ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম
বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে ঐক্যমতকে ধারণ করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন সংবিধান সংস্কার কমিশনের প্রধান অধ্যাপক আলী রীয়াজ। তিনি বলেন, সংস্কার কাজ এগিয়ে নিতে রাজনৈতিক শক্তিগুলোর সংকল্প থাকতে হবে। জনগণ ও রাজনৈতিক দলগুলো গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা, নাগরিক অধিকার, ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ চায়।
রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনে ফোরাম ফর বাংলাদেশ স্টাডিজ আয়োজিত ‘ঐক্য, সংস্কার, নির্বাচন’ শীর্ষক সংলাপে শুক্রবার (২৭ ডিসেম্বর) সকালে তিনি এসব কথা বলেন।
আলী রীয়াজ বলেন, ভালো সংবিধান প্রণয়নেই সাংবিধানিক অধিকার নিশ্চিত হবে না। শুধু আইন কানুনের সংস্কারই যথেষ্ট নয়। রাজনৈতিক শক্তিগুলোকে এই সংস্কার এগিয়ে নিতে সংকল্প থাকতে হবে।
তিনি আরও বলেন, এমন একটি রাষ্ট্রব্যবস্থা তৈরি করা দরকার, যেখানে জবাবদিহিতা হবে প্রাথমিক ভিত্তি। কেননা জবাবদিহিতা না থাকলে কোনো অবস্থাতেই আপনি মানুষের মানবিক মর্যাদা প্রতিষ্ঠা করতে পারবেন না।
সংবিধান সংস্কার কমিশনের প্রধান বলেন, ঐক্যের বিষয়টা কিসের ভিত্তিতে, কিসের ঐক্য চাই আমরা? প্রথমেই সেটা নির্ধারণ করা দরকার। ঐক্যের জায়গা হলো- কেবলমাত্র অতীতে ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে বা ব্যক্তিতান্ত্রিক স্বৈরতন্ত্রের বিরুদ্ধে যে লড়াই, সেটা ঐক্যের সূচনা মাত্র। যে প্রশ্নে আমাদের ঐক্যের জায়গাটা তৈরি করা দরকার, সেটা হলো বর্তমান পরিস্থিতির পরও একটি জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থা, নির্বাচনী ব্যবস্থা যেটি আসলে জনগণের মতামতের প্রতিফলন ঘটাতে পারে। এমন একটি ব্যবস্থা যেখানে ক্ষমতার এককেন্দ্রিককরণ ব্যবস্থা অসম্ভব হয়ে পড়বে এবং প্রতিষ্ঠানগুলো সার্বিকভাবে তাদের দায়িত্ব পালন করতে পারবে। এই জায়গাগুলোতে যে ঐকমত্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, ঐক্যমত্যের জায়গাগুলো অগ্রসর করা দরকার।
বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে ঐক্যমতকে ধারণ করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন সংবিধান সংস্কার কমিশনের প্রধান অধ্যাপক আলী রীয়াজ। তিনি বলেন, সংস্কার কাজ এগিয়ে নিতে রাজনৈতিক শক্তিগুলোর সংকল্প থাকতে হবে। জনগণ ও রাজনৈতিক দলগুলো গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা, নাগরিক অধিকার, ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ চায়।
রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনে ফোরাম ফর বাংলাদেশ স্টাডিজ আয়োজিত ‘ঐক্য, সংস্কার, নির্বাচন’ শীর্ষক সংলাপে শুক্রবার (২৭ ডিসেম্বর) সকালে তিনি এসব কথা বলেন।
আলী রীয়াজ বলেন, ভালো সংবিধান প্রণয়নেই সাংবিধানিক অধিকার নিশ্চিত হবে না। শুধু আইন কানুনের সংস্কারই যথেষ্ট নয়। রাজনৈতিক শক্তিগুলোকে এই সংস্কার এগিয়ে নিতে সংকল্প থাকতে হবে।
তিনি আরও বলেন, এমন একটি রাষ্ট্রব্যবস্থা তৈরি করা দরকার, যেখানে জবাবদিহিতা হবে প্রাথমিক ভিত্তি। কেননা জবাবদিহিতা না থাকলে কোনো অবস্থাতেই আপনি মানুষের মানবিক মর্যাদা প্রতিষ্ঠা করতে পারবেন না।
সংবিধান সংস্কার কমিশনের প্রধান বলেন, ঐক্যের বিষয়টা কিসের ভিত্তিতে, কিসের ঐক্য চাই আমরা? প্রথমেই সেটা নির্ধারণ করা দরকার। ঐক্যের জায়গা হলো- কেবলমাত্র অতীতে ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে বা ব্যক্তিতান্ত্রিক স্বৈরতন্ত্রের বিরুদ্ধে যে লড়াই, সেটা ঐক্যের সূচনা মাত্র। যে প্রশ্নে আমাদের ঐক্যের জায়গাটা তৈরি করা দরকার, সেটা হলো বর্তমান পরিস্থিতির পরও একটি জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থা, নির্বাচনী ব্যবস্থা যেটি আসলে জনগণের মতামতের প্রতিফলন ঘটাতে পারে। এমন একটি ব্যবস্থা যেখানে ক্ষমতার এককেন্দ্রিককরণ ব্যবস্থা অসম্ভব হয়ে পড়বে এবং প্রতিষ্ঠানগুলো সার্বিকভাবে তাদের দায়িত্ব পালন করতে পারবে। এই জায়গাগুলোতে যে ঐকমত্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, ঐক্যমত্যের জায়গাগুলো অগ্রসর করা দরকার।
আরিফুল ইসলাম আদীব বলেন, বিগত তিনটি অবৈধ নির্বাচনকে বৈধতা দিতে জাতীয় পার্টি অংশ নিয়েছিল। তাদের পোস্টারেও আওয়ামী মনোনীত প্রার্থী লেখা ছিল। আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টির মধ্যে পার্থক্য নেই। জাতীয় পার্টির কার্যক্রম স্থগিত করার জন্য পদক্ষেপ নিতে আহ্বান জানিয়েছে এনসিপি।
৬ ঘণ্টা আগেডা. তাহের বলেন, জাতীয় পার্টির বিষয়ে আমরা সুস্পষ্ট করে বলেছি— তারা ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগের সহযোগী ছিল। তাই যেভাবে আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা হয়েছে, একইভাবে জাতীয় পার্টিকেও নিষিদ্ধ করা যেতে পারে।
৭ ঘণ্টা আগেইশতেহারে একাডেমিক ক্যালেন্ডারে কেন্দ্রীয় ও হল সংসদ নির্বাচনের তারিখ সুনির্দিষ্ট করা, প্রথম বর্ষ থেকেই প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে আসন নিশ্চিত করা, খাদ্য ও পুষ্টিমান নিশ্চিত করা, গণরুম-গেস্টরুম ও র্যাগিং প্রথা নিষিদ্ধ করা এবং সব জাতিগোষ্ঠীর সমমর্যাদা ও অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করার প্রতিশ্রুতি উঠে এসেছে।
৭ ঘণ্টা আগে