
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধ শুরুর পর থেকে প্রায় ৭০ লাখ ইরানি নাগরিক দেশটির সামরিক বাহিনীতে স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে নাম লিখিয়েছেন বলে জানিয়েছেন ইরান সংসদের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ।
তিনি বলেন, একটি ‘শক্তিশালী জাতীয় প্রচার’ লাখো ইরানিকে দেশ রক্ষায় অস্ত্র তুলে নিতে উদ্বুদ্ধ করেছে। আগেও আমরা তা করেছি, আবারও করতে প্রস্তুত। আমাদের ঘরে এলে পুরো জাতির মুখোমুখি হতে হবে।’
বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, এক মাসেরও বেশি সময় ধরে চলমান এ যুদ্ধের গতিপ্রকৃতি এখনো স্পষ্ট নয়। মার্কিন ডোনাল্ড ট্রাম্প সবশেষ বলেছেন, আগামী দুই থেকে তিন সপ্তাহের মধ্যে যুদ্ধটি তিনি শেষ করবেন। এর মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে বেশ কয়েক হাজার স্থল সেনা পাঠানো হয়েছে। এমন পদক্ষেপে ইরানে মার্কিন স্থল অভিযানের ধারণাও করছেন কেউ কেউ।
ইরান বরাবরের মতোই স্থল অভিযানের প্রতিটি সম্ভাবনার খবরে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। দেশটির রক্ষীবাহিনী বিপ্লবী গার্ড (আইআরজিসি) জানিয়েছে, এমন অভিযান করলে যুক্তরাষ্ট্র উপযুক্ত জবাব পাবে। স্পিকার বাঘের গালিবাফও চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়ে বলেন, ‘একবার এসেই দেখো!’
ইরানের তেহরান ও তেহরানের নিকটবর্তী আলবোর্জ প্রদেশের কারাজে নতুন করে হামলার খবরও দিয়েছে বিবিসি। আলবোর্জ প্রদেশের গভর্নরের কার্যালয়ের নিরাপত্তা বিষয়ক উপপ্রধান জানিয়েছেন, কারাজে বি-১ সেতুতে হামলায় অন্তত দুজন নিহত ও কয়েকজন আহত হয়েছেন।
বিবিসি ফার্সির সিনিয়র সংবাদদাতা ঘোনচেহ হাবিবিয়াজাদ জানিয়েছেন, প্রথম দফায় হামলার পর ওই একই সেতুতে ফের হামলা হয়েছে। হামলার পরপরই শহরের কিছু এলাকায় বিদ্যুৎ বিভ্রাট দেখা দিয়েছে।
কারাজের ওই সেতুতে দুই দফা হামলার বিষয়ে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) জানায়, এ ধরনের কোনো হামলার বিষয়ে তারা অবগত নয়।
এদিকে বৃহস্পতিবারই কারাজে দ্বিতীয়বারের মতো হামলার শব্দ শোনা গেছে বলে বিবিসিকে জানিয়েছে একটি সূত্র। ইরানের গণমাধ্যমগুলোও বলছে যে পূর্ব তেহরানেও বিস্ফোরণ ঘটেছে। একই সঙ্গে উত্তর-পূর্বাঞ্চল থেকেও বিস্ফোরণের শব্দ শোনার কথা বিবিসিকে জানাচ্ছে একাধিক সূত্র।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধ শুরুর পর থেকে প্রায় ৭০ লাখ ইরানি নাগরিক দেশটির সামরিক বাহিনীতে স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে নাম লিখিয়েছেন বলে জানিয়েছেন ইরান সংসদের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ।
তিনি বলেন, একটি ‘শক্তিশালী জাতীয় প্রচার’ লাখো ইরানিকে দেশ রক্ষায় অস্ত্র তুলে নিতে উদ্বুদ্ধ করেছে। আগেও আমরা তা করেছি, আবারও করতে প্রস্তুত। আমাদের ঘরে এলে পুরো জাতির মুখোমুখি হতে হবে।’
বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, এক মাসেরও বেশি সময় ধরে চলমান এ যুদ্ধের গতিপ্রকৃতি এখনো স্পষ্ট নয়। মার্কিন ডোনাল্ড ট্রাম্প সবশেষ বলেছেন, আগামী দুই থেকে তিন সপ্তাহের মধ্যে যুদ্ধটি তিনি শেষ করবেন। এর মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে বেশ কয়েক হাজার স্থল সেনা পাঠানো হয়েছে। এমন পদক্ষেপে ইরানে মার্কিন স্থল অভিযানের ধারণাও করছেন কেউ কেউ।
ইরান বরাবরের মতোই স্থল অভিযানের প্রতিটি সম্ভাবনার খবরে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। দেশটির রক্ষীবাহিনী বিপ্লবী গার্ড (আইআরজিসি) জানিয়েছে, এমন অভিযান করলে যুক্তরাষ্ট্র উপযুক্ত জবাব পাবে। স্পিকার বাঘের গালিবাফও চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়ে বলেন, ‘একবার এসেই দেখো!’
