
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

রোমের সেন্ট সান্তা মারিয়া মেজোরে ব্যাসিলিকায় সমাধিস্থ করা হয়েছে পোপ ফ্রান্সিসের মরদেহ। শতাধিক বছরের মধ্যে এই প্রথম কোনো পোপের মরদেহ ভ্যাটিকানের বাইরে সমাহিত করা হলো।
বিবিসি ও গার্ডিয়ানের খবরে বলা হয়েছে, শনিবার (২৬ এপ্রিল) ভ্যাটিকান সিটির স্থানীয় সময় সকালে শুরু হয় পোপ ফ্রান্সিসের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার আনুষ্ঠানিকতা। স্পেনের রাজা-রানি থেকে শুরু করে প্রিন্স উইলিয়ামসহ বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধান উপস্থিত ছিলেন সে প্রার্থনা সভায়। ছিলেন পোপকে শেষ বিদায় জানাতে আসা লাখো ভক্ত।
দীর্ঘ প্রার্থনা সভার পর দুপুর ১টার দিকে পোপের মরদেহ রাখা কফিনটি নিয়ে শুরু হয় শেষ যাত্রা। দুপুর ২টা নাগাদ তাকে সমাহিত করার প্রক্রিয়া শেষ হয়।
ভ্যাটিকান জানিয়েছে, শনিবার সেন্ট পিটারস চত্বরে ভ্যাটিকান স্থানীয় সময় সকাল ১০টায় পোপ ফ্রান্সিসের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার প্রার্থনা সভা শুরু হয়। প্রার্থনা সভা শেষ হলে একটি বিশেষ গাড়িতে করে পোপের কফিন সান্তা মারিয়া মাজোরে গির্জায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে একান্তে একটি সংক্ষিপ্ত প্রার্থনাসভা করে কার্ডিনাল চেম্বারলেইন কেভিন জোসেফ ফ্যারেলের নেতৃত্বে পোপ ফ্রান্সিসকে সমাহিত করা হয়।
ক্যাথলিক খ্রিষ্টানদের সর্বোচ্চ ধর্মগুরু পোপতে সাধারণত ভ্যাটিকানের সেন্ট পিটার্স ব্যাসিলিকায় সমাহিত করা হয়। তবে ভ্যাটিকান জানিয়েছে, পোপ ফ্রান্সিসের ইচ্ছা অনুযায়ীই তাকে তার প্রিয় গির্জা রোমের সেন্ট সান্তা মারিয়া মেজোরে ব্যাসিলিকায় সমাধিস্থ করা হয়েছে।
গত সোমবার (২১ এপ্রিল) সকাল ৭টা ৩৫ মিনিটে ভ্যাটিকানে কাসা সান্তা মার্তায় নিজ বাসভবনে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন পোপ ফ্রান্সিস। ২০১৩ সাল থেকে তিনি এ দায়িত্ব পালন করছিলেন। তার বয়স হয়েছিল ৮৮ বছর।

সেন্ট পিটার্স স্কয়ারে পোপ ফ্রান্সিসের প্রার্থনা সভায় প্রায় আড়াই লাখ মানুষ উপস্থিত ছিলেন বলে জানিয়েছে ভ্যাটিকান। ছবি: ইপিএ
ভ্যাটিকান এক বিবৃতিতে বলেছে, এক শতাব্দীরও বেশি সময়ের মধ্যে ভ্যাটিকানের বাইরে সমাহিত হওয়া প্রথম পোপ হলেন ফ্রান্সিস। তার এই সমাহিতকরণ একান্তে অনুষ্ঠিত হয়েছে। তার নিকটতমদের শ্রদ্ধা জানানোর অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। রোববার সকাল থেকে আগ্রহীরা ফ্রান্সিসের সমাধি পরিদর্শন করতে পারবেন।
এর আগে পোপ ফ্রান্সিসের মরদেহ বুধবার সকালে নিয়ে রাখা হয় সেন্ট পিটার’স ব্যাসিলিকায়। ভ্যাটিকান জানিয়েছে, শনিবার সকালে পোপের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার আনুষ্ঠানিকতা শুরুর আগে শুক্রবার রাত পর্যন্ত সেখানে পোপ ফ্রান্সিসের প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানান অন্তত আড়াই লাখ মানুষ।

