
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত, বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গ সংলগ্ন সীমান্ত দিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাভাষী মানুষদের বাংলাদেশি পরিচয় দিয়ে জোরপূর্বক ‘পুশইনের’র চেষ্টার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি। দলটির নেতারা বলেছেন, এ ধরনের কর্মকাণ্ড দুই দেশের রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক সম্পর্কে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
আজ সোমবার (৮ জুন) এক যৌথ বিবৃতিতে ওয়ার্কার্স পার্টির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহমুদুল হাসান মানিক এবং ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক নুর আহমদ বকুল এ উদ্বেগ প্রকাশ করেন। বিবৃতিতে সই করেন দলটির কেন্দ্রীয় মিডিয়া বিভাগের আহ্বায়ক মোস্তফা আলমগীর রতন।
বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, প্রতিবেশী দুই দেশের মধ্যে কোনো জরুরি বা সংবেদনশীল ইস্যু দেখা দিলে তা পারস্পরিক মর্যাদা ও কূটনৈতিক সম্পর্কের ভিত্তিতে আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা উচিত। একতরফাভাবে সীমান্তে মানুষ ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা আন্তর্জাতিক কূটনীতির শিষ্টাচার বর্হিভূত।
তারা অভিযোগ করেন, সম্প্রতি কিছু বাংলাভাষী মানুষকে বাংলাদেশ সীমান্তে জোরপূর্বক প্রবেশ করানোর চেষ্টা করা হয়েছে। তবে কয়েকটি ঘটনায় বাংলাদেশ সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিজিবি) তা প্রতিহত করেছে।
ওয়ার্কার্স পার্টির নেতারা বলেন, পুশইনের কারণে নারী, শিশু ও অন্যান্য মানুষের মানবিক সংকট তৈরি হচ্ছে। সীমান্ত এলাকায় আটকে পড়া এসব মানুষ খাদ্য, আশ্রয় ও প্রয়োজনীয় সহায়তার অভাবে দুর্ভোগে পড়ছেন, যা অমানবিক এবং মানবিক মর্যাদা বিরোধী একটি তৎপরতা।
বিবৃতিতে বাংলাদেশের সরকারকে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় কূটনৈতিক ও প্রশাসনিক উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়। একই সঙ্গে ভারত সরকারকে পুশইনের মতো কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার দাবি জানিয়েছে দলটি। নেতৃবৃন্দ বলেন, সীমান্তে স্থিতিশীলতা ও পারস্পরিক আস্থা বজায় রাখতে উভয় দেশের উচিত আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করা।

ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত, বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গ সংলগ্ন সীমান্ত দিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাভাষী মানুষদের বাংলাদেশি পরিচয় দিয়ে জোরপূর্বক ‘পুশইনের’র চেষ্টার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি। দলটির নেতারা বলেছেন, এ ধরনের কর্মকাণ্ড দুই দেশের রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক সম্পর্কে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
আজ সোমবার (৮ জুন) এক যৌথ বিবৃতিতে ওয়ার্কার্স পার্টির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহমুদুল হাসান মানিক এবং ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক নুর আহমদ বকুল এ উদ্বেগ প্রকাশ করেন। বিবৃতিতে সই করেন দলটির কেন্দ্রীয় মিডিয়া বিভাগের আহ্বায়ক মোস্তফা আলমগীর রতন।
বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, প্রতিবেশী দুই দেশের মধ্যে কোনো জরুরি বা সংবেদনশীল ইস্যু দেখা দিলে তা পারস্পরিক মর্যাদা ও কূটনৈতিক সম্পর্কের ভিত্তিতে আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা উচিত। একতরফাভাবে সীমান্তে মানুষ ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা আন্তর্জাতিক কূটনীতির শিষ্টাচার বর্হিভূত।
তারা অভিযোগ করেন, সম্প্রতি কিছু বাংলাভাষী মানুষকে বাংলাদেশ সীমান্তে জোরপূর্বক প্রবেশ করানোর চেষ্টা করা হয়েছে। তবে কয়েকটি ঘটনায় বাংলাদেশ সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিজিবি) তা প্রতিহত করেছে।
ওয়ার্কার্স পার্টির নেতারা বলেন, পুশইনের কারণে নারী, শিশু ও অন্যান্য মানুষের মানবিক সংকট তৈরি হচ্ছে। সীমান্ত এলাকায় আটকে পড়া এসব মানুষ খাদ্য, আশ্রয় ও প্রয়োজনীয় সহায়তার অভাবে দুর্ভোগে পড়ছেন, যা অমানবিক এবং মানবিক মর্যাদা বিরোধী একটি তৎপরতা।
বিবৃতিতে বাংলাদেশের সরকারকে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় কূটনৈতিক ও প্রশাসনিক উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়। একই সঙ্গে ভারত সরকারকে পুশইনের মতো কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার দাবি জানিয়েছে দলটি। নেতৃবৃন্দ বলেন, সীমান্তে স্থিতিশীলতা ও পারস্পরিক আস্থা বজায় রাখতে উভয় দেশের উচিত আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করা।

বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় নেতা সাদিক কায়েম সম্প্রতি ছাত্রশিবির ছেড়ে জামায়াতে ইসলামীর রাজনীতিতে যোগ দেওয়ায় তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি পদে থাকার ‘নৈতিকতা হারিয়েছে’ বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি নেতা রাশেদ খাঁন।
১ দিন আগে
নতুন এই রদবদলে কেন্দ্রীয় স্কুল কার্যক্রম সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন ডা. জায়েদ আহমাদ। তিনি শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ থেকে (২০১৮-২০১৯ সেশন) এমবিবিএস পাস করেছেন। এর আগে তিনি শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজের সভাপতি এবং মেডিকেল জোনের সেক্রেটারি ও সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তার গ্রামের
১ দিন আগে
নাহিদ বলেন, সরকার বলেছিল, তারা জুলাইয়ের চেতনাকে ধারণ করে, জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করবে। কিন্তু আজ আমরা দেখছি, জুলাই সনদ বাস্তবায়নে নানা টালবাহানা করা হচ্ছে। জুলাই সনদ বাস্তবায়ন হবে কি না, তা নিয়েই সন্দেহ দেখা দিয়েছে। তাই সরকার যদি বলে তারা জুলাইয়ের চেতনা ধারণ করে, তাহলে বিচার আর সংস্কার প্রক্রিয়াকে আন্ত
২ দিন আগে
নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী তার পোস্টে বলেন, স্বাধীন বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় শিক্ষাব্যবস্থা এখনও কোনো সুস্পষ্ট জাতীয় সিদ্ধান্তে উপনীত হতে পারেনি এবং বর্তমান বিজ্ঞান, কলা ও ব্যবসায় শিক্ষার কাঠামো দক্ষ জনশক্তি গড়ার পরিবর্তে একটি বৃহৎ শিক্ষিত বেকার জনগোষ্ঠী তৈরি করছে।
২ দিন আগে