
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

দেশের আসন্ন জাতীয় বাজেটকে সামনে রেখে জনবান্ধব ও বিকল্প অর্থনৈতিক প্রস্তাবনা তুলে ধরতে একটি ‘ছায়া-বাজেট প্রণয়ন কমিটি’ গঠন করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। আজ শনিবার (২৫ এপ্রিল) দলটির কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটির এক বিশেষ নির্দেশনায় ১৫ সদস্যের এই কমিটি ঘোষণা করা হয়।
জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক মো. নাহিদ ইসলাম ও সদস্য সচিব আখতার হোসেনের যৌথ নির্দেশনায় এই কমিটি গঠন করা হয়েছে। দলটির যুগ্ম সদস্য সচিব (দপ্তর) সালেহ উদ্দিন সিফাত স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়।
ছায়া-বাজেট ও কমিটির লক্ষ্য
'ছায়া-বাজেট' (Shadow Budget) হলো সরকারি বাজেটের একটি বিকল্প রূপরেখা। এই কমিটির মূল কাজ হবে সরকারি বাজেটের সম্ভাব্য দুর্বলতাগুলো চিহ্নিত করা এবং শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও কর্মসংস্থানের মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতে দেশের নাগরিকরা প্রকৃত অর্থে কী ধরনের বরাদ্দ চায়, তার একটি বিশেষজ্ঞ প্রস্তাবনা তৈরি করা। এটি সরকারকে যেমন জনকল্যাণমুখী নীতি নির্ধারণে সহায়তা করে, তেমনি সাধারণ জনগণকে দেশের অর্থনীতির জটিল বিষয়গুলো সহজভাবে বুঝতে সাহায্য করে।
উন্নত গণতান্ত্রিক দেশগুলোতে ‘ছায়া বাজেট’ পেশ করা একটি স্বীকৃত রাজনৈতিক সংস্কৃতি। বিশেষ করে যুক্তরাজ্য (UK), কানাডা এবং অস্ট্রেলিয়ায় বিরোধী দলগুলো প্রতি বছর সরকারি বাজেটের পাশাপাশি নিজস্ব বাজেট পেশ করে। এর মাধ্যমে তারা প্রমাণ করে যে, রাষ্ট্র পরিচালনায় তাদের কাছে আরও উন্নত ও বাস্তবমুখী পরিকল্পনা রয়েছে।
বাংলাদেশে এই চর্চা একদম নতুন না হলেও রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে এর নিয়মিত প্রয়োগ সীমিত। এর আগে দীর্ঘ সময় ধরে বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতি (BEA) প্রতি বছর একটি বিশেষজ্ঞ বিকল্প বাজেট পেশ করে আসছে। এ ছাড়া বামপন্থি দলগুলো এবং সম্প্রতি প্রধান বিরোধী জোটের দলগুলো বিকল্প অর্থনৈতিক প্রস্তাবনা দিয়েছে। তবে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মতো একটি দলের পক্ষ থেকে নির্দিষ্ট বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করে এই উদ্যোগ নেওয়াকে দেশের সংসদীয় গণতন্ত্রের গুণগত পরিবর্তন হিসেবে দেখছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
কমিটির নেতৃত্বে যারা আছেন
ঘোষিত এই কমিটিতে প্রধান হিসেবে মনোনীত হয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির যুগ্ম আহ্বায়ক এবং কুড়িগ্রাম-২ আসনের সংসদ সদস্য ড. আতিক মুজাহিদ এবং উপ-প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন দলটির যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক আবদুল্লাহ আল ফয়সাল।
কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন— মাহবুব আলম মাহির, জাবেদ রাসিন, আলাউদ্দিন মোহাম্মদ, সাগুফতা বুশরা মিশমা, সাদিয়া ফারজানা দিনা, আশেকীন আলম, নাভিদ নওরোজ শাহ, ফরহাদ সোহেল, ইশতিয়াক আকিব, মাজেদুল ইসলাম, তৌকির আজিজ, আছিয়া আক্তার রেমিজা এবং সজিব ওয়াফি।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, রাজধানীর বাংলামোটরস্থ রূপায়ন ট্রেড সেন্টারে অবস্থিত দলটির অস্থায়ী কার্যালয় থেকে এই কমিটির কার্যক্রম পরিচালিত হবে। জনস্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে একটি আধুনিক ও স্বচ্ছ অর্থনৈতিক মডেল তৈরি করাই এই কমিটির মূল লক্ষ্য।

