
বরিশাল প্রতিনিধি

বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন বীরপ্রতীক রত্তন আলী শরীফ (৭৭)। তার মৃত্যুর ঘটনায় চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগ করেছেন স্বজনরা। অভিযোগ তদন্তে ছয় সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে হাসপাতাল কর্তৃৎপক্ষ।
রোববার (২৮ ডিসেম্বর) রাতে শেবাচিম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় বীরপ্রতীক রত্তন আলীর। তিনি বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার দেহেরগতি ইউনিয়নের রাকুদিয়া গ্রামের নূর মোহাম্মদ শরীফের ছেলে।
শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) দুপুরে অসুস্থ মুক্তিযোদ্ধা রত্তন আলীকে ভর্তি করা হয় শেবাচিম হাসপাতালে। তার ছোট মেয়ে ইমু অভিযোগ করে বলেন, হাসপাতালে ভর্তির পর তার বাবার জন্য একটি কেবিনের ব্যবস্থা করা হয়। কিন্তু সকাল ছাড়া সেখানে চিকিৎসকদের দেখা মেলে না। দায়িত্বরত চিকিৎসকরা সেবা না দিয়ে তাকে ওয়ার্ডে স্থানান্তর বা বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হতে বলেন। সব মিলিয়ে নামমাত্র সেবা দেওয়ার অভিযোগ করেন তিনি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক বিগ্রেডিয়ার জেনারেল এ কে এম মশিউল মুনীর বলেন, ‘স্বজনদের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ছয় সদস্যর একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছ। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন ও সুপারিশ পেলে সে অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
বীরপ্রতীক রত্তন শরীফের জন্ম ১৯৪৮ সালের ২ জানুয়ারি বরিশাল জেলার বাবুগঞ্জ উপজেলার রাকুদিয়া গ্রামে। তিনি ১৯৬৩ সালে ম্যাট্রিকুলেশন ও ১৯৭২ সালে ইন্টারমিডিয়েট পাস করেন।
মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণের আগে রত্তন আলী পাকিস্তান বিমান বাহিনীতে কর্মরত ছিলেন। দেশমাতৃকার ডাকে সাড়া দিয়ে তিনি মহান মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েন এবং জীবনবাজি রেখে যুদ্ধ করেন। পরে তিনি দেহেরগতি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে এলাকায় উন্নয়ন ও জনসেবামূলক কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদানের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর প্রতীক খেতাবে ভূষিত করে।

বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন বীরপ্রতীক রত্তন আলী শরীফ (৭৭)। তার মৃত্যুর ঘটনায় চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগ করেছেন স্বজনরা। অভিযোগ তদন্তে ছয় সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে হাসপাতাল কর্তৃৎপক্ষ।
রোববার (২৮ ডিসেম্বর) রাতে শেবাচিম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় বীরপ্রতীক রত্তন আলীর। তিনি বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার দেহেরগতি ইউনিয়নের রাকুদিয়া গ্রামের নূর মোহাম্মদ শরীফের ছেলে।
শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) দুপুরে অসুস্থ মুক্তিযোদ্ধা রত্তন আলীকে ভর্তি করা হয় শেবাচিম হাসপাতালে। তার ছোট মেয়ে ইমু অভিযোগ করে বলেন, হাসপাতালে ভর্তির পর তার বাবার জন্য একটি কেবিনের ব্যবস্থা করা হয়। কিন্তু সকাল ছাড়া সেখানে চিকিৎসকদের দেখা মেলে না। দায়িত্বরত চিকিৎসকরা সেবা না দিয়ে তাকে ওয়ার্ডে স্থানান্তর বা বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হতে বলেন। সব মিলিয়ে নামমাত্র সেবা দেওয়ার অভিযোগ করেন তিনি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক বিগ্রেডিয়ার জেনারেল এ কে এম মশিউল মুনীর বলেন, ‘স্বজনদের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ছয় সদস্যর একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছ। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন ও সুপারিশ পেলে সে অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
বীরপ্রতীক রত্তন শরীফের জন্ম ১৯৪৮ সালের ২ জানুয়ারি বরিশাল জেলার বাবুগঞ্জ উপজেলার রাকুদিয়া গ্রামে। তিনি ১৯৬৩ সালে ম্যাট্রিকুলেশন ও ১৯৭২ সালে ইন্টারমিডিয়েট পাস করেন।
মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণের আগে রত্তন আলী পাকিস্তান বিমান বাহিনীতে কর্মরত ছিলেন। দেশমাতৃকার ডাকে সাড়া দিয়ে তিনি মহান মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েন এবং জীবনবাজি রেখে যুদ্ধ করেন। পরে তিনি দেহেরগতি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে এলাকায় উন্নয়ন ও জনসেবামূলক কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদানের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর প্রতীক খেতাবে ভূষিত করে।

চিরিংগা হাইওয়ে থানা পুলিশ জানায়, মোটরসাইকেল যোগে বরইতলী থেকে চিরিংগা বাজারে যাওয়ার পথে একটি দ্রুতগামী ট্রাক তাদের চাপা দিলে ঘটনাস্থলেই তারা গুরুতর আহত হন। পরে চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাদের মৃত্যু হয়।
১ দিন আগে
দ্রুতগামী একটি পিকআপ ভ্যানের সাথে বিপরীত দিক থেকে আসা অটোরিকশাটির সংঘর্ষ হলে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।
১ দিন আগে
ভূমিমন্ত্রী বলেন, আমি রাজশাহীর মাটির সন্তান। আমরা একে অপরের সহকর্মী, কেউ কারও বস নই। আপনারা সাংবিধানিক দায়িত্বপ্রাপ্ত— সেই দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে হবে। আইন সবার জন্য সমান। আমার সন্তানও যদি আইন লঙ্ঘন করে, প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।
২ দিন আগে