বিশ্ববাজারে সোনার দামে পতন

ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম
১৯৫৮ সালে নিউইয়র্ক ফেডের সোনার ভল্টে সোনা ওজন করা হচ্ছে। ছবি: সংগৃহীত
১৯৫৮ সালে নিউইয়র্ক ফেডের সোনার ভল্টে সোনা ওজন করা হচ্ছে। ছবি: সংগৃহীত

বিশ্ববাজারে আবারও নিম্নমুখী সোনার দাম। যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভের (ফেড) আগামী সপ্তাহের মুদ্রানীতি নির্ধারণী বৈঠকের দিকে এখন নজর বিনিয়োগকারীদের। মূলত সুদের হারের ভবিষ্যৎ গতিপথ নিয়ে ধোঁয়াশা এবং সম্ভাব্য সুদের হার বৃদ্ধির আশঙ্কায় বিশ্ববাজারে সোনার ওপর চাপ ক্রমশ বাড়ছে।

বার্তাসংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) ভোরের দিকে এশিয়ার প্রাথমিক লেনদেনে স্পট মার্কেটে সোনার দাম ০.৬ শতাংশ হ্রাস পায়। এতে প্রতি আউন্স সোনার দাম নেমে আসে ৪ হাজার ১১৫ ডলার ৫০ সেন্টে। এর আগে বুধবারও দাম কমে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ১০৪ ডলার ৩৩ সেন্টে দাঁড়িয়েছিল, যা গত ১৫ অক্টোবরের পর সর্বনিম্ন।

একইভাবে মার্কিন ফিউচার মার্কেটেও দরপতন লক্ষ্য করা গেছে; ডিসেম্বরে সরবরাহের চুক্তিতে সোনার দাম ০.৪ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ১৩২ ডলার ৩০ সেন্টে ঠেকেছে।

বাজার বিশ্লেষকেরা জানিয়েছেন, আগামী ২৭ ও ২৮ অক্টোবর হতে যাওয়া ফেডের মুদ্রানীতি বৈঠকের সিদ্ধান্তের ওপর বাজারের ভবিষ্যৎ নজর রাখছে। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে ফেডের মূল নিয়ামক 'ব্যক্তিগত ভোগব্যয় (পিসিই) মূল্যসূচক' প্রকাশের অপেক্ষায় রয়েছেন বিনিয়োগকারীরা। রয়টার্সের জরিপে অধিকাংশ অর্থনীতিবিদ ধারণা করছেন, অক্টোবরে সুদের হার অপরিবর্তিত থাকলেও ডিসেম্বরের বৈঠকে তা বাড়ানো হতে পারে।

সাধারণত সুদের হার বাড়লে সোনা ধরে রাখার সুযোগ-ব্যয় বেড়ে যায়, কারণ সোনা থেকে কোনো স্থায়ী সুদ আসে না। ফলে বিনিয়োগকারীরা ঝুঁকিমুক্ত ও সুদ পাওয়া যায়—এমন খাতের দিকে ঝুঁকে পড়ায় সোনার বাজারে নেতিবাচক প্রভাব পড়ে।

সোনার দরপতনের হাওয়ায় প্রভাব পড়েছে অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর বাজারেও। স্পট মার্কেটে রুপার দাম ১.১ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৫৭ ডলার ৩৩ সেন্টে নেমে এসেছে। এছাড়া প্লাটিনামের দাম ১.১ শতাংশ কমে ১ হাজার ৬০৯ ডলার ৯৫ সেন্ট এবং প্যালাডিয়ামের দাম ০.৮ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ১ হাজার ৭৮ ডলার ৫২ সেন্টে লেনদেন হচ্ছে।

Ad
ad
Ad 300x250

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

Ad 300x250
ad