দেশের আসন্ন জাতীয় বাজেটকে সামনে রেখে জনবান্ধব ও বিকল্প অর্থনৈতিক প্রস্তাবনা তুলে ধরতে একটি ‘ছায়া-বাজেট প্রণয়ন কমিটি’ গঠন করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। আজ শনিবার (২৫ এপ্রিল) দলটির কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটির এক বিশেষ নির্দেশনায় ১৫ সদস্যের এই কমিটি ঘোষণা করা হয়।
জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক মো. নাহিদ ইসলাম ও সদস্য সচিব আখতার হোসেনের যৌথ নির্দেশনায় এই কমিটি গঠন করা হয়েছে। দলটির যুগ্ম সদস্য সচিব (দপ্তর) সালেহ উদ্দিন সিফাত স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়।
ছায়া-বাজেট ও কমিটির লক্ষ্য
'ছায়া-বাজেট' (Shadow Budget) হলো সরকারি বাজেটের একটি বিকল্প রূপরেখা। এই কমিটির মূল কাজ হবে সরকারি বাজেটের সম্ভাব্য দুর্বলতাগুলো চিহ্নিত করা এবং শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও কর্মসংস্থানের মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতে দেশের নাগরিকরা প্রকৃত অর্থে কী ধরনের বরাদ্দ চায়, তার একটি বিশেষজ্ঞ প্রস্তাবনা তৈরি করা। এটি সরকারকে যেমন জনকল্যাণমুখী নীতি নির্ধারণে সহায়তা করে, তেমনি সাধারণ জনগণকে দেশের অর্থনীতির জটিল বিষয়গুলো সহজভাবে বুঝতে সাহায্য করে।
উন্নত গণতান্ত্রিক দেশগুলোতে ‘ছায়া বাজেট’ পেশ করা একটি স্বীকৃত রাজনৈতিক সংস্কৃতি। বিশেষ করে যুক্তরাজ্য (UK), কানাডা এবং অস্ট্রেলিয়ায় বিরোধী দলগুলো প্রতি বছর সরকারি বাজেটের পাশাপাশি নিজস্ব বাজেট পেশ করে। এর মাধ্যমে তারা প্রমাণ করে যে, রাষ্ট্র পরিচালনায় তাদের কাছে আরও উন্নত ও বাস্তবমুখী পরিকল্পনা রয়েছে।
বাংলাদেশে এই চর্চা একদম নতুন না হলেও রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে এর নিয়মিত প্রয়োগ সীমিত। এর আগে দীর্ঘ সময় ধরে বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতি (BEA) প্রতি বছর একটি বিশেষজ্ঞ বিকল্প বাজেট পেশ করে আসছে। এ ছাড়া বামপন্থি দলগুলো এবং সম্প্রতি প্রধান বিরোধী জোটের দলগুলো বিকল্প অর্থনৈতিক প্রস্তাবনা দিয়েছে। তবে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মতো একটি দলের পক্ষ থেকে নির্দিষ্ট বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করে এই উদ্যোগ নেওয়াকে দেশের সংসদীয় গণতন্ত্রের গুণগত পরিবর্তন হিসেবে দেখছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
কমিটির নেতৃত্বে যারা আছেন
ঘোষিত এই কমিটিতে প্রধান হিসেবে মনোনীত হয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির যুগ্ম আহ্বায়ক এবং কুড়িগ্রাম-২ আসনের সংসদ সদস্য ড. আতিক মুজাহিদ এবং উপ-প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন দলটির যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক আবদুল্লাহ আল ফয়সাল।
কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন— মাহবুব আলম মাহির, জাবেদ রাসিন, আলাউদ্দিন মোহাম্মদ, সাগুফতা বুশরা মিশমা, সাদিয়া ফারজানা দিনা, আশেকীন আলম, নাভিদ নওরোজ শাহ, ফরহাদ সোহেল, ইশতিয়াক আকিব, মাজেদুল ইসলাম, তৌকির আজিজ, আছিয়া আক্তার রেমিজা এবং সজিব ওয়াফি।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, রাজধানীর বাংলামোটরস্থ রূপায়ন ট্রেড সেন্টারে অবস্থিত দলটির অস্থায়ী কার্যালয় থেকে এই কমিটির কার্যক্রম পরিচালিত হবে। জনস্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে একটি আধুনিক ও স্বচ্ছ অর্থনৈতিক মডেল তৈরি করাই এই কমিটির মূল লক্ষ্য।

জামায়াতকে উদ্দেশ করে তিনি বলেছেন, ‘দেশকে আবার ভিন্নভাবে তারা স্বৈরাচারের মধ্যে নিতে চায় কি না— আমাদের সেই চিন্তা করতে হবে। তাদের যে অতীত ইতিহাস, আমরা সবাই জানি। দেশবাসী সচেতনভাবে তাদের প্রত্যাখ্যান করেছে। আগামীতে যেন রাজনৈতিকভাবে তাদের পুরোপুরি নির্মূল করা যায়, আমাদের সেভাবে কাজ করতে হবে।’
১৬ ঘণ্টা আগে
তিনি বলেন, ‘আমরা কারো ন্যায্য অবদানকে কখনো অস্বীকার করি না। আন্দোলন আমরা সবাই করেছি। কিন্তু আমরা তীরে ফিরতে পারি নাই। আমাদের তরি সমুদ্রে ভাসমান ছিল। জুলাই আন্দোলনের নায়করা এই তরি নিয়ে ঘাটে ভিড়েছে, জাতিকে মুক্তির পথ দেখিয়েছে। তাদের সম্মান করতে, ভালোবাসতে শিখুন। তাদের তুচ্ছতাচ্ছিল্য করবেন না।’
১৭ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আমির ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য নুরুল ইসলাম বুলবুল বলেছেন, ‘বর্তমান সরকার জুলাইকে পদদলিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বিএনপি আগামী দিনে বাংলাদেশের রাজনীতিতে বিশ্বাসঘাতক হিসেবে জনগণের কাছে চিহ্নিত হয়ে থাকবে।’
১৯ ঘণ্টা আগে
এ সময় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক ও কৃষি বিষয়ক উপদেষ্টা নজরুল ইসলাম খান বলেন, ঢাকা শহরের যত শ্রমিক আছেন, তাদের মধ্য থেকে একভাগ শ্রমিককেও আমরা সংগঠিত করতে পারিনি। আমরা যদি দুই ভাগ লোককে সংগঠিত করতে পারি, তাহলে আমাদের শ্রমিক সমাবেশ সফল হবে।
১ দিন আগে