দেশের তিন অঞ্চলে সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড় বয়ে যেতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এ সময় বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। রোববার (২ জুন) দুপুর ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য দেওয়া এক পূর্বাভাসে এ আশঙ্কার কথা জানানো হয়েছে।
দেখতে স্মার্ট, কিন্তু ভেতরটা ফাঁপা, প্রবাদবাক্যে এদেরকে মাকাল ফল বলে। কিন্তু এমন মানুষকে মাকাল ফল কেন বলা হয়?
ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টির আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অফিস। বিশেষ করে রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে।
আবহওয়াবিদ মো. মনোয়ার হোসেন জানিয়েছেন, লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ থেকে বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল হয়ে উত্তরপশ্চিম বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চল পর্যন্ত অগ্রসর হয়েছে এবং দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু দেশের অবশিষ্টাংশে আরও অগ্রসর হওয়ার জন্য পরিস
দেশের চার অঞ্চলের ওপর দিয়ে সর্বোচ্চ ৮০ কিলোমিটার বেগে ঝড় বয়ে যেতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। শুক্রবার দুপুর ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য দেওয়া এক পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এই অবস্থায় ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল, কুমিল্লা এবং সিলেট অঞ্চল সমূহের ওপর দিয়ে পশ্চিম/উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫-৬০ কি.মি. বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা/ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরসমূহকে ১ নম্বর (পুনঃ) ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
দেশের দুই জেলার ওপর দিয়ে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড় বয়ে যেতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস। সেইসঙ্গে বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে বলেও আশঙ্কা করা হচ্ছে। বৃহস্পতিবার (৩০ মে) ভোর পাঁচটা থেকে দুপুর একটা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়।
আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে, গরমের এই অনুভূতি থাকবে কিছুদিন। অন্তত বর্ষা মৌসুম শুরু হওয়ার আগ পর্যন্ত বজায় থাকবে এই পরিস্থিতি। আবহাওয়াবিদেরা বলছেন, দুদিন টানা বৃষ্টির কারণে বাতাসে ও মাটিতে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বেড়েছে। আর এতে করে শরীরের ঘাম শুকাচ্ছে না, অস্বস্তি লাগছে।
ঘূর্ণিঝড় রিমালের প্রভাবে দেশব্যাপী ব্যাপক বৃষ্টিপাত হওয়ার পর তাপমাত্রার পারদের তুলনায় বেশি উত্তাপ অনুভূত হচ্ছে। এতে অস্বস্তিকর গরমে জনজীবনে হাঁসফাঁস পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। এতে অসুস্থ হয়ে পড়ছেন নানা বয়সী মানুষেরা। অস্বস্তিকর এই গরমের কয়েকটি কারণ চিহ্নিত করেছেন আবহাওয়াবিদরা।
দেশের ছয়টি অঞ্চলের ওপর দিয়ে অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। বুধবার (২৯ মে) দুপুর ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়।
রাষ্ট্রীয় সংস্থাটির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১টার মধ্যে দেশের কুমিল্লা, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেট আঞ্চলের ওপর দিয়ে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। ঘণ্টায় যার সর্বোচ্চ গতিবেগ হতে পারে ৬০ কিলোমিটার। এ সময় এসব অঞ্চলে ঝোড়ো বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে।
নিত্যপণ্যের দাম পর্যালোচনা ও নিয়ন্ত্রণে এটি তৃতীয় আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা। এর আগে অর্থ মন্ত্রণালয়ে ও খাদ্য মন্ত্রণালয়ে এ সংক্রান্ত দুটি সভা হয়েছে।
তিনি বলেন, সোমবার ভোর থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত ঢাকায় ১১৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। আমাদের হিসেব অনুযায়ী এটি অতি ভারী বৃষ্টিপাত। এর মধ্যে ভোর ৬টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত ৭০ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। এরপর দুপুর ১২টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত ৪৫ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। অবশ্য সন্ধ্যার পরও ঢাকায় বৃ
আবহাওয়া অফিস জানায়, রাত ১টার মধ্যে রংপুর, রাজশাহী, পাবনা, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, ঢাকা, ফরিদপুর, কুষ্টিয়া, যশোর, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, কুমিল্লা, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ-পূর্ব/পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৬০-৮০ কিলোমিটার বেগে বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টিসহ অস্থায়ীভাবে ঝোড়ো হ
ঘূর্ণিঝড় রিমালের প্রভাবে সুন্দরবনের বিভিন্ন এলাকা ৭ থেকে ১০ ফুট পর্যন্ত পানির নিচে তলিয়ে গেছে। এতে বন্যপ্রাণীর বড় ধরনের ক্ষতির আশঙ্কা করছে বন বিভাগ।
ঘূর্ণিঝড় রিমালের প্রভাবে রাজশাহীতে দমকা হাওয়ার সঙ্গে ভারি বৃষ্টিপাত হয়েছে। গতকাল রোববার (২৬ মে) সন্ধ্যা সোয়া ৭টার দিকে বৃষ্টিপাত শুরু হয়। আজ সোমবার (২৭ মে) সকাল ৯টা পর্যন্ত থেমে থেমে দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি হচ্ছে।
প্রবল ঘূর্ণিঝড় রিমাল উপকূল অতিক্রম অব্যাহত রেখেছে। জোয়ারের পানিতে নিম্নাঞ্চলগুলো প্লাবিত হয়েছে। ভারী বৃষ্টি আর জোয়ারের পানিতে দুর্ভোগে পড়েছেন বাসিন্দারা। বেশ কয়েকটি জেলা বিদ্যুৎহীন আছে।