
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

গুরুতর অসুস্থ হওয়ায় বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) সিপিবির সাবেক সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিমকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বর্ষীয়ান এই রাজনীতিবিদ নিউমোনিয়াজনিত শ্বাসকষ্ট ও ইলেকট্রোলাইটের ভারসাম্যহীনতায় ভুগছেন।
সিপিবি থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বার্তায় জানানো হয়েছে, রোববার (৭ জুন) রাতে রাজধানীর হেলথ অ্যান্ড হোপ হাসপাতালে নেওয়া হয় মুহাজিদুল ইসলাম সেলিমকে। চিকিৎসকদের পরামর্শে তাকে সেখান থেকে ইব্রাহিম কার্ডিয়াক হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।
সিপিবি নেতারা জানিয়েছেন, ইব্রাহিম কার্ডিয়াক হাসপাতালের কার্ডিয়াক ইমার্জেন্সি থেকে মুজাহিদুল ইসলাম সেলিমকে করোনারি কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) স্থানান্তর করা হয়েছে। সেখানেই তার চিকিৎসা চলছে। চিকিৎসকরা পরবর্তী পদক্ষেপের বিষয়ে জানাবেন।
ছাত্রজীবন থেকেই রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হয়ে পড়েন মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম। ১৯৬৬ সালে আইয়ুব খানবিরোধী মিছিল করতে গিয়ে কারাবরণ করেছিলেন। কলেজে ভর্তি হয়ে বামপন্থি ছাত্র আন্দোলনে সক্রিয় হয়ে ওঠেন। বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক ও পরে সভাপতি পদে দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। ছিলেন স্বাধীনতার পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) প্রথম নির্বাচিত সহসভাপতি (ভিপি)।
ছাত্রজীবন শেষে বাংলাদেশ ক্ষেতমজুর সমিতি গড়ে তোলেন সেলিম। তিনি ছিলেন সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক। পরে সমিতির সভাপতির দায়িত্বও পালন করেন। এর মধ্যেই কমিউনিস্ট পার্টির সঙ্গেও যুক্ত হয়ে পড়েন।
১৯৯৩ সালে পার্টির এক বিশেষ কংগ্রেসে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন তিনি, সে পদে দায়িত্ব পালন করেন ২০১২ সাল পর্যন্ত একটানা ১৯ বছর। ওই বছর অনুষ্ঠিত পার্টির দশম কংগ্রেসে সেলিম সভাপতি নির্বাচিত হন। ২০২২ সাল পর্যন্ত সে দায়িত্ব পালন করেন তিনি।

গুরুতর অসুস্থ হওয়ায় বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) সিপিবির সাবেক সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিমকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বর্ষীয়ান এই রাজনীতিবিদ নিউমোনিয়াজনিত শ্বাসকষ্ট ও ইলেকট্রোলাইটের ভারসাম্যহীনতায় ভুগছেন।
সিপিবি থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বার্তায় জানানো হয়েছে, রোববার (৭ জুন) রাতে রাজধানীর হেলথ অ্যান্ড হোপ হাসপাতালে নেওয়া হয় মুহাজিদুল ইসলাম সেলিমকে। চিকিৎসকদের পরামর্শে তাকে সেখান থেকে ইব্রাহিম কার্ডিয়াক হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।
সিপিবি নেতারা জানিয়েছেন, ইব্রাহিম কার্ডিয়াক হাসপাতালের কার্ডিয়াক ইমার্জেন্সি থেকে মুজাহিদুল ইসলাম সেলিমকে করোনারি কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) স্থানান্তর করা হয়েছে। সেখানেই তার চিকিৎসা চলছে। চিকিৎসকরা পরবর্তী পদক্ষেপের বিষয়ে জানাবেন।
ছাত্রজীবন থেকেই রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হয়ে পড়েন মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম। ১৯৬৬ সালে আইয়ুব খানবিরোধী মিছিল করতে গিয়ে কারাবরণ করেছিলেন। কলেজে ভর্তি হয়ে বামপন্থি ছাত্র আন্দোলনে সক্রিয় হয়ে ওঠেন। বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক ও পরে সভাপতি পদে দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। ছিলেন স্বাধীনতার পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) প্রথম নির্বাচিত সহসভাপতি (ভিপি)।
ছাত্রজীবন শেষে বাংলাদেশ ক্ষেতমজুর সমিতি গড়ে তোলেন সেলিম। তিনি ছিলেন সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক। পরে সমিতির সভাপতির দায়িত্বও পালন করেন। এর মধ্যেই কমিউনিস্ট পার্টির সঙ্গেও যুক্ত হয়ে পড়েন।
১৯৯৩ সালে পার্টির এক বিশেষ কংগ্রেসে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন তিনি, সে পদে দায়িত্ব পালন করেন ২০১২ সাল পর্যন্ত একটানা ১৯ বছর। ওই বছর অনুষ্ঠিত পার্টির দশম কংগ্রেসে সেলিম সভাপতি নির্বাচিত হন। ২০২২ সাল পর্যন্ত সে দায়িত্ব পালন করেন তিনি।

বিবৃতিতে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমীর মাওলানা মামুনুল হক ও মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ বলেন, সাবেক রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন (চুপ্পু)-এর পদত্যাগ অনেক আগেই হওয়া উচিত ছিল।
১ দিন আগে
নাহিদ ইসলাম বলেন, শারীরিক অসুস্থতার অজুহাতে সাহাবুদ্দিনকে সেফ এক্সিট দেওয়া যাবে না। তিনি যাতে বিদেশে পালিয়ে যেতে না পারেন, সে জন্য সরকারকে সজাগ থাকতে হবে এবং অনতিবিলম্বে তাকে গ্রেপ্তার করতে হবে।
১ দিন আগে
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম দাবি ছিল, সাহাবুদ্দিন চুপ্পু রাষ্ট্রপতির পদে থাকবেন না। তিনি একসময় স্পষ্টভাবে বলেছিলেন, শেখ হাসিনা তার কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছিলেন। পরে সেই বক্তব্য অস্বীকার করে মিথ্যাচার করেছেন, যা রাষ্ট্রপতি হিসেবে নেয়া শপথের লঙ্ঘন। দেরিতে হলেও জাতির ঘাড় থেকে ফ্যাসি
১ দিন আগে