
পটুয়াখালী প্রতিনিধি

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পটুয়াখালী-২ (বাউফল) আসনে বিএনপিঘোষিত প্রার্থী পরিবর্তনের দাবিতে আন্দোলনে নেমেছেন মনোনয়নবঞ্চিত দুই নেতার অনুসারীরা। কাফনের কাপড় গায়ে জড়িয়ে তারা বিক্ষোভ করেছেন।
বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) বিকেলে বাউফল পৌর শহরে কাফনের কাপড় পরে বিক্ষোভ মিছিলে অংশ নেওয়া নেতাকর্মীরা দুই মনোনয়নপ্রত্যাশী— বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সহদপ্তর সম্পাদক মো. মুনির হোসেন ও নির্বাহী সদস্য শিল্পপতি এ কে এম ফারুক আহম্মেদ তালুকদারের অনুসারী।
এ আসনে সাবেক সংসদ সদস্য শহিদুল আলম তালুকদারকে দলীয় মনোনয়ন দেওয়ার পর থেকেই মনোনয়নবঞ্চিতদের সমর্থকরা বিভিন্ন ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে বিক্ষোভ করে আসছেন।
এর আগে উপজেলা বিএনপির কার্যালয়ে দলীয় চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। এতে আন্দোলনকারী নেতাকর্মীরা অংশ নেন। পরে বিকেল সোয়া ৪টার দিকে উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবদুল জব্বার মৃধার নেতৃত্বে মিছিল বের হয়, যার সামনের সারিতে থাকা অনেকের গায়েই ছিল কাফনের কাপড়।
মিছিলে ‘বাউফলের মনোনয়ন পরিবর্তন চাই’, ‘শহিদুল আলমের মনোনয়ন মানি না, মানব না’সহ নানা স্লোগান দেন নেতাকর্মীরা। পৌরসভার প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে দলীয় কার্যালয়ের সামনে গিয়ে শেষ হয় মিছিল।
এর আগে গত রোববার উপজেলা বিএনপির জরুরি সভা থেকেও এ আসনে দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাখ্যানের ঘোষণা দেওয়া হয়। সেখানে মুনির হোসেনকে দলীয় প্রার্থী করার দাবিও জানানো হয়। পরে বিক্ষোভ ও মশাল মিছিল বের করেন নেতাকর্মীরা।
তবে গত মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) বাউফল পাবলিক মাঠে আয়োজিত সভায় বিএনপি মনোনীত প্রার্থী শহিদুল আলম তালুকদার জানান, মনোনয়নবঞ্চিতদের সঙ্গে তিনি দল ও ধানের শীষের জন্য একযোগে কাজ করতে চান। দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় দোয়া অনুষ্ঠান শুরুর আগে তিনি এ কথা বলেন।
চলতি মাসের ৪ ডিসেম্বর গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দ্বিতীয় দফায় ৩৬ আসনে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেন। এর মধ্যে পটুয়াখালী-২ আসনে শহিদুল আলম তালুকদারের নাম ছিল।
১৯৯৬ সালে জাতীয় পার্টি থেকে বিএনপিতে যোগ দেওয়া শহিদুল আলম ২০০১ সালে বিএনপির মনোনয়নে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ২০০৮ সালে দলীয় মনোনয়ন পেলেও মামলা সংক্রান্ত জটিলতায় নির্বাচনে অংশ নিতে পারেননি তিনি।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পটুয়াখালী-২ (বাউফল) আসনে বিএনপিঘোষিত প্রার্থী পরিবর্তনের দাবিতে আন্দোলনে নেমেছেন মনোনয়নবঞ্চিত দুই নেতার অনুসারীরা। কাফনের কাপড় গায়ে জড়িয়ে তারা বিক্ষোভ করেছেন।
বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) বিকেলে বাউফল পৌর শহরে কাফনের কাপড় পরে বিক্ষোভ মিছিলে অংশ নেওয়া নেতাকর্মীরা দুই মনোনয়নপ্রত্যাশী— বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সহদপ্তর সম্পাদক মো. মুনির হোসেন ও নির্বাহী সদস্য শিল্পপতি এ কে এম ফারুক আহম্মেদ তালুকদারের অনুসারী।
এ আসনে সাবেক সংসদ সদস্য শহিদুল আলম তালুকদারকে দলীয় মনোনয়ন দেওয়ার পর থেকেই মনোনয়নবঞ্চিতদের সমর্থকরা বিভিন্ন ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে বিক্ষোভ করে আসছেন।
