
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংরক্ষিত নারী আসনে নিজেদের ভাগে থাকা ৩৬টি আসনের জন্য চূড়ান্ত মনোনীত প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেছে বিএনপি। এ তালিকায় দলের দীর্ঘদিনের ত্যাগী ও রাজপথের পরীক্ষিতদের পাশাপাশি স্থান পেয়েছেন বেশ কয়েকজন প্রভাবশালী নেতার পরিবারের সদস্যরা।
সোমবার (২০ এপ্রিল) দুপুরে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ তালিকা প্রকাশ করেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। আজ মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) এ নির্বাচনের জন্য দল মনোনীত প্রার্থীদের মনোনয়ন দাখিল করতে হবে।
বিএনপির প্রার্থী তালিকায় পারিবারিক উত্তরাধিকার ও রাজনৈতিক প্রভাবের বিচারে অন্যতম আলোচিত নাম নিপুণ রায় চৌধুরী। তার বাবা অ্যাডভোকেট নিতাই রায় চৌধুরী মাগুরা-২ আসনের সংসদ সদস্য এবং বর্তমান সরকারের সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী। অন্যদিকে তার শ্বশুর বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সংসদ সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। সে হিসাবে বাবা ও শ্বশুরের সঙ্গে একই সংসদে সংসদ সদস্য হতে যাচ্ছেন দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির রাজনীতিতে রাজপথে থাকা নিপুণ।
চট্টগ্রামের রাজনীতিতে প্রভাবশালী প্রয়াত নেতা সাবেক হুইপ সৈয়দ ওয়াহিদুল আলমের মেয়ে ব্যারিস্টার সাইয়েদা শাকিলা ফারজানাও মনোনয়ন নিশ্চিত করেছেন। পেশায় আইনজীবী শাকিলা দীর্ঘদিন ধরে দলের আইনি ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় রয়েছেন।
তালিকায় উঠে এসেছে আরও বেশ কয়েকজন নেতার স্বজনের নাম। তাদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক প্রতিমন্ত্রী ও মৌলভীবাজার-১ আসন থেকে একাধিকবারের নির্বাচিত সংসদ সদস্য প্রয়াত অ্যাডভোকেট এবাদুর রহমান চৌধুরীর মেয়ে ব্যারিস্টার জহরত আদিব চৌধুরী।
বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও নরসিংদী-১ আসনের সংসদ সদস্য খায়রুল কবির খোকনের স্ত্রী শিরিন সুলতানাকেও সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন দিয়েছে বিএনপি। এ তালিকায় আরও রয়েছেন স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি প্রয়াত শফিউল বারী বাবুর স্ত্রী বিথিকা বিনতে হোসাইন।
শেরপুর জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ডা. মো. হযরত আলীর মেয়ে ডা. সানসিলা জেবরিন প্রিয়াঙ্কা ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শেরপুর-১ আসন থেকে প্রার্থী হয়েছিলেন। নির্বাচনে জিততে না পারলেও সংরক্ষিত নারী আসনের মাধ্যমে তাকে সংসদে যাওয়ার সুযোগ করে দিয়েছে বিএনপি।
ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টিকেও সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য মনোনয়ন দিয়েছে বিএনপি। প্রয়াত বিএনপির নেতা নাসিরউদ্দিন আহম্মেদ পিন্টুর বোন তিনি।
পারিবারিক সংযোগের এই ধারায় আরও যুক্ত হয়েছেন রাজশাহী-৫ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য প্রয়াত আয়েন উদ্দীনের মেয়ে মাহমুদা হাবিবা এবং যশোর জেলা বিএনপির সাবেক অর্থ সম্পাদক নাজমুল ইসলামের স্ত্রী সাবিরা সুলতানা।
এদিকে সংবাদমাধ্যম ও লেখালেখি সঙ্গে যুক্ত এবং পেশায় মিডিয়া পরামর্শক ও কলাম লেখক ফাহমিদা হককে সংরক্ষিত নারী আসনে প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দিয়েছে বিএনপি। তিনি মিডিয়া ব্যক্তিত্ব এবং জনপ্রিয় টকশো ‘তৃতীয় মাত্রা’র উপস্থাপক ও পরিচালক জিল্লুর রহমানের স্ত্রী।
এর বাইরে দীর্ঘ দিন ধরে দলের রাজনীতিতে অবদান রেখে আসা এবং দলের বিভিন্ন দায়িত্বে থাকা নারী নেত্রীদের একাংশকেও সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন দিয়েছে বিএনপি। তাদের মধ্যে ১০ জন এর আগেও সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
তাদের মধ্যে অভিজ্ঞতার বিচারে শীর্ষে রয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী সেলিমা রহমান। এ তালিকায় আরও রয়েছেন— শিরীন সুলতানা, রাশেদা বেগম (হীরা), রেহানা আক্তার, নিলোফার চৌধুরী (মনি), সুলতানা আহমেদ, বিলকিস ইসলাম, নেওয়াজ হালিমা আরলী, হেলেন জেরিন খান ও শাম্মী আক্তার।
