টা নাগাদ আগুন পুরোপুরি নেভানো সম্ভব হয়।
উত্তরা পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিক আহমেদ গণমাধ্যমকে জানান, একই পরিবারের তিনজনসহ মোট ছয়জনের মৃত্যুর খবর তারা পেয়েছেন। এর মধ্যে তিনজনের মরদেহ কুয়েত বাংলাদেশ মৈত্রী সরকারি হাসপাতালে রয়েছে। দুজনের মরদেহ রয়েছে উত্তরা স্পেশালাইজড হাসপাতালে।

নিহতদের মধ্যে পাঁচজনের পরিচয় জানা গেছে। তারা হলেন— ফজলে রাব্বি, তার স্ত্রী আফরোজা আক্তার ও তাদের দুই বছরের ছেলে কাজী ফাইয়াজ রিশান এবং হারেস ও তার ছেলে রাহাব।
ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ওই ভবন থেকে ১৩ জনকে উদ্ধার করে উত্তরার কুয়েত বাংলাদেশ মৈত্রী সরকারি হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তিনজনকে মৃত ঘোষণা করেন।

রাজধানীর উত্তরা ১১ নম্বরে সেক্টরের আবাসিক ভবনে আগুনের ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ছয়জনে। তাদের মধ্যে রয়েছেন এক দম্পতি ও তাদের এক সন্তান এবং এক বাবা-ছেলে।
শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) সকাল ৭টা ৫০ মিনিটে উত্তরা ১১ নম্বর সেক্টরের ১৮ নম্বর সড়কের ৩৪ নম্বর ওই ভবনে আগুন লাগে।
ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে, খবর পেয়ে ৭টা ৫৮ মিনিটে তাদের প্রথম দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে কাজ শুরু করে। সকাল ৮টা ২৫ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে এবং সকাল ১০টা নাগাদ আগুন পুরোপুরি নেভানো সম্ভব হয়।
উত্তরা পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিক আহমেদ গণমাধ্যমকে জানান, একই পরিবারের তিনজনসহ মোট ছয়জনের মৃত্যুর খবর তারা পেয়েছেন। এর মধ্যে তিনজনের মরদেহ কুয়েত বাংলাদেশ মৈত্রী সরকারি হাসপাতালে রয়েছে। দুজনের মরদেহ রয়েছে উত্তরা স্পেশালাইজড হাসপাতালে।

নিহতদের মধ্যে পাঁচজনের পরিচয় জানা গেছে। তারা হলেন— ফজলে রাব্বি, তার স্ত্রী আফরোজা আক্তার ও তাদের দুই বছরের ছেলে কাজী ফাইয়াজ রিশান এবং হারেস ও তার ছেলে রাহাব।
ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ওই ভবন থেকে ১৩ জনকে উদ্ধার করে উত্তরার কুয়েত বাংলাদেশ মৈত্রী সরকারি হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তিনজনকে মৃত ঘোষণা করেন।

শনিবার (২২ আগস্ট) রাতে নিজেদের বাড়ি থেকে গণপতি চক্রবর্তী (৬৫), তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী (৫০), মেয়ে পার্থী চক্রবর্তী (২৫) ও ছেলে প্রিয়ম চক্রবর্তীর (১২) মরদেহ উদ্ধার করা হয়। বাড়ির ছাদ, চিলেকোঠা ও বিভিন্ন কক্ষ থেকে মরদেহগুলো পাওয়া যায়।
১৮ ঘণ্টা আগে
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, বাড়িটি তালাবদ্ধ অবস্থায় থাকায় স্থানীয়দের মধ্যে সন্দেহের সৃষ্টি হয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বাড়িটির তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। এ সময় বাসার বিভিন্ন স্থানে চারজনের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়।
১ দিন আগে
ওই নারী কয়েক দিন আগে তার দেবরের (২৫) সঙ্গে বাড়ি থেকে পালিয়ে যান বলে জানান পরিবারের সদস্যরা। পরে ঢাকার সাভারে তার খোঁজ পাওয়া যায়। সেখান থেকে আত্মীয়স্বজন তাকে ভাঙ্গায় নিয়ে যান। এরপর থানার সামনে তাকে নিয়ে দুই ভাই মারামারিতে জড়িয়ে পড়েন।
১ দিন আগে
এজাহারে বলা হয়, গত ১৪ আগস্ট বেলা ১১টার দিকে যৌতুকের দাবিতে মাছুদার হাত-পা বেঁধে ঘরের মধ্যে উচ্চ শব্দে গান বাজান মেহেদী হাসান। পরে প্লায়ার্স (ধাতব কোনো বস্তু শক্ত করে ধরা, বাঁকানো ও চাপা দেওয়ার যন্ত্র) দিয়ে তার মুখে আঘাত করা হলে দুটি দাঁত ভেঙে যায়। এরপর কাস্তে গরম করে তার হাত ও পায়ে ছ্যাঁকা দেওয়া হয়।
১ দিন আগে