জুলাইয়ে মূল্যস্ফীতি কমে ৮.৩২%, নভেম্বরের পর সর্বনিম্ন

চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে জাতীয় পর্যায়ে সাধারণ পয়েন্ট-টু-পয়েন্ট ভিত্তিতে মূল্যস্ফীতির হার কমে দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ৩২ শতাংশে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) তথ্য বলছে, এ মাসে খাদ্য ও খাদ্যবহির্ভূত— দুই ধরনের খাতেই মূল্যস্ফীতি কমেছে। তবে খাদ্যপণ্যের দাম কমার প্রভাব ছিল বেশি।
এদিকে জুলাই মাসের এ মূল্যস্ফীতি গত আট মাসের মধ্যে মূল্যস্ফীতির সর্বনিম্ন হার। এর আগে ২০২৫ সালের নভেম্বর মাসে সাধারণ মূল্যস্ফীতি ছিল ৮ দশমিক ৪৯ শতাংশ। এর পরের সাত মাসের কোনোটিতেই মূল্যস্ফীতি এত কম ছিল না।
মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) বিবিএসের সর্বশেষ প্রকাশিত হালনাগাদ প্রতিবেদনে মূল্যস্ফীতির এ তথ্য উঠে এসেছে।
বিবিএসের প্রতিবেদনে দেখা যায়, আগের মাস জুনে সার্বিক মূল্যস্ফীতির হার ছিল ৯ দশমিক ১৬ শতাংশ। সেই তুলনায় জুলাই মাসে মূল্যস্ফীতি কমেছে শূন্য দশমিক আট চার পয়েন্ট। অন্যদিকে গত বছরের জুলাই মাসে পয়েন্ট-টু-পয়েন্ট মূল্যস্ফীতির হার ছিল ৮ দশমিক ৫৫ শতাংশ। বিদায়ী জুলাই মাসে এ হার শূন্য দশমিক দুই তিন পয়েন্ট কম।
বিবিএসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, জুলাই মাসে খাদ্যপণ্যে মূল্যস্ফীতি উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে। জুন মাসের ৮ দশমিক ৬০ শতাংশ থেকে জুলাইয়ে এ হার নেমে এসেছে ৭ দশমিক ১৬ শতাংশে। অর্থাৎ শতাংশ হিসাবে এক মাসের ব্যবধানে খাদ্য মূল্যস্ফীতি কমেছে ১ দশমিক ৪৪ পয়েন্ট।
এদিকে গত বছরের জুলাইয়ে খাদ্যপণ্যে মূল্যস্ফীতির হার ছিল ৭ দশমিক ৫৬ শতাংশ। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে একই সময়ে এ খাতে মূল্যস্ফীতি কমেছে শূন্য দশমিক ৪০ পয়েন্ট। বিদায়ী মাসের খাদ্যপণ্যে মূল্যস্ফীতির এ হার ২০২৫ সালের অক্টোবরের পর সর্বনিম্ন। ওই মাসে এ হার ছিল ৭ দশমিক ৩৬ শতাংশ।
এদিকে খাদ্যবহির্ভূত পণ্যেও আগের মাসের তুলনায় মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমেছে। জুন মাসে এ খাতে মূল্যস্ফীতি ছিল ৯ দশমিক ৬১ শতাংশ। জুলাইয়ে তা কমে হয়েছে ৯ দশমিক ২৮ শতাংশে। গত বছরের জুলাইয়ে একই হার ছিল ৯ দশমিক ৩৮ শতাংশ।


