সাবেক এই ১০ সংসদ সদস্যের প্রত্যেকেই বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির বিভিন্ন পদে রয়েছেন। এ ছাড়া ২০০৯ সাল থেকে কক্সবাজার জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বে থাকা শামীম আরা বেগম স্বপ্না এবং বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও মহিলা দল কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র সহসভাপতির দায়িত্ব পালন করা ঝালকাঠির জেবা আমিন খানও দলের মনোনয়ন পেয়েছেন।
বগুড়া জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সুরাইয়া জেরিন, মহিলা দলের আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক মমতাজ আলো এবং মহিলা দলের কেন্দ্রীয় সহসাংগঠনিক সম্পাদক ও রংপুর মহানগর কমিটির সভাপতি রেজেকা সুলতানা স্থান পেয়েছেন বিএনপির মনোনয়ন তালিকায়।
কুষ্টিয়া থেকে স্থান পেয়েছেন অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক ফরিদা ইয়াসমিন। তিনি জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের অবিভক্ত ঢাকা মহানগরীর সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। মনোনয়ন পাওয়া ফাহিমা নাসরিন মুন্নি সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী। তিনি বিএনপির আন্তর্জাতিকবিষয়ক সহসম্পাদক ও দলের নির্বাহী কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
বিএনপির ছাত্র সংগঠন ছাত্রদল থেকে উঠে আসা বেশ কয়েকজন স্থান পেয়েছেন এবারের সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপি মনোনীত তালিকায়। তাদের মধ্যে রয়েছেন —ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সদস্য ও আইনজীবী আরিফা সুলতানা (রুমা), ছাত্রদলের ছাত্রীবিষয়ক সম্পাদক মানসুরা আক্তার, সাবেক কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সানজিদা ইয়াসমীন (তুলি)।
এ তালিকায় আরও আছেন— ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শওকত আরা আক্তার (উর্মি) ও ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সেলিনা সুলতানা (নিশিতা)। মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সদস্য নাদিয়া পাঠান পাপনও পেয়েছেন মনোনয়ন, যার মা আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে যুক্ত থাকলেও তিনি নিজে ছাত্রজীবন থেকেই ছাত্রদলের রাজনীতিতে যুক্ত ছিলেন।
বিএনপির সংরক্ষিত নারী সংসদ সদস্যের মনোনয়ন তালিকায় সংখ্যালঘু ও নৃতাত্ত্বিক গোষ্ঠীর কয়েকজন স্থান পেয়েছেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন নাটোরের উন্নয়ন কর্মী ওঁরাও সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি আন্না মিনজ। রয়েছেন মথুয়া বহুজন সমাজ ঐক্যজোটের প্রধান উপদেষ্টা গোপালগঞ্জের সুবর্ণা সিকদার ঠাকুর এবং বান্দরবান জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য ও মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক মাধবী মারমা।
সংরক্ষিত আসনে বিএনপির ৩৬ জন প্রার্থীর মধ্যে শেষজন হলেন সানজিদা ইসলাম তুলি। তিনি মানবাধিকার সংগঠন ‘মায়ের ডাকে’র সংগঠক। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি বিএনপির মনোনয়নে ঢাকা-১৪ আসন থেকে প্রার্থী হয়েছিলেন। তবে ভোটে জিততে পারেননি তিনি। এবার সংরক্ষিত নারী আসনে সংসদে যাচ্ছেন তিনি।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ৯০০ জন প্রার্থীর মধ্য থেকে সাক্ষাৎকার গ্রহণের পর এই ৩৬ জনকে চূড়ান্ত করেছে বিএনপি।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংরক্ষিত নারী আসনে নিজেদের ভাগে থাকা ৩৬টি আসনের জন্য চূড়ান্ত মনোনীত প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেছে বিএনপি। এ তালিকায় দলের দীর্ঘদিনের ত্যাগী ও রাজপথের পরীক্ষিতদের পাশাপাশি স্থান পেয়েছেন বেশ কয়েকজন প্রভাবশালী নেতার পরিবারের সদস্যরা।
সোমবার (২০ এপ্রিল) দুপুরে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ তালিকা প্রকাশ করেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। আজ মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) এ নির্বাচনের জন্য দল মনোনীত প্রার্থীদের মনোনয়ন দাখিল করতে হবে।
