
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক বলেছেন, আমাদের বিচারব্যবস্থার প্রধান সমস্যা রাজনৈতিক প্রভাব ও হস্তক্ষেপ। উচ্চ আদালতের বিচারক নিয়োগে অনেক সময় রাজনৈতিক বিবেচনা কাজ করে বলে অনেক সময় বিচারের ক্ষেত্রে বিচারকেরা মনস্তাত্ত্বিক সংকটে ভোগেন। এই অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসতে না পারলে উপযুক্ত বিচার পাওয়া যাবে না। বিচারকদের অবশ্যই মনস্তাত্ত্বিক সংকট থেকে মুক্তি দিতে হবে।
শুক্রবার (১৫ মে) বিকেলে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় গণতান্ত্রিক আইনজীবী সংহতির প্রতিনিধিসভায় প্রধান তিনি এসব কথা বলেন।
সাইফুল হক বলেন, সেটাই সবচেয়ে ভালো সরকার, যারা বিচার বিভাগের পূর্ণ স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে এগিয়ে আসে।
সরকার তথা নির্বাহী বিভাগের সঙ্গে পার্লামেন্ট ও বিচার বিভাগের যৌক্তিক ভারসাম্যমূলক সম্পর্ক না থাকলে উদার গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা ক্রিয়াশীল থাকতে পারে না।
তিনি আরো বলেন, বিচারব্যবস্থাকে আবশ্যিকভাবে রাজনৈতিক, সামাজিক ও অর্থনৈতিক প্রভাবের বাইরে থেকে কাজ করতে দিতে হবে। সামাজিকভাবে প্রান্তিক ও দুর্বল মানুষেরা ন্যায়বিচার পাচ্ছেন কি না, এর ওপর বিচার বিভাগের প্রতি আস্থা ও কার্যকারিতা নির্ভর করছে।
সাইফুল হক বলেন, দেশের নতুন গণতান্ত্রিক যাত্রায় বিচার বিভাগকে কোনোভাবে রাজনৈতিক বিরোধী বা ভিন্ন মতাবলম্বীদের দমনে ব্যবহার করা যাবে না। তিনি বলেন, মানুষের জন্যই আইন, আইনের জন্য মানুষ নয়।
তিনি আশা করেন, নতুন নির্বাচিত সরকার স্বাক্ষরিত জুলাই সনদ ও জনপ্রত্যাশা অনুযায়ী বিচারব্যবস্থা সংস্কারে অচিরেই প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেবে।
প্রবীণ আইনজীবী অ্যডভোকেট মাহবুবুল করিম টিপুর সভাপতিত্বে প্রতিনিধিসভায় বক্তব্য দেন সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী শেখ রফিকুল ইসলাম, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির রাজনৈতিক পরিষদের সদস্য আকবর খান, বিপ্লবী শ্রমিক সংহতির সভাপতি মীর মোফাজ্জল হোসেন মোশতাক, বিপ্লবী যুব সংহতির আহ্বায়ক বাবর চৌধুরীসহ অনেকেই।
প্রতিনিধি সভায় অ্যাডভোকেট মাহবুবুল করিম টিপুকে আহ্বায়ক, অনিরুদ্ধ সরকারকে যুগ্ম আহ্বায়ক এবং অ্যাডভোকেট সুমন মিয়াকে সদস্য সচিব নির্বাচিত করে গণতান্ত্রিক আইনজীবী সংহতির ২১ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়। সভায় সংগঠনের খসড়া ঘোষণা ও গঠনতন্ত্র অনুমোদন করা হয়।
রাজনীতি/এসআই

বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক বলেছেন, আমাদের বিচারব্যবস্থার প্রধান সমস্যা রাজনৈতিক প্রভাব ও হস্তক্ষেপ। উচ্চ আদালতের বিচারক নিয়োগে অনেক সময় রাজনৈতিক বিবেচনা কাজ করে বলে অনেক সময় বিচারের ক্ষেত্রে বিচারকেরা মনস্তাত্ত্বিক সংকটে ভোগেন। এই অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসতে না পারলে উপযুক্ত বিচার পাওয়া যাবে না। বিচারকদের অবশ্যই মনস্তাত্ত্বিক সংকট থেকে মুক্তি দিতে হবে।
শুক্রবার (১৫ মে) বিকেলে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় গণতান্ত্রিক আইনজীবী সংহতির প্রতিনিধিসভায় প্রধান তিনি এসব কথা বলেন।
