ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পটুয়াখালী-৪ (কলাপাড়া-রাঙ্গাবালী) আসনে বেসরকারি ফলাফলে বিশাল ব্যবধানে জয়লাভ করেছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও দলের কেন্দ্রীয় প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক এ বি এম মোশাররফ হোসেন। আসনটির ১১১টি কেন্দ্রের চূড়ান্ত ফলাফল অনুযায়ী, ধানের শীষ প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ২২ হাজার ৭৬৭ ভোট।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরগুনা-১ (আমতলী-বরগুনা সদর-তালতলী) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক নজরুল ইসলাম মোল্লার পক্ষে ভোট চেয়েছেন তালতলী উপজেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মো. খলিলুর রহমান হাওলাদার।
মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছে বিএনপি, জামায়াত-এনসিপি নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। পাশাপাশি গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থীর অংশগ্রহণ ভোটের অঙ্কে যোগ করেছে বাড়তি মাত্রা।
চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম বলেছেন, জামায়াতে ইসলামী এখন আর ইসলামের মধ্যে নেই। তাদের কার্যক্রমে আর ইসলাম দেখা যায় না। তাদের ভেতরে আমেরিকার টিপস ঢুকে গেছে।
সাদিক কায়েম বলেন, যারা ইতোমধ্যে তাদের কাজের মাধ্যমে নিজেদের প্রমাণ করেছেন, আমরা কেবল তাদেরই বিশ্বাস করবো। যারা মুচলেকা দিয়ে পালিয়েছেন, তাদের বিশ্বাস করার কোনো সুযোগ নেই।
দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, শুধু আগামী ১২ তারিখ পর্যন্ত নয়, ১৩ তারিখ থেকে আগামী ৫ বছর জনগণের পা ধরে থাকবেন। বিএনপি বিশ্বাস করে জনগণই সব ক্ষমতার উৎস।
তিনি বলেন, ‘একটি রাজনৈতিক দল, যাদের অন্য একটি পরিচয় আছে, জনগণ যাদের একটি ভিন্ন পরিচয়ে চেনে, জনগণ তাদের গুপ্ত পরিচয়ে চেনে। এই গুপ্ত সংগঠনের ব্যক্তিরা নতুন জালেম রূপে আবির্ভূত হয়েছে।’
স্থানীয়রা জানান, সকাল থেকে মেদুয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় প্রচার-প্রচারণা করছিলেন জামায়াতে ইসলামী ও ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীরা। তারা মুন্সিরহাট এলাকায় এলে স্থানীয় বিএনপি ও তার অঙ্গসংগঠনের নেতাদের সঙ্গে বাকবিতণ্ডা বাঁধে। একপর্যায়ে বিএনপির নেতাকর্মীরা জামায়াতের নেতাকর্মীদের সঙ্গে মারামারিতে জড়
ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলায় নির্বাচনী প্রচারকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে উভয় দলের নারী ও পুরুষ নেতাকর্মী রয়েছেন।
পটুয়াখালী-১ আসনে মূল লড়াই হবে বিএনপির ‘ধানের শীষ’ ও ১১-দলীয় ঐক্যের এবি পার্টির ‘ঈগলে’র মধ্যেই— এমন আভাস মিলছে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে। তবে প্রতিদ্বন্দ্বী সব প্রার্থীই ভোটারদের নানা প্রতিশ্রুতির পাশাপাশি আওয়ামী লীগ সমর্থিত ভোটারদের সমর্থন আদায়ে মরিয়া হয়ে উঠেছেন।
স্থানীয়রা জানায়, ভোলা-৪ আসনে ইসলামি আন্দোলনের মনোনীত হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী কামাল উদ্দিনের মেয়ে মারিয়া কামাল ও তার দুইভাইসহ কয়েকজন নারী কর্মীদের নিয়ে পৌরসভা ৬ নং ওয়ার্ডে সকাল ৯টার দিকে তার বাবার পক্ষে নির্বাচনি প্রচারণা চালায়। এ সময় জামায়াত ইসলামির প্রার্থী মোস্তফা কামালের কর্মী সোহেল ও আলাউদ্দি
পার্থ আরও বলেন, ‘লোটাস কামাল থেকে আরম্ভ করে বিদ্যুতের যত চুরি, বাংলাদেশে আওয়ামী লীগ সরকার যে একটা ফ্যাসিস্ট ছিল— আপনাদের দোয়ায় ভোলার পার্থ সেটা বাংলাদেশের মানুষের মুখে মুখে দিয়ে দিয়েছিলাম।’
দেশের মানুষ ইসলামি আইন চায়, শরিয়াভিত্তিক দেশ গড়তে চায় বলে মন্তব্য করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমির ও বরিশাল-৫ আসনের প্রার্থী সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীম।
তবে গণভোটের প্রচারে সক্রিয় ভূমিকা রাখার কারণেই তাকে শোকজ করা হয়েছে বলে ধারণা করছেন স্থানীয়রা। গত ১৩ জানুয়ারি (মঙ্গলবার) বরগুনা জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মো. শহিদুল ইসলাম এ শোকজ নোটিশ জারি করেন।
দলীয় সূত্র জানায়, প্রাথমিকভাবে গোলাম নবী আলমগীরকে এই আসনে বিএনপির দলীয় প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দেয়া হয়েছিল। তবে যুগপৎ আন্দোলনের শরিকদের সঙ্গে আসন ভাগাভাগির চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে ভোলা-১ আসনটি আন্দালিভ রহমান পার্থকে ছেড়ে দেয়ার ঘোষণা দেয় বিএনপি। জোটের ঐক্য বজায় রাখতে এবং একক প্রার্থী নিশ্চিত করতে গোলাম নবী
জানা গেছে, দুর্ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত উদ্ধার কাজে এগিয়ে আসেন। তারা আহত ৬ জনকে উদ্ধার করে বোয়ালমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। নিহত ও আহত শ্রমিকদের বাড়ি উপজেলার ময়না ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে বলে জানা গেছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে তাদের বিস্তারিত পরিচয় নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি।
পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার সদর ইউনিয়নের মাঝনেতা গ্রামে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী আয়েশা মনি হত্যাকাণ্ডের চাঞ্চল্যকর রহস্য উদ্ঘাটন করেছে পুলিশ। বাবার অনৈতিক সম্পর্কের বিষয়টি জেনে ফেলায় মেয়েকে হত্যা করা হয়েছে বলে উঠে এসেছে তদন্তে।