বিএনপির প্রার্থী তালিকায় পারিবারিক উত্তরাধিকার ও রাজনৈতিক প্রভাবের বিচারে অন্যতম আলোচিত নাম নিপুণ রায় চৌধুরী। তার বাবা অ্যাডভোকেট নিতাই রায় চৌধুরী মাগুরা-২ আসনের সংসদ সদস্য এবং বর্তমান সরকারের সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী। অন্যদিকে তার শ্বশুর বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সংসদ সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। সে হিসাবে বাবা ও শ্বশুরের সঙ্গে একই সংসদে সংসদ সদস্য হতে যাচ্ছেন দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির রাজনীতিতে রাজপথে থাকা নিপুণ।
চট্টগ্রামের রাজনীতিতে প্রভাবশালী প্রয়াত নেতা সাবেক হুইপ সৈয়দ ওয়াহিদুল আলমের মেয়ে ব্যারিস্টার সাইয়েদা শাকিলা ফারজানাও মনোনয়ন নিশ্চিত করেছেন। পেশায় আইনজীবী শাকিলা দীর্ঘদিন ধরে দলের আইনি ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় রয়েছেন।
তালিকায় উঠে এসেছে আরও বেশ কয়েকজন নেতার স্বজনের নাম। তাদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক প্রতিমন্ত্রী ও মৌলভীবাজার-১ আসন থেকে একাধিকবারের নির্বাচিত সংসদ সদস্য প্রয়াত অ্যাডভোকেট এবাদুর রহমান চৌধুরীর মেয়ে ব্যারিস্টার জহরত আদিব চৌধুরী।
বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও নরসিংদী-১ আসনের সংসদ সদস্য খায়রুল কবির খোকনের স্ত্রী শিরিন সুলতানাকেও সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন দিয়েছে বিএনপি। এ তালিকায় আরও রয়েছেন স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি প্রয়াত শফিউল বারী বাবুর স্ত্রী বিথিকা বিনতে হোসাইন।
শেরপুর জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ডা. মো. হযরত আলীর মেয়ে ডা. সানসিলা জেবরিন প্রিয়াঙ্কা ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শেরপুর-১ আসন থেকে প্রার্থী হয়েছিলেন। নির্বাচনে জিততে না পারলেও সংরক্ষিত নারী আসনের মাধ্যমে তাকে সংসদে যাওয়ার সুযোগ করে দিয়েছে বিএনপি।
ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টিকেও সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য মনোনয়ন দিয়েছে বিএনপি। প্রয়াত বিএনপির নেতা নাসিরউদ্দিন আহম্মেদ পিন্টুর বোন তিনি।
পারিবারিক সংযোগের এই ধারায় আরও যুক্ত হয়েছেন রাজশাহী-৫ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য প্রয়াত আয়েন উদ্দীনের মেয়ে মাহমুদা হাবিবা এবং যশোর জেলা বিএনপির সাবেক অর্থ সম্পাদক নাজমুল ইসলামের স্ত্রী সাবিরা সুলতানা।
এদিকে সংবাদমাধ্যম ও লেখালেখি সঙ্গে যুক্ত এবং পেশায় মিডিয়া পরামর্শক ও কলাম লেখক ফাহমিদা হককে সংরক্ষিত নারী আসনে প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দিয়েছে বিএনপি। তিনি মিডিয়া ব্যক্তিত্ব এবং জনপ্রিয় টকশো ‘তৃতীয় মাত্রা’র উপস্থাপক ও পরিচালক জিল্লুর রহমানের স্ত্রী।
এর বাইরে দীর্ঘ দিন ধরে দলের রাজনীতিতে অবদান রেখে আসা এবং দলের বিভিন্ন দায়িত্বে থাকা নারী নেত্রীদের একাংশকেও সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন দিয়েছে বিএনপি। তাদের মধ্যে ১০ জন এর আগেও সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
তাদের মধ্যে অভিজ্ঞতার বিচারে শীর্ষে রয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী সেলিমা রহমান। এ তালিকায় আরও রয়েছেন— শিরীন সুলতানা, রাশেদা বেগম (হীরা), রেহানা আক্তার, নিলোফার চৌধুরী (মনি), সুলতানা আহমেদ, বিলকিস ইসলাম, নেওয়াজ হালিমা আরলী, হেলেন জেরিন খান ও শাম্মী আক্তার।
সাবেক এই ১০ সংসদ সদস্যের প্রত্যেকেই বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির বিভিন্ন পদে রয়েছেন। এ ছাড়া ২০০৯ সাল থেকে কক্সবাজার জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বে থাকা শামীম আরা বেগম স্বপ্না এবং বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও মহিলা দল কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র সহসভাপতির দায়িত্ব পালন করা ঝালকাঠির জেবা আমিন খানও দলের মনোনয়ন পেয়েছেন।