সাইফুল হক বলেন, সেটাই সবচেয়ে ভালো সরকার, যারা বিচার বিভাগের পূর্ণ স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে এগিয়ে আসে।
সরকার তথা নির্বাহী বিভাগের সঙ্গে পার্লামেন্ট ও বিচার বিভাগের যৌক্তিক ভারসাম্যমূলক সম্পর্ক না থাকলে উদার গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা ক্রিয়াশীল থাকতে পারে না।
তিনি আরো বলেন, বিচারব্যবস্থাকে আবশ্যিকভাবে রাজনৈতিক, সামাজিক ও অর্থনৈতিক প্রভাবের বাইরে থেকে কাজ করতে দিতে হবে। সামাজিকভাবে প্রান্তিক ও দুর্বল মানুষেরা ন্যায়বিচার পাচ্ছেন কি না, এর ওপর বিচার বিভাগের প্রতি আস্থা ও কার্যকারিতা নির্ভর করছে।
সাইফুল হক বলেন, দেশের নতুন গণতান্ত্রিক যাত্রায় বিচার বিভাগকে কোনোভাবে রাজনৈতিক বিরোধী বা ভিন্ন মতাবলম্বীদের দমনে ব্যবহার করা যাবে না। তিনি বলেন, মানুষের জন্যই আইন, আইনের জন্য মানুষ নয়।
তিনি আশা করেন, নতুন নির্বাচিত সরকার স্বাক্ষরিত জুলাই সনদ ও জনপ্রত্যাশা অনুযায়ী বিচারব্যবস্থা সংস্কারে অচিরেই প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেবে।
প্রবীণ আইনজীবী অ্যডভোকেট মাহবুবুল করিম টিপুর সভাপতিত্বে প্রতিনিধিসভায় বক্তব্য দেন সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী শেখ রফিকুল ইসলাম, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির রাজনৈতিক পরিষদের সদস্য আকবর খান, বিপ্লবী শ্রমিক সংহতির সভাপতি মীর মোফাজ্জল হোসেন মোশতাক, বিপ্লবী যুব সংহতির আহ্বায়ক বাবর চৌধুরীসহ অনেকেই।
প্রতিনিধি সভায় অ্যাডভোকেট মাহবুবুল করিম টিপুকে আহ্বায়ক, অনিরুদ্ধ সরকারকে যুগ্ম আহ্বায়ক এবং অ্যাডভোকেট সুমন মিয়াকে সদস্য সচিব নির্বাচিত করে গণতান্ত্রিক আইনজীবী সংহতির ২১ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়। সভায় সংগঠনের খসড়া ঘোষণা ও গঠনতন্ত্র অনুমোদন করা হয়।
রাজনীতি/এসআই

চীনের প্রেসিডেন্ট বলেন, কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার ৫১ বছরে দুই দেশ সবসময় একে অন্যকে সম্মান করেছে এবং সমতার ভিত্তিতে আচরণ করেছে। নিজ দেশের মূল স্বার্থ ও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে পরস্পরকে সহযোগিতা করেছে। একই সঙ্গে আধুনিকায়নের পথে হাতে হাত মিলিয়ে এগিয়ে চলেছে।
২ দিন আগে
জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমি তো সিটিজেন নিয়ে আছি, আপনি বলেন নেটিজেন! মানে কোন নেটিজেন? আমি তো সিটিজেন নিয়ে আছি, কাজ করি। আপনি বলেন নেটিজেন! তো মানে কোন নিউজপেপার? কার এত জ্বালা, যে কাজ করতে দেবে না, হ্যাঁ?’
২ দিন আগে
রুহুল কবির রিজভী আরও বলেন, ‘দলের মধ্যে শৃঙ্খলা রক্ষা করাই আমার মূল দায়িত্ব। দলের নাম ব্যবহার করে কেউ অনৈতিক কাজে জড়ালে এবং শৃঙ্খলা পরিপন্থি কাজ করলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
২ দিন আগে
বিএনপি সরকার জনগণকে যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল তার কোনোটিই রক্ষা করতে পারেনি। সরকার গ্যাস ও জ্বালানি সংকট, দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতিসহ মোটা দাগে ২৯টি ক্ষেত্রে চরম অব্যবস্থাপনার পরিচয় দিয়েছে।
২ দিন আগে