এর আগে উপজেলা বিএনপির কার্যালয়ে দলীয় চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। এতে আন্দোলনকারী নেতাকর্মীরা অংশ নেন। পরে বিকেল সোয়া ৪টার দিকে উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবদুল জব্বার মৃধার নেতৃত্বে মিছিল বের হয়, যার সামনের সারিতে থাকা অনেকের গায়েই ছিল কাফনের কাপড়।
মিছিলে ‘বাউফলের মনোনয়ন পরিবর্তন চাই’, ‘শহিদুল আলমের মনোনয়ন মানি না, মানব না’সহ নানা স্লোগান দেন নেতাকর্মীরা। পৌরসভার প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে দলীয় কার্যালয়ের সামনে গিয়ে শেষ হয় মিছিল।
এর আগে গত রোববার উপজেলা বিএনপির জরুরি সভা থেকেও এ আসনে দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাখ্যানের ঘোষণা দেওয়া হয়। সেখানে মুনির হোসেনকে দলীয় প্রার্থী করার দাবিও জানানো হয়। পরে বিক্ষোভ ও মশাল মিছিল বের করেন নেতাকর্মীরা।
তবে গত মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) বাউফল পাবলিক মাঠে আয়োজিত সভায় বিএনপি মনোনীত প্রার্থী শহিদুল আলম তালুকদার জানান, মনোনয়নবঞ্চিতদের সঙ্গে তিনি দল ও ধানের শীষের জন্য একযোগে কাজ করতে চান। দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় দোয়া অনুষ্ঠান শুরুর আগে তিনি এ কথা বলেন।
চলতি মাসের ৪ ডিসেম্বর গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দ্বিতীয় দফায় ৩৬ আসনে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেন। এর মধ্যে পটুয়াখালী-২ আসনে শহিদুল আলম তালুকদারের নাম ছিল।
১৯৯৬ সালে জাতীয় পার্টি থেকে বিএনপিতে যোগ দেওয়া শহিদুল আলম ২০০১ সালে বিএনপির মনোনয়নে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ২০০৮ সালে দলীয় মনোনয়ন পেলেও মামলা সংক্রান্ত জটিলতায় নির্বাচনে অংশ নিতে পারেননি তিনি।

উদ্বোধন শেষে ফেরি আনার পেছনে অবদান নিয়ে পৃথকভাবে স্লোগান দিতে থাকে এনসিপি ও বিএনপি নেতাকর্মীরা। আর স্লোগানকে কেন্দ্র করে উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। এরপর শুরু হয় সংঘর্ষ। তৎক্ষণাৎ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন নৌবাহিনী ও পুলিশ সদস্যরা।
১৫ ঘণ্টা আগে
এ বিষয়ে নওগাঁ জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মামুন বিন ইসলাম দোহা বলেন, কিছু দিন আগে পারিবারিক কিছু সমস্যায় রাজনীতি থেকে দূরে সরে যাওয়ার কথা জানিয়েছিল বিদ্যুৎ চন্দ্র মাহাতো। এরপর শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) দুপুরে তার পাঠানো পদত্যাগপত্র হোয়াটসঅ্যাপে পেয়েছি। তার জামায়াতে যোগদানের বিষয়টি আমি অবগত নই।
১৬ ঘণ্টা আগে
শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) সকাল ১১টায় গজারিয়া উপজেলার ইমামপুর ইউনিয়নের রসূলপুর খেয়াঘাট সংলগ্ন বিএনপির অস্থায়ী কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ পদত্যাগের ঘোষণা দেন তারা। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন গজারিয়া উপজেলা বিএনপির সদস্যসচিব আব্দুর রহমান শফিক।
১৬ ঘণ্টা আগে
ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘আগামী ১২ তারিখের (ফেব্রুয়ারি) নির্বাচনে জনগণের আমানত ও ভোটে জয়ী হওয়ার পর ১৩ তারিখ থেকে বাংলাদেশের চিত্র পাল্টে যাবে। দেশের নব্বই শতাংশ চাঁদাবাজের হাত চিরতরে অবশ করে দেওয়া হবে।’
১৬ ঘণ্টা আগে