বগুড়া জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সুরাইয়া জেরিন, মহিলা দলের আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক মমতাজ আলো এবং মহিলা দলের কেন্দ্রীয় সহসাংগঠনিক সম্পাদক ও রংপুর মহানগর কমিটির সভাপতি রেজেকা সুলতানা স্থান পেয়েছেন বিএনপির মনোনয়ন তালিকায়।
কুষ্টিয়া থেকে স্থান পেয়েছেন অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক ফরিদা ইয়াসমিন। তিনি জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের অবিভক্ত ঢাকা মহানগরীর সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। মনোনয়ন পাওয়া ফাহিমা নাসরিন মুন্নি সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী। তিনি বিএনপির আন্তর্জাতিকবিষয়ক সহসম্পাদক ও দলের নির্বাহী কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
বিএনপির ছাত্র সংগঠন ছাত্রদল থেকে উঠে আসা বেশ কয়েকজন স্থান পেয়েছেন এবারের সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপি মনোনীত তালিকায়। তাদের মধ্যে রয়েছেন —ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সদস্য ও আইনজীবী আরিফা সুলতানা (রুমা), ছাত্রদলের ছাত্রীবিষয়ক সম্পাদক মানসুরা আক্তার, সাবেক কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সানজিদা ইয়াসমীন (তুলি)।
এ তালিকায় আরও আছেন— ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শওকত আরা আক্তার (উর্মি) ও ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সেলিনা সুলতানা (নিশিতা)। মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সদস্য নাদিয়া পাঠান পাপনও পেয়েছেন মনোনয়ন, যার মা আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে যুক্ত থাকলেও তিনি নিজে ছাত্রজীবন থেকেই ছাত্রদলের রাজনীতিতে যুক্ত ছিলেন।
বিএনপির সংরক্ষিত নারী সংসদ সদস্যের মনোনয়ন তালিকায় সংখ্যালঘু ও নৃতাত্ত্বিক গোষ্ঠীর কয়েকজন স্থান পেয়েছেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন নাটোরের উন্নয়ন কর্মী ওঁরাও সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি আন্না মিনজ। রয়েছেন মথুয়া বহুজন সমাজ ঐক্যজোটের প্রধান উপদেষ্টা গোপালগঞ্জের সুবর্ণা সিকদার ঠাকুর এবং বান্দরবান জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য ও মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক মাধবী মারমা।
সংরক্ষিত আসনে বিএনপির ৩৬ জন প্রার্থীর মধ্যে শেষজন হলেন সানজিদা ইসলাম তুলি। তিনি মানবাধিকার সংগঠন ‘মায়ের ডাকে’র সংগঠক। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি বিএনপির মনোনয়নে ঢাকা-১৪ আসন থেকে প্রার্থী হয়েছিলেন। তবে ভোটে জিততে পারেননি তিনি। এবার সংরক্ষিত নারী আসনে সংসদে যাচ্ছেন তিনি।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ৯০০ জন প্রার্থীর মধ্য থেকে সাক্ষাৎকার গ্রহণের পর এই ৩৬ জনকে চূড়ান্ত করেছে বিএনপি।

সুপ্রীম কোর্টের আইনজীবী ও বিএনপি নেত্রী অ্যাডভোকেট ড. আরিফা জেসমিন নাহিন বলেছেন, একজন মারা গেলে যেমন ফিরে আসে না, সংরক্ষিত নারী আসনে এমপি মনোনয়ন না পাওয়াটা তার কাছে তেমনি ‘মৃত্যুর মতোই যন্ত্রণাময়’ অনুভূতি।
২১ ঘণ্টা আগে
দেশে আর কোনো দিন মব হবে না স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের এমন ঘোষণা দেওয়ার পরেও একটির পর একটি মবের ঘটনা ঘটে চলেছে বলে অভিযোগ করেছেন স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা।
২১ ঘণ্টা আগে
মনোনয়ন তালিকায় একঝাঁক নতুন ও ত্যাগী নেত্রীর স্থান মিললেও বাদ পড়েছেন রাজনৈতিক অঙ্গন ও সামাজিক মাধ্যমে আলোচিত একাধিক হেভিওয়েট নেত্রী ও তারকা প্রার্থী। এ নিয়ে দলের অভ্যন্তরে ও বাইরে শুরু হয়েছে জোর গুঞ্জন, নানা আলোচনা-সমালোচনা।
১ দিন আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনের চূড়ান্ত প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। মনোনয়ন পাওয়া তালিকায় রয়েছেন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় নেত্রী মানছুরা আক্তার।
১ দিন আগে