ভ্যাটিকান আরও জানিয়েছে, শনিবার সেন্ট পিটার’স ব্যাসিলিকায় পোপ ফ্রান্সিসের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার আনুষ্ঠানিকতায় প্রায় আড়াই লাখ মানুষ উপস্থিত ছিলেন। এরপর তার মরদেহবাহী কফিনের মিছিল রোমের রাজপথ দিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় আরও প্রায় দেড় লাখ মানুষ রাস্তার পাশে জড়ো হয়েছিলেন।
ইতালির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারাও জানিয়েছেন একই তথ্য। তারা বলছেন, সেন্ট পিটার’স গির্জায় প্রার্থনা সভা আর রোমের রাজপথে পোপের কফিন মিছিল দেখতে অন্তত চার লাখ মানুষ জড়ো হয়েছিলেন। সবার শেষ শ্রদ্ধা নিয়ে শেষ পর্যন্ত রোমের প্রিয় গির্জাতেই চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন পোপ ফ্রান্সিস।

রোমের সেন্ট সান্তা মারিয়া মেজোরে ব্যাসিলিকায় সমাধিস্থ করা হয়েছে পোপ ফ্রান্সিসের মরদেহ। শতাধিক বছরের মধ্যে এই প্রথম কোনো পোপের মরদেহ ভ্যাটিকানের বাইরে সমাহিত করা হলো।
বিবিসি ও গার্ডিয়ানের খবরে বলা হয়েছে, শনিবার (২৬ এপ্রিল) ভ্যাটিকান সিটির স্থানীয় সময় সকালে শুরু হয় পোপ ফ্রান্সিসের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার আনুষ্ঠানিকতা। স্পেনের রাজা-রানি থেকে শুরু করে প্রিন্স উইলিয়ামসহ বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধান উপস্থিত ছিলেন সে প্রার্থনা সভায়। ছিলেন পোপকে শেষ বিদায় জানাতে আসা লাখো ভক্ত।
দীর্ঘ প্রার্থনা সভার পর দুপুর ১টার দিকে পোপের মরদেহ রাখা কফিনটি নিয়ে শুরু হয় শেষ যাত্রা। দুপুর ২টা নাগাদ তাকে সমাহিত করার প্রক্রিয়া শেষ হয়।
ভ্যাটিকান জানিয়েছে, শনিবার সেন্ট পিটারস চত্বরে ভ্যাটিকান স্থানীয় সময় সকাল ১০টায় পোপ ফ্রান্সিসের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার প্রার্থনা সভা শুরু হয়। প্রার্থনা সভা শেষ হলে একটি বিশেষ গাড়িতে করে পোপের কফিন সান্তা মারিয়া মাজোরে গির্জায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে একান্তে একটি সংক্ষিপ্ত প্রার্থনাসভা করে কার্ডিনাল চেম্বারলেইন কেভিন জোসেফ ফ্যারেলের নেতৃত্বে পোপ ফ্রান্সিসকে সমাহিত করা হয়।
ক্যাথলিক খ্রিষ্টানদের সর্বোচ্চ ধর্মগুরু পোপতে সাধারণত ভ্যাটিকানের সেন্ট পিটার্স ব্যাসিলিকায় সমাহিত করা হয়। তবে ভ্যাটিকান জানিয়েছে, পোপ ফ্রান্সিসের ইচ্ছা অনুযায়ীই তাকে তার প্রিয় গির্জা রোমের সেন্ট সান্তা মারিয়া মেজোরে ব্যাসিলিকায় সমাধিস্থ করা হয়েছে।
গত সোমবার (২১ এপ্রিল) সকাল ৭টা ৩৫ মিনিটে ভ্যাটিকানে কাসা সান্তা মার্তায় নিজ বাসভবনে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন পোপ ফ্রান্সিস। ২০১৩ সাল থেকে তিনি এ দায়িত্ব পালন করছিলেন। তার বয়স হয়েছিল ৮৮ বছর।

