
বাসস

কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুস শহীদ বলেছেন, বোরোতে উৎপাদন ভালো হয়েছে। চালের কোন ঘাটতি নেই এবং চালের দাম স্থিতিশীল আছে।
সোমবার বিকালে সচিবালয়ে কৃষি মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে নিত্যপণ্যের দাম পর্যালোচনা ও নিয়ন্ত্রণ বিষয়ক আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
কৃষিমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ সভায় খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার, বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু, কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব ওয়াহিদা আক্তার, খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. ইসমাইল হোসেন, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাং সেলিম উদ্দিন, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, খাদ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
নিত্যপণ্যের দাম পর্যালোচনা ও নিয়ন্ত্রণে এটি তৃতীয় আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা। এর আগে অর্থ মন্ত্রণালয়ে ও খাদ্য মন্ত্রণালয়ে এ সংক্রান্ত দুটি সভা হয়েছে।
আলু ও পেঁয়াজের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে আমদানি উন্মুক্ত রয়েছে বলে জানান কৃষিমন্ত্রী। তিনি বলেন, এই মুহূর্তে ডিমের দাম কিছুটা বেশি। হিমাগারে ডিম মজুদ রাখার খবর আমরা পাচ্ছি-এ বিষয়ে তদারকি করা হচ্ছে।
মন্ত্রী বলেন, নিত্যপণ্যের বাজার স্থিতিশীল রাখতে আমরা চার মন্ত্রণালয় একসঙ্গে কাজ করে যাচ্ছি। প্রতিদিন বাজার মনিটর করা হচ্ছে এবং সে অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। মনিটরিং আরো জোরদার করা হবে।
মন্ত্রী আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সবসময় চান সরকার পরিচালনায় যাতে জনগণের ইচ্ছার প্রতিফলন ঘটে। সেভাবেই তিনি কাজ করে যাচ্ছেন। সাধারণ মানুষের যাতে কষ্ট না হয়, সেজন্য নিত্যপণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে তিনি আমাদের চার মন্ত্রণালয়কে একসঙ্গে কাজ করতে নির্দেশ দিয়েছেন। আমরা আবার মিটিংয়ে বসবো, প্রতিনিয়ত প্রতিটি পণ্যের দাম যাচাই করব এবং সে অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।
সরকারের আন্তরিক প্রচেষ্টায় বেশিরভাগ নিত্যপণ্যের দাম সহনশীল অবস্থায় আছে বলেও জানান মন্ত্রী।

কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুস শহীদ বলেছেন, বোরোতে উৎপাদন ভালো হয়েছে। চালের কোন ঘাটতি নেই এবং চালের দাম স্থিতিশীল আছে।
সোমবার বিকালে সচিবালয়ে কৃষি মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে নিত্যপণ্যের দাম পর্যালোচনা ও নিয়ন্ত্রণ বিষয়ক আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
কৃষিমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ সভায় খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার, বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু, কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব ওয়াহিদা আক্তার, খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. ইসমাইল হোসেন, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাং সেলিম উদ্দিন, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, খাদ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
নিত্যপণ্যের দাম পর্যালোচনা ও নিয়ন্ত্রণে এটি তৃতীয় আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা। এর আগে অর্থ মন্ত্রণালয়ে ও খাদ্য মন্ত্রণালয়ে এ সংক্রান্ত দুটি সভা হয়েছে।
আলু ও পেঁয়াজের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে আমদানি উন্মুক্ত রয়েছে বলে জানান কৃষিমন্ত্রী। তিনি বলেন, এই মুহূর্তে ডিমের দাম কিছুটা বেশি। হিমাগারে ডিম মজুদ রাখার খবর আমরা পাচ্ছি-এ বিষয়ে তদারকি করা হচ্ছে।
মন্ত্রী বলেন, নিত্যপণ্যের বাজার স্থিতিশীল রাখতে আমরা চার মন্ত্রণালয় একসঙ্গে কাজ করে যাচ্ছি। প্রতিদিন বাজার মনিটর করা হচ্ছে এবং সে অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। মনিটরিং আরো জোরদার করা হবে।
মন্ত্রী আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সবসময় চান সরকার পরিচালনায় যাতে জনগণের ইচ্ছার প্রতিফলন ঘটে। সেভাবেই তিনি কাজ করে যাচ্ছেন। সাধারণ মানুষের যাতে কষ্ট না হয়, সেজন্য নিত্যপণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে তিনি আমাদের চার মন্ত্রণালয়কে একসঙ্গে কাজ করতে নির্দেশ দিয়েছেন। আমরা আবার মিটিংয়ে বসবো, প্রতিনিয়ত প্রতিটি পণ্যের দাম যাচাই করব এবং সে অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।
সরকারের আন্তরিক প্রচেষ্টায় বেশিরভাগ নিত্যপণ্যের দাম সহনশীল অবস্থায় আছে বলেও জানান মন্ত্রী।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, নগরবাসী সচেতন হয়ে নিজ বাসাবাড়ি, আঙিনা, ছাদ ও ফুলের টবে জমে থাকা পানি নিয়মিত পরিষ্কার করলে ডেঙ্গু থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব। তিনি ছাদ, আঙিনা কিংবা যেকোনো স্থানে জমে থাকা পানি দ্রুত ফেলে দেওয়ারও আহ্বান জানান।
৬ ঘণ্টা আগে
বৈঠক শেষে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাও নিং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম 'এক্স'-এ এই তথ্য নিশ্চিত করে জানান, বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক অখণ্ডতা সমুন্নত রাখার পাশাপাশি যেকোনো বিদেশি হস্তক্ষেপ প্রত্যাখ্যানের ক্ষেত্রেও ঢাকার অবস্থানকে দৃঢ় সমর্থন জানিয়েছে বেইজিং।
৬ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ১৭ ফেব্রুয়ারি সরকারপ্রধানের দায়িত্ব নেয়ার পর মালয়েশিয়ায় ছিলো প্রধানমন্ত্রীর প্রথম সফর।
৭ ঘণ্টা আগে
মাহাদী আমিন বলেন, ‘বৈঠকে বাংলাদেশ থেকে মিয়ানমার এবং চীন হয়ে একটি ইকোনোমিক করিডোর তৈরির প্রস্তাব এসেছে। এই ইকোনোমিক করিডোরের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে বাংলাদেশের অর্থনীতির ব্যাপ্তি বাড়ানো, ট্রানজেকশন বাড়ানো এবং মাল্টি-মডারেল ট্রান্সপোর্টকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়া।’
৭ ঘণ্টা আগে