
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

জ্বালানি তেল ও সিলিন্ডার গ্যাসের পর বিদ্যুতের দামও বাড়ানোর প্রতিবাদে রাজধানী ঢাকায় বিক্ষোভ সমাবেশে করেছে জামায়াতে ইসলামী।
সমাবেশে দলটির সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, বিদ্যুৎ খাতে হওয়া দুর্নীতি-অনিয়মের তদন্ত করা উচিত ছিল সরকারের। তা না করে সরকার করে বিদ্যুতের দাম বাড়িয়ে দিয়েছে। এই বর্ধিত দাম প্রত্যাহার না করলে সরকারকে জনগণের রুদ্ররোষে পড়তে হবে বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (৪ জুন) বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর প্রতিবাদে রাজধানীর পল্টনে বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেটে আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সরকারের উদ্দেশে মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, আবার বিদ্যুতের দাম গ্রাহক পর্যায়ে প্রায় ২০ শতাংশ বৃদ্ধি করেছেন। প্রান্তিক, গরীব মানুষ জিরো থেকে পঞ্চাশ ইউনিট ব্যবহার করে। তাদের ঘাড়ে প্রায় তিন কোটি বিদ্যুৎ গ্রাহকের ওপরে বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধি করে জনগণের ওপর জুলুম চাপিয়ে দিয়েছেন। তার প্রতিবাদে আজকে আমরা বিক্ষোভ করছি।
প্রধানমন্ত্রীকে ইঙ্গিত করে মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, এই বর্ধিত মূল্য প্রত্যাহার না করে যদি জনগণের জীবন-মানের উন্নয়নে সাহায্য না করেন, জনগণের রুদ্ররোষে পড়ার চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হবে আপনার।
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব জালালুদ্দীন আহমদও বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধিৎকে ‘অযৌক্তিক’ অভিহিত করেছেন। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, এই মূল্যবৃদ্ধিকে জনজীবনের ওপর নতুন আঘাত বলে মন্তব্য করেছেন তিনি। অবিলম্বে বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের দাবিও জানান।
এদিকে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) বুধবার ঘোষণা দিয়ে খুচরায় বিদ্যুতের দাম ১৬ দশমিক ৬৮ শতাংশ বাড়ালেও বৃহস্পতিবার জানিয়েছে ভিন্ন কথা। সংস্থাটি জানায়, আবাসিক গ্রাহকদের সর্বনিম্ন দুই ধাপের বর্ধিত বিদ্যুতের দাম প্রত্যাহার করা হয়েছে। এর ফলে ৭৫ ইউনিট পর্যন্ত ব্যবহারকারীদের জন্য বিদ্যুতের আগের দামই বহাল থাকছে।
নিম্ন আয়ের মানুষের কথা বিবেচনা করে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে বিইআরসি সূত্র।

জ্বালানি তেল ও সিলিন্ডার গ্যাসের পর বিদ্যুতের দামও বাড়ানোর প্রতিবাদে রাজধানী ঢাকায় বিক্ষোভ সমাবেশে করেছে জামায়াতে ইসলামী।
সমাবেশে দলটির সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, বিদ্যুৎ খাতে হওয়া দুর্নীতি-অনিয়মের তদন্ত করা উচিত ছিল সরকারের। তা না করে সরকার করে বিদ্যুতের দাম বাড়িয়ে দিয়েছে। এই বর্ধিত দাম প্রত্যাহার না করলে সরকারকে জনগণের রুদ্ররোষে পড়তে হবে বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (৪ জুন) বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর প্রতিবাদে রাজধানীর পল্টনে বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেটে আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সরকারের উদ্দেশে মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, আবার বিদ্যুতের দাম গ্রাহক পর্যায়ে প্রায় ২০ শতাংশ বৃদ্ধি করেছেন। প্রান্তিক, গরীব মানুষ জিরো থেকে পঞ্চাশ ইউনিট ব্যবহার করে। তাদের ঘাড়ে প্রায় তিন কোটি বিদ্যুৎ গ্রাহকের ওপরে বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধি করে জনগণের ওপর জুলুম চাপিয়ে দিয়েছেন। তার প্রতিবাদে আজকে আমরা বিক্ষোভ করছি।
প্রধানমন্ত্রীকে ইঙ্গিত করে মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, এই বর্ধিত মূল্য প্রত্যাহার না করে যদি জনগণের জীবন-মানের উন্নয়নে সাহায্য না করেন, জনগণের রুদ্ররোষে পড়ার চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হবে আপনার।
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব জালালুদ্দীন আহমদও বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধিৎকে ‘অযৌক্তিক’ অভিহিত করেছেন। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, এই মূল্যবৃদ্ধিকে জনজীবনের ওপর নতুন আঘাত বলে মন্তব্য করেছেন তিনি। অবিলম্বে বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের দাবিও জানান।
এদিকে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) বুধবার ঘোষণা দিয়ে খুচরায় বিদ্যুতের দাম ১৬ দশমিক ৬৮ শতাংশ বাড়ালেও বৃহস্পতিবার জানিয়েছে ভিন্ন কথা। সংস্থাটি জানায়, আবাসিক গ্রাহকদের সর্বনিম্ন দুই ধাপের বর্ধিত বিদ্যুতের দাম প্রত্যাহার করা হয়েছে। এর ফলে ৭৫ ইউনিট পর্যন্ত ব্যবহারকারীদের জন্য বিদ্যুতের আগের দামই বহাল থাকছে।
নিম্ন আয়ের মানুষের কথা বিবেচনা করে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে বিইআরসি সূত্র।

নাহিদ ইসলাম বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর জনগণের অধিকার হরণ করছে এবং গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। অতীতে যারা গণতন্ত্র ধ্বংসের সঙ্গে জড়িত ছিল, তাদের স্থান ইতিহাসের আস্তাকুঁড়ে হয়েছে।
১ দিন আগে
শফিকুর রহমান বলেন, ১১ দলীয় লংমার্চ দেখে অনেকের মাথা গরম হয়ে গেছে, জাতির প্রয়োজনে ৮ দফা এক দফায় পরিণত হতে পারে। তিনি আরও বলেন, এক দফা আসলে পরিস্থিতি খুবই ভয়াবহ হবে।
১ দিন আগে
নতুন করে আলোচনা শুরুর ফলে রোহিঙ্গা সংকটকে শুধু একটি মানবিক বোঝা হিসেবে না দেখে আঞ্চলিক সমস্যা হিসেবে দেখার সুযোগ তৈরি হয়েছে। এই সংকটে চীনের কূটনৈতিক, অর্থনৈতিক ও কৌশলগত স্বার্থও ক্রমেই এক জায়গায় এসে মিলছে। আরও স্থিতিশীল রাখাইন রাজ্য চীনের জন্য বিভিন্ন দিক থেকে লাভজনক হতে পারে।
২ দিন আগে
বর্তমান জাতীয় সংসদে সংশোধিত জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল (জামুকা) আইন পাসের প্রসঙ্গও তুলে ধরেন আইনমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘আইনে মুক্তিযোদ্ধার সংজ্ঞায় বলা হয়েছে, যারা ১৯৭১ সালের পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী, তৎকালীন আল বদর, তৎকালীন রাজাকার, তৎকালীন মুসলিম লীগ, তৎকালীন জামায়াতে ইসলামী— এই তৎকালীন শব্দটা আগে
২ দিন আগে