সেন্ট পিটার্স স্কয়ারে পোপ ফ্রান্সিসের প্রার্থনা সভায় প্রায় আড়াই লাখ মানুষ উপস্থিত ছিলেন বলে জানিয়েছে ভ্যাটিকান। ছবি: ইপিএ
ভ্যাটিকান এক বিবৃতিতে বলেছে, এক শতাব্দীরও বেশি সময়ের মধ্যে ভ্যাটিকানের বাইরে সমাহিত হওয়া প্রথম পোপ হলেন ফ্রান্সিস। তার এই সমাহিতকরণ একান্তে অনুষ্ঠিত হয়েছে। তার নিকটতমদের শ্রদ্ধা জানানোর অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। রোববার সকাল থেকে আগ্রহীরা ফ্রান্সিসের সমাধি পরিদর্শন করতে পারবেন।
এর আগে পোপ ফ্রান্সিসের মরদেহ বুধবার সকালে নিয়ে রাখা হয় সেন্ট পিটার’স ব্যাসিলিকায়। ভ্যাটিকান জানিয়েছে, শনিবার সকালে পোপের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার আনুষ্ঠানিকতা শুরুর আগে শুক্রবার রাত পর্যন্ত সেখানে পোপ ফ্রান্সিসের প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানান অন্তত আড়াই লাখ মানুষ।

ভ্যাটিকান আরও জানিয়েছে, শনিবার সেন্ট পিটার’স ব্যাসিলিকায় পোপ ফ্রান্সিসের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার আনুষ্ঠানিকতায় প্রায় আড়াই লাখ মানুষ উপস্থিত ছিলেন। এরপর তার মরদেহবাহী কফিনের মিছিল রোমের রাজপথ দিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় আরও প্রায় দেড় লাখ মানুষ রাস্তার পাশে জড়ো হয়েছিলেন।
ইতালির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারাও জানিয়েছেন একই তথ্য। তারা বলছেন, সেন্ট পিটার’স গির্জায় প্রার্থনা সভা আর রোমের রাজপথে পোপের কফিন মিছিল দেখতে অন্তত চার লাখ মানুষ জড়ো হয়েছিলেন। সবার শেষ শ্রদ্ধা নিয়ে শেষ পর্যন্ত রোমের প্রিয় গির্জাতেই চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন পোপ ফ্রান্সিস।

ইবোলার বর্তমান স্ট্রেইনের এই প্রাদুর্ভাবকে ‘আন্তর্জাতিক জরুরি অবস্থা’ হিসেবে ঘোষণা করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। আক্রান্তদের জন্য কোনো অনুমোদিত ওষুধ বা টিকা না থাকায় পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।
৬ ঘণ্টা আগে
ধর্মঘটের কারণে রাজধানী নাইরোবির প্রধান সড়কগুলো প্রায় জনশূন্য হয়ে পড়ে। স্কুল-কলেজ বন্ধ ঘোষণা করে শিক্ষার্থীদের বাড়িতে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
৭ ঘণ্টা আগে
স্যান ডিয়েগোর শীর্ষ পুলিশ কর্মকর্তা স্কট ওয়াল রয়টার্সকে জানিয়েছেন, ঠিক কী কারণে এই হামলা ঘটল— সে সম্পর্কে এখনও পুরোপুরি নিশ্চিত হতে পারেনি পুলিশ। তবে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, মুসলিমদের প্রতি ঘৃণাপূর্ণ মনোভাবই এ হামলার কারণ।
৭ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্র যদি কিউবার বিরুদ্ধে কোনো সামরিক অভিযান চালায়, তাহলে ‘রক্তের বন্যা বয়ে যাবে’ বলে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন কিউবার প্রেসিডেন্ট মিগুয়েল দিয়াজ-কানেল। তিনি বলেছেন, যার পরিণতি হবে আন্তর্জাতিক শান্তি ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য ভয়াবহ ও অপরিমেয়।
১৮ ঘণ্টা আগে