ইশরাকের পদত্যাগপত্র মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে, যেকোনো সময় প্রজ্ঞাপন

সংবাদ সম্মেলন করে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছিলেন ইশরাক হোসেন। এরপর নিয়ম অনুযায়ী পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন তিনি। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সূত্র জানিয়েছে, সেই পদত্যাগপত্র এরই মধ্যে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পৌঁছেছে। আনুষ্ঠানিকতা শেষে যেকোনো সময় প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।
সোমবার (১৯ অক্টোবর) রাতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের একটি সূত্র এ তথ্য জানিয়েছে। সূত্রটি বলছে, ইশরাকের পদত্যাগ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারির প্রস্তুতি চলছে।
সংবিধানের ৫৮ অনুচ্ছেদের (১)(ক) দফা অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী ছাড়া অন্য কোনো মন্ত্রী পদত্যাগ করতে চাইলে তাকে পদত্যাগপত্র প্রধানমন্ত্রীর কাছে জমা দিতে হবে, যেন প্রধানমন্ত্রী তা রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠাতে পারেন।
একই অনুচ্ছেদের (৫) দফায় ‘মন্ত্রী’র সংজ্ঞায় প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীকেও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। অর্থাৎ, প্রতিমন্ত্রীর পদত্যাগের ক্ষেত্রেও একই সাংবিধানিক প্রক্রিয়া প্রযোজ্য। জানা গেছে, ইশরাক প্রধানমন্ত্রী বরাবর পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সেটি নিয়ে সাচিবিক কার্যক্রম সম্পন্ন করছে।
বর্তমানে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ে প্রতিমন্ত্রী হিসেবে ইশরাক ছাড়াও মন্ত্রীর দায়িত্বে রয়েছেন আহমেদ আযম খান। ইশরাকের পদত্যাগের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে মন্ত্রণালয়ে প্রতিমন্ত্রীর পদটি শূন্য হবে। তাতে মন্ত্রিসভায় প্রতিমন্ত্রীর সংখ্যা কমে হবে ২৩ জন। মন্ত্রিসভায় পূর্ণ মন্ত্রী রয়েছেন ২৬ জন।
এর আগে সোমবার দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দেন ইশরাক হোসেন। তিনি বলেন, তার কর্মকাণ্ডের কারণে দল ও সরকার বিব্রত হওয়ায় তিনি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
ইশরাকের পদত্যাগের নেপথ্যে রয়েছে গত শনিবার রাজধানীর গেন্ডারিয়া এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযানে তার অস্ত্র হাতে অংশগ্রহণের ঘটনা। ওই অভিযানের ভিডিও তার নিজের ফেসবুক আইডিতেই পোস্ট করা হয়েছিল। এ নিয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা হয়।
তবে মাদকবিরোধী অভিযানে কোনো ভুল করেননি বলে সংবাদ সম্মেলনে দাবি করেন ইশরাক। বলেন, আত্মরক্ষার জন্যই তিনি লাইসেন্স করা আগ্নেয়াস্ত্র হাতে নিয়েছিলেন।
















-3415dc-256x144.webp)