ইরানের তেহরান ও তেহরানের নিকটবর্তী আলবোর্জ প্রদেশের কারাজে নতুন করে হামলার খবরও দিয়েছে বিবিসি। আলবোর্জ প্রদেশের গভর্নরের কার্যালয়ের নিরাপত্তা বিষয়ক উপপ্রধান জানিয়েছেন, কারাজে বি-১ সেতুতে হামলায় অন্তত দুজন নিহত ও কয়েকজন আহত হয়েছেন।
বিবিসি ফার্সির সিনিয়র সংবাদদাতা ঘোনচেহ হাবিবিয়াজাদ জানিয়েছেন, প্রথম দফায় হামলার পর ওই একই সেতুতে ফের হামলা হয়েছে। হামলার পরপরই শহরের কিছু এলাকায় বিদ্যুৎ বিভ্রাট দেখা দিয়েছে।
কারাজের ওই সেতুতে দুই দফা হামলার বিষয়ে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) জানায়, এ ধরনের কোনো হামলার বিষয়ে তারা অবগত নয়।
এদিকে বৃহস্পতিবারই কারাজে দ্বিতীয়বারের মতো হামলার শব্দ শোনা গেছে বলে বিবিসিকে জানিয়েছে একটি সূত্র। ইরানের গণমাধ্যমগুলোও বলছে যে পূর্ব তেহরানেও বিস্ফোরণ ঘটেছে। একই সঙ্গে উত্তর-পূর্বাঞ্চল থেকেও বিস্ফোরণের শব্দ শোনার কথা বিবিসিকে জানাচ্ছে একাধিক সূত্র।

ইরান যুদ্ধ শুরুর আগে বিশ্বের মোট তেল সরবরাহের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ যে নৌ রুটে পরিবাহিত হতো, সেই হরমুজ প্রণালির ওপর ইরানের এই কঠোর নিয়ন্ত্রণ বৈশ্বিক অর্থনীতিকে বড় সংকটে ফেলেছে। সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ইরান কীভাবে এই কৌশলগত চোকপয়েন্টের ওপর তাদের নিয়ন্ত্রণ জোরদার করছে, তা উন্মোচন করতে রয়টার্স ২০ জন সংশ্
৭ ঘণ্টা আগে
এরপরই অনুপ্রবেশ নিয়ে মুখ খোলেন শুভেন্দু অধিকারী। বলেন, বিএসএফের সঙ্গে সুদৃঢ় বন্ধন তৈরি করে আমরা রাজ্য ও দেশকে সুরক্ষিত করব। ভারত সরকারের পক্ষ থেকে ২০২৫ সালের ১৪ মে অবৈধ বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের সরাসরি বিএসএফের হাতে তুলে দেওয়ার জন্য নির্দেশিকা পাঠানো হয়েছিল। আমাদের আগের সরকার একদিকে শরণার্থীদের সি
১৭ ঘণ্টা আগে
চীনের জন্য এই সফর দুটি প্রমাণ করে যে, দেশটির বিশাল অর্থনীতি এবং নতুন কূটনৈতিক প্রভাবের কারণে এখন সব পথই বেইজিংয়ের দিকে ধাবিত হচ্ছে। দুই সফরের বাহ্যিক দৃশ্যপট প্রায় একই রকম ছিল— স্বাগতিক হিসেবে শি জিনপিং বেশ আত্মবিশ্বাসী ছিলেন। তবে ট্রাম্পের সফরের সঙ্গে পুতিনের সফরের পেছনের রাজনীতি সম্পূর্ণ ভিন্ন।
২১ ঘণ